আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস/‘বাবা কোথায়’—৭ বছরের মাহিরের প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারও

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ৪০
গুমের প্রতীকী ছবি।
গুমের প্রতীকী ছবি।

‘বাবা কোথায়’—৭ বছরের মাহিরের প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারও

সাত বছরের শিশু মাহিরের মনে প্রতিদিন একটিই প্রশ্ন ঘোরে, যার উত্তর কারও জানা নেই। সে রোজ তার মাকে জিজ্ঞেস করে, ‘বাবা কোথায়?’ দরজার দিকে তাকিয়ে কিংবা রাস্তায় বাবার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনে সে।

মাহিরের মা মুক্তা খাতুনের কাছে কোনো উত্তর নেই। বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনির ঘোল এলাকার বাসিন্দা তার স্বামী মিরাজ শেখ নিখোঁজ হওয়ার চার মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি বেঁচে আছেন কি না, তা-ও জানে না তার পরিবার।

মিরাজের বৃদ্ধা মা তাসলিমা বেগম গত চার মাস ধরে কোস্টগার্ড স্টেশন, থানা, জাতীয় প্রেস ক্লাব ও বিভিন্ন মানববন্ধনে ঘুরে ঘুরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তিনি বলেন, “আমি বিচার চাই না, আমি শুধু আমার ছেলেকে জীবিত ফেরত চাই।”

৩০ আগস্ট জাতিসংঘের ঘোষিত আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে সুন্দরবনের কোলঘেঁষা এই পরিবারটি স্বজন হারানোর অনিশ্চয়তা ও বিচারহীনতার মধ্যে দিন পার করছে। গুম এমন একটি অপরাধ যা কেবল একজন ব্যক্তির স্বাধীনতা কেড়ে নেয় না, বরং তার পরিবার ও সম্প্রদায়ের কল্যাণ ধ্বংস করে দেয়। ফলে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বজনদের সত্য, বিচার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার বজায় থাকে। চলতি বছর মিরাজের পরিবার সবচেয়ে মৌলিক উত্তরের অপেক্ষায় দিবসটি পালন করছে।

স্ট্রিমের প্রতিনিধিরা মিরাজের স্ত্রী মুক্তা ও বোন লিজার সঙ্গে কথা বলে তার নিখোঁজের রোমহর্ষক ও সুনির্দিষ্ট বিবরণ জানতে পেরেছেন। মিরাজের পরিবারের বিবরণ অনুযায়ী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা তার ভাইকে তুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ তোলা হলেও কোস্টগার্ড এই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। তবে তারা দাবি করেছে, মিরাজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

চা দোকান থেকে অপহরণ ও পন্টুনে টর্চার সেলে নির্যাতন

২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় নদী থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন ৩০ বছর বয়সী জেলে ও ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক মিরাজ শেখ। স্বজনেরা জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় অপরিচিত একটি নম্বর থেকে বেশ কয়েকটি ফোন পাওয়ার পর তিনি কাছের জয়মনি হাটের একটি চায়ের দোকানে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা লিজাকে জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোস্টগার্ডের পোশাক পরা একজন নৌকার মাঝিসহ আরও কয়েকজনকে নিয়ে চায়ের দোকানে এসে মিরাজের শার্টের কলার ধরে মারধর শুরু করেন। কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘পরে বুঝবি, এখন আমাদের সঙ্গে চল।’

মিরাজকে নেওয়ার জন্য ঘাটে কোস্টগার্ডের একটি ছোট নৌকা অপেক্ষা করছিল। চারজন উঠলে নৌকা উল্টে যাওয়ার ঝুঁকিতে মিজান নামে এক মাঝিকে বড় নৌকা আনতে পাঠানো হয়। পরে মিজান দেরি করায় তারা স্থানীয় মান্নান মাঝির একটি ছোট ডিঙি নৌকা দখল করে মিরাজকে হারবাড়িয়া কোস্টগার্ড স্টেশনের পন্টুনে নিয়ে যায়।

লিজা অভিযোগ করেন, পন্টুনে নেওয়ার পর রুমের সামনে কালো কম্বল বা পর্দা ঝুলিয়ে বাইরে থেকে দৃশ্য ঢেকে দেওয়া হয় এবং মিরাজকে রুমের ভেতর আটকে রেখে প্রচণ্ড নির্যাতন করা হয়। এর প্রায় ৪০ মিনিট পর মোংলা দিকরাজ প্রধান ঘাঁটি থেকে একটি বড় বোটে ৮ থেকে ১০ জন ইউনিফর্ম পরিহিত কোস্টগার্ড সদস্য সেখানে পৌঁছান।

পন্টুনে দাঁড়িয়ে তারা প্রচণ্ড মারধরের কারণে খোঁড়ানো মিরাজের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। লিজা জানান, শিশুসহ কয়েকজন গ্রামবাসী এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী।

এরপর মিরাজকে জোরপূর্বক বোটে তুলে দিকরাজের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

লিজা বলেন, স্থানীয় গ্রামবাসী এবং মিরাজের স্ত্রী মুক্তাসহ অন্য স্বজনদের চোখের সামনেই এই পুরো ঘটনাটি ঘটেছে।

কোস্টগার্ডের ‘স্বীকারোক্তি’ ও মিথ্যা আশ্বাস

ঘটনার শুরু থেকেই কোস্টগার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে মিরাজকে আটকের কথা অস্বীকার করলেও ঘটনার রাতেই তারা পরিবারের কাছে তাকে হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছিল বলে জানান লিজা।

লিজার মতে, ১০ এপ্রিল রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে হারবাড়িয়া স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন মিরাজের স্ত্রী। ওই কর্মকর্তা তাকে জানান, ‘সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে ধরা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে মামলা দেওয়া হবে, অন্যথায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।’

পরদিন সকাল ৮টা ২৩ মিনিটে আবারও কথা হলে ওই কর্মকর্তা মিরাজের স্ত্রীকে দিকরাজ প্রধান ঘাঁটিতে যেতে বলেন।

সেখানে পৌঁছালে প্রধান ফটকের কোস্টগার্ড সদস্য প্রথমে মিরাজ তাদের হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করেন। স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়লে তিনি বেলা ৪টায় আসতে বলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে মুক্তা ভেতরের আরেক কর্মকর্তাকে চিৎকার করে বলতে শোনেন, ‘মিরাজকে দ্রুত খেতে দাও, কাল রাত থেকে না খেয়ে আছে। আমরা এখনই অভিযানে বের হব।’

বিকেল ৪টায় পরিবারটি পুনরায় গেলে অন্য এক কোস্টগার্ড সদস্য তাদের জানান, এই নামে কেউ তাদের কাছে নেই। অবশেষে অভিযানের অজুহাতে গুম হয়ে যান মিরাজ।

মোটরসাইকেল ‘চুরি’ ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আটকের রাতে কোস্টগার্ড সদস্যরা মিরাজের মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নেন। ওই রাতে তারা গাড়িটি স্থানীয় আল-আমিনের ঘরের সামনে ফেলে রেখে যান।

১১ দিন পর রাত ৪টার দিকে রবিন নামে এক কোস্টগার্ড সদস্য ও মিজান মাঝি পেট্রোল নিয়ে পলিথিনে ঢাকা মোটরসাইকেলটি চুরি করতে আসেন।

শব্দে ঘুম ভেঙে আল-আমিন তাদের হাতেনাতে ধরে ফেললে রবিন তার কোস্টগার্ডের পরিচয়পত্র দেখান এবং বাইকটি নিয়ে যান।

লিজার বর্ণনায়, ওই দিন দুপুর ২টায় কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা আল-আমিনের কাছে মিরাজের বাইকের বিষয়ে জানতে চান।

আল-আমিন যখন বলেন, ‘আপনার লোক রবিন কাল রাতে গাড়িটি নিয়ে গেছে’, তখন কর্মকর্তা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবি ডাকাতেরা বাইক নিয়ে গেছে।’

সহিংস হামলা, মিথ্যা মামলা ও আদালতের নির্দেশ অমান্য

স্বামীর খোঁজ না পেয়ে ২৩ এপ্রিল থানায় জিডি করেন মুক্তা।

এরপর ৮ মে সংবাদ সম্মেলন করা হয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, আইজিপি ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়।

১১ জুন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা হারবাড়িয়া স্টেশনের বাইরে জড়ো হয়ে মানববন্ধনের মাধ্যমে জবাব চান।

লিজার বিবরণ অনুযায়ী, মানববন্ধনে তৎক্ষণাৎ হামলা চালায় কোস্টগার্ড। তারা লাঠিচার্জ করে এবং মিরাজের স্ত্রী, মা ও বোনকে চরম গালিগালাজ করে।

এই হামলায় ক্ষুব্ধ হয়ে গ্রামবাসী স্টেশনের জানালার কাচ ভাঙচুর করলে কোস্টগার্ড গুলি বর্ষণ করে।

লিজা স্ট্রিমকে জানান, কোস্টগার্ড সদস্যরা মিরাজের পরিবারের নারী সদস্যদের ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করে।

দায়বদ্ধতার মুখোমুখি হওয়ার বদলে কোস্টগার্ড আইনি ব্যবস্থাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। স্টেশনের কমান্ডার ও আরেক কর্মকর্তা দুটি পৃথক মামলা করেন। তারা মুক্তা, তাসলিমা, লিজা ইসলাম, ৪৪ জনের নামোল্লেখসহ আরও ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, দাঙ্গা, সম্পত্তির ক্ষতি ও ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন।

নির্যাতিত নারীদেরসহ ১২ জন সাধারণ মানুষকে এসব সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

অবশেষে ৯ জুলাই জামিনে মুক্ত হওয়ার আগে তারা ২৭ দিন কারাবাস করেন। লিজা অভিযোগ করেন, এই সময়ে কোস্টগার্ড প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নীরব রাখতে হুমকি দিয়ে আসছে।

মিরাজের বাবা মোস্তফা শেখের দায়ের করা হেবিয়াস কর্পাস রিট আবেদনের পর হাইকোর্ট ১২ জুলাই একটি শক্ত নির্দেশনা জারি করেন।

আদালত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে মিরাজকে খুঁজে বের করে হাজির করার নির্দেশ দেন। অথচ আগস্টের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত আদালতের সেই আদেশ অমান্য করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) উল্লেখ করেছে, এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গুমের প্রথম নিবন্ধিত ঘটনা।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ২০২৬ সালের ১৬ ও ১৭ মে দুদিনের প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধান চালিয়ে মিরাজের পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, সাংবাদিক, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সাক্ষাৎকার নেয় এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

আসক দেখতে পায়, একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী মিরাজকে কোস্টগার্ড পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিবরণ দিয়েছেন।

মুক্তা জানান, স্পিডবোটে তুলে নেওয়ার আগে তিনি হারবাড়িয়া পন্টুনে স্বামী মিরাজকে কোস্টগার্ডের হেফাজতে দেখেছেন।

আসক কোস্টগার্ডের অস্বীকার ও এই প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের পার্থক্যের কারণে একটি স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

এইচআরডব্লিউ চায়ের দোকানদারের বিবরণ উদ্ধৃত করে জানায়, সেই রাতে ফেলে যাওয়া মিরাজের মোটরসাইকেলটি কয়েক দিন পর রাতে কোস্টগার্ড পরিচয়দানকারীরাই নিয়ে গিয়েছিল।

কোস্টগার্ড কোনো অবস্থাতেই মিরাজকে আটকের কথা অস্বীকার করেছে।

তারা জানায়, তাদের টহল ও রেকর্ড পর্যালোচনায় তাকে হেফাজতে নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই এবং ওই দিন ওই এলাকায় কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি।

কোস্টগার্ড পাল্টা দাবি করেছে, মিরাজ সুন্দরবনের জলদস্যু বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, রসদ সরবরাহ করতেন এবং মুক্তিপণ আদায়ে সাহায্য করতেন, এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

তারা ইঙ্গিত দিয়েছে, জলদস্যু দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা টাকা নিয়ে বিরোধের কারণে তার নিখোঁজ হওয়া ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে

২৪ আগস্ট মিরাজের পরিবার এবং মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) ঢাকায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে মিরাজকে জীবিত উদ্ধার করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী হাজির করার দাবি পুনরায় ব্যক্ত করে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ২৯ আগস্ট মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত ‘গুম হওয়াদের ফিরিয়ে আনা: আইন, বিচার, দায়বদ্ধতা ও মানবাধিকার’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য বক্তব্যে এই ঘটনাটি নিয়ে কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তদন্তে জেলে মিরাজ শেখের গুম হওয়ার পেছনে কোস্টগার্ডের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

‘মিরাজ শেখের বিষয়ে ডাকাত দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের তথ্য রয়েছে’, বলেন সালাহউদ্দিন।

তিনি আরও যোগ করেন, প্রয়োজন হলে সরকার একটি স্বাধীন কমিশন গঠনে প্রস্তুত রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আরও উল্লেখ করেন যে, ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে উত্থাপিত নতুন আইন ‘গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইন ২০২৬’, যা এখন সংসদীয় কমিটিতে রয়েছে, তাতে জঘন্যতম ঘটনার ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যে মিরাজের পরিবার কোনো আশার আলো দেখছে না। চায়ের দোকান, নদী ও সুন্দরবন আগের মতোই আছে। শুধু মিরাজ নেই।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি না থাকায় তারা চরম আর্থিক কষ্টে পড়েছেন, তবে তারা বলছেন গভীর কষ্ট হলো মিরাজ বেঁচে আছেন কি না, কোথায় আছেন বা কী অবস্থায় আছেন তা না জানা। কোনো বিচারের আগে তারা সত্য জানতে চান।

‘সে কোনো অপরাধ করে থাকলে আদালতে তার বিচার হোক,’ বলেন তাসলিমা। ‘কিন্তু তাকে এভাবে গুম করে রাখা আমরা কোনো দিন মেনে নেব না।’

(প্রতিবেদন তৈরিতে বাগেরহাট প্রতিনিধি সহায়তা করেছেন)

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত