পাবনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
স্ট্রিম সংবাদদাতা

চোখমুখে একরাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে সিঁড়িতেই বসে পড়েন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুপা খাতুন। দ্বিতীয়বার সন্তানসম্ভবা রুপা স্বল্প খরচে পরীক্ষার আশায় এসেছিলেন পাবনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে। কিন্তু একটি প্রেসক্রিপশন ছাড়া কিছুই মেলেনি তাঁর। দীর্ঘশ্বাস ফেলে রুপা বলেন, ‘এখানে আলট্রাসনোগ্রাফি বা প্রয়োজনীয় কোনো পরীক্ষার সুবিধাই নেই।’
এখানে প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে প্রথম সন্তান প্রসবের সময় তাঁকে বাধ্য হয়ে ছুটতে হয়েছিল বেসরকারি ক্লিনিকে। সেখানে আবারও ৩-৪ হাজার টাকা খরচ করে গর্ভকালীন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো কঠিন তাদের। কিন্তু এবারও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁকে।
ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন মো. শহিদুল ইসলাম। সরকারি প্রসূতি ভাতা পেতে তার স্ত্রীর সনদ লাগবে। নিম্ন-আয়ের পরিবারের গৃহবধূদের গর্ভাবস্থা থেকে দুই বছর মাসে ৮০০ টাকা করে সরকারি ভাতা পেতে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এই সনদ প্রয়োজন হয়। ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানি। কিন্তু ভাতার কাগজের (সনদপত্র) জন্য বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে এখানে নিয়ে এসেছি।’
রূপা খাতুন বা শহিদুলের স্ত্রীর মতো পাবনার নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর নারীর ভরসা এই সরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানটি। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘ডেলিভারি হাসপাতাল’ নামে পরিচিত। কিন্তু বাজেট ও জনবল সংকট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাবনার একমাত্র বিশেষায়িত প্রসূতি সেবা কেন্দ্রটি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে এর অপারেশন থিয়েটার। মেলে না জরুরি ওষুধ।

১৯৮০-এর দশকে পাবনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয় ২০ শয্যার একমাত্র প্রসূতি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। শুরুতে কয়েক বছর শিশু ও প্রসূতি সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এটি। ভবনটি সর্বশেষ ১৯৯২ সালে মেরামত করা হয়েছিল। এরপর সংস্কার না হওয়ায় ভারী বর্ষণে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে পানি জমে যায়। এতে প্রসূতিদের দুর্ভোগের সঙ্গে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায় কয়েকগুন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এখানে অনুমোদিত স্থায়ী পদের সংখ্যা ৭টি। এর মধ্যে প্রহরী, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তাকর্মীর পদ ৩টি। বাকি পদের মধ্যে একজন করে মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক), ফিমেল মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও সহকারী নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট পদ রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব পদের একটিতেও স্থায়ী লোকবল নেই।
হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে ৬৭৭টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে। এতে প্রতি মাসে গড়ে অন্তত ৬০টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে এখানে। এছাড়া গত বছরের শেষের দিকে মাত্র ১২টি সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়েছিল। এরপর থেকে অস্ত্রোপচার পুরোপুরি বন্ধ।
প্রসবপূর্ব, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর সেবার পাশাপাশি পুরো বহির্বিভাগের (আউটডোর) রোগীদের একাই সামলান হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ঊর্মি সাহাকে। তিনি জানান, মাত্র দুটি কিট দিয়ে পাঁচটি করে প্রসবের কাজ সম্পন্ন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে এখানে কোনো নতুন তহবিল বা আধুনিক সরঞ্জাম আসেনি। বর্তমানে হাসপাতালটি শুধু স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা করতে পারছে, তবে সেটিও চরম চাপের মুখে।
ডা. ঊর্মি বলেন, ‘এখানে দুটি সার্জিক্যাল টেবিল আছে, কিন্তু আমাদের অ্যানেস্থেসিয়া মেশিনটি ৪০ বছরের পুরোনো। কোনো অ্যানেসথেসিস্ট নেই। তাই গত ছয় মাস ধরে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।’

দরিভাউডঙ্গা গ্রামের গৃহবধূ আমিনা বেগম জানান, এখানে পরিসেবাগুলো বিনামূল্যে দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রতিটি প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধসহ অন্যান্য জরুরি সরঞ্জাম কিনতে নিজেদের পকেট থেকে কিনতে হয়। এজন্য ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয় প্রত্যেককে।
হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট মো. কামরুল ইসলাম জানান, গত দুই বছর ধরে চিকিৎসাকেন্দ্রে স্যালাইন, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা ওষুধের কোনো সরকারি সরবরাহ নেই। এমনকি জ্বালানি বরাদ্দের অভাবে হাসপাতালের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটিও দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে।
এ সব সম্পর্কে ডা. ঊর্মি সাহা বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঠামোগত দুর্বলতা, তীব্র কর্মী সংকট এবং সরঞ্জামের ঘাটতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’
এসব তথ্য স্বীকার করে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এ বি এম শরিফুল হক বলেন, ‘সারা দেশের বেশিরভাগ পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালেরই এখন একই বাস্তবতা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং তারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু তহবিল অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে।’
উপ-পরিচালক শরিফুল হক জানান, হাসপাতালটির জন্য চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ, ওষুধ ও অস্ত্রোপচার সরঞ্জাম সরবরাহ এবং জরাজীর্ণ ভবন মেরামতসহ পুরোনো যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের জন্য তহবিল চেয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে নিয়মিত চিঠি লেখা হয়। তবে এখন পর্যন্ত সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

চোখমুখে একরাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে সিঁড়িতেই বসে পড়েন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুপা খাতুন। দ্বিতীয়বার সন্তানসম্ভবা রুপা স্বল্প খরচে পরীক্ষার আশায় এসেছিলেন পাবনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে। কিন্তু একটি প্রেসক্রিপশন ছাড়া কিছুই মেলেনি তাঁর। দীর্ঘশ্বাস ফেলে রুপা বলেন, ‘এখানে আলট্রাসনোগ্রাফি বা প্রয়োজনীয় কোনো পরীক্ষার সুবিধাই নেই।’
এখানে প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে প্রথম সন্তান প্রসবের সময় তাঁকে বাধ্য হয়ে ছুটতে হয়েছিল বেসরকারি ক্লিনিকে। সেখানে আবারও ৩-৪ হাজার টাকা খরচ করে গর্ভকালীন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো কঠিন তাদের। কিন্তু এবারও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁকে।
ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন মো. শহিদুল ইসলাম। সরকারি প্রসূতি ভাতা পেতে তার স্ত্রীর সনদ লাগবে। নিম্ন-আয়ের পরিবারের গৃহবধূদের গর্ভাবস্থা থেকে দুই বছর মাসে ৮০০ টাকা করে সরকারি ভাতা পেতে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এই সনদ প্রয়োজন হয়। ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানি। কিন্তু ভাতার কাগজের (সনদপত্র) জন্য বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে এখানে নিয়ে এসেছি।’
রূপা খাতুন বা শহিদুলের স্ত্রীর মতো পাবনার নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর নারীর ভরসা এই সরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানটি। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘ডেলিভারি হাসপাতাল’ নামে পরিচিত। কিন্তু বাজেট ও জনবল সংকট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাবনার একমাত্র বিশেষায়িত প্রসূতি সেবা কেন্দ্রটি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে এর অপারেশন থিয়েটার। মেলে না জরুরি ওষুধ।

১৯৮০-এর দশকে পাবনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয় ২০ শয্যার একমাত্র প্রসূতি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। শুরুতে কয়েক বছর শিশু ও প্রসূতি সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এটি। ভবনটি সর্বশেষ ১৯৯২ সালে মেরামত করা হয়েছিল। এরপর সংস্কার না হওয়ায় ভারী বর্ষণে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে পানি জমে যায়। এতে প্রসূতিদের দুর্ভোগের সঙ্গে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায় কয়েকগুন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এখানে অনুমোদিত স্থায়ী পদের সংখ্যা ৭টি। এর মধ্যে প্রহরী, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তাকর্মীর পদ ৩টি। বাকি পদের মধ্যে একজন করে মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক), ফিমেল মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও সহকারী নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট পদ রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব পদের একটিতেও স্থায়ী লোকবল নেই।
হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে ৬৭৭টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে। এতে প্রতি মাসে গড়ে অন্তত ৬০টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে এখানে। এছাড়া গত বছরের শেষের দিকে মাত্র ১২টি সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়েছিল। এরপর থেকে অস্ত্রোপচার পুরোপুরি বন্ধ।
প্রসবপূর্ব, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর সেবার পাশাপাশি পুরো বহির্বিভাগের (আউটডোর) রোগীদের একাই সামলান হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ঊর্মি সাহাকে। তিনি জানান, মাত্র দুটি কিট দিয়ে পাঁচটি করে প্রসবের কাজ সম্পন্ন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে এখানে কোনো নতুন তহবিল বা আধুনিক সরঞ্জাম আসেনি। বর্তমানে হাসপাতালটি শুধু স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা করতে পারছে, তবে সেটিও চরম চাপের মুখে।
ডা. ঊর্মি বলেন, ‘এখানে দুটি সার্জিক্যাল টেবিল আছে, কিন্তু আমাদের অ্যানেস্থেসিয়া মেশিনটি ৪০ বছরের পুরোনো। কোনো অ্যানেসথেসিস্ট নেই। তাই গত ছয় মাস ধরে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।’

দরিভাউডঙ্গা গ্রামের গৃহবধূ আমিনা বেগম জানান, এখানে পরিসেবাগুলো বিনামূল্যে দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রতিটি প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধসহ অন্যান্য জরুরি সরঞ্জাম কিনতে নিজেদের পকেট থেকে কিনতে হয়। এজন্য ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয় প্রত্যেককে।
হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট মো. কামরুল ইসলাম জানান, গত দুই বছর ধরে চিকিৎসাকেন্দ্রে স্যালাইন, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা ওষুধের কোনো সরকারি সরবরাহ নেই। এমনকি জ্বালানি বরাদ্দের অভাবে হাসপাতালের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটিও দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে।
এ সব সম্পর্কে ডা. ঊর্মি সাহা বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঠামোগত দুর্বলতা, তীব্র কর্মী সংকট এবং সরঞ্জামের ঘাটতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’
এসব তথ্য স্বীকার করে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এ বি এম শরিফুল হক বলেন, ‘সারা দেশের বেশিরভাগ পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালেরই এখন একই বাস্তবতা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং তারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু তহবিল অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে।’
উপ-পরিচালক শরিফুল হক জানান, হাসপাতালটির জন্য চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ, ওষুধ ও অস্ত্রোপচার সরঞ্জাম সরবরাহ এবং জরাজীর্ণ ভবন মেরামতসহ পুরোনো যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের জন্য তহবিল চেয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে নিয়মিত চিঠি লেখা হয়। তবে এখন পর্যন্ত সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
.png)

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক নারী। একই সঙ্গে গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি জানাজানির পর এলাকা থেকে গা-ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত। আজ বুধবার মামলার আরজির কপি থানায় পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি।
২ মিনিট আগে
ফরিদপুরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়। কিন্তু এই মরিচই ২৪০-২৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন চাষি। সেই হিসাবে শুধু আড়তদার ও মধ্যসত্ত্বভোগীর দুই হাত ঘুরতেই কেজিতে বাড়ছে অন্তত ৫৫ টাকা, মণে দুই-আড়াই হাজার টাকার বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনার সংবাদ পরিবেশনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। এ সময় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় ঘটনায় এনসিপি, স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিএম সরফরাজের সই করা আদেশে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে