ই-কমার্সে ৫৩১ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

জাতীয় সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

ই-ভ্যালি ও ই-অরেঞ্জসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ৫৩১ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শুনানির মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে শেরপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ দেশের ডিজিটাল বাণিজ্য খাতে আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনলাইন বাণিজ্য ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। বিশেষ করে কোভিডের সময়ে এবং পরবর্তী সময়ে অনলাইন বাণিজ্য ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণা বন্ধ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ডকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার জন্য জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা প্রণয়ন, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ও ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নিবন্ধন নির্দেশিকা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং, আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে দাখিল করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিপরীতে দাবিকৃত টাকার পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্যসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন ও তদারকি সংক্রান্ত কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ ২০২২ সালের আগে ছিল না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২২ সালে ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নিবন্ধন নির্দেশিকা জারি করে। নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে দেওয়া হয়। উক্ত পরিদপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯০২টি প্রতিষ্ঠানকে ডিবিআইডি দেওয়া হয়েছে।

আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্থতায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিং ও এসক্রো নীতিমালার আলোকে গ্রাহকের টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে দাখিলকৃত অভিযোগের বিপরীতে অভিযোগকারী, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট গেটওয়ের উপস্থিতিতে শুনানি গ্রহণ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাইপূর্বক অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত