স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের নয়াদিল্লিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর (বিএসএফ) ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সমন্বয় সম্মেলন শেষ হয়েছে। সীমান্তে পুশইন ও পুশব্যাক উত্তেজনার মধ্যেই ৮ থেকে ১১ জুন বিএসএফ সদর দপ্তরে এই সম্মেলন হয়। শুক্রবার (১২ জুন) বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। বিবৃতি জানানো হয়, সম্মেলনে রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের নাগরিকসহ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিজিবি ডিজি। তিনি একে দ্বিপক্ষীয় নীতি ও প্রটোকলের পরিপন্থী উল্লেখ করে এই ধরনের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, ভারতে আটককৃত কেউ যাচাইয়ের পর বাংলাদেশি প্রমাণিত হলে প্রচলিত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ তাকে ফেরত নেবে।
সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন উল্লেখ করে বিজিবির মহাপরিচালক সীমান্ত এলাকায় হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধসহ কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নেওয়া পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভারতের সহযোগিতা চান তিনি।
সীমান্ত চুক্তি ও ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে আন্তর্জাতিক সীমানার ১৫০ গজের মধ্যে নিরাপত্তা বেড়া (এসআরএফ) ও গবাদিপশুর বেড়া নির্মাণের অননুমোদিত কাজ অব্যাহত রাখার বিষয়েও আপত্তি জানান বিজিবির ডিজি। পাশাপাশি ভারতের কিছু প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ধর্ম ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে অবিরত মিথ্যা তথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রোহিঙ্গাদের ভারতে প্রবেশ নিয়ে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জবাবে বিজিবির ডিজি জানান, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য মানবিক সমস্যা। তবে বাংলাদেশ কোনোভাবেই রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিকদের তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ দেয় না।
সম্মেলনে দুই বাহিনীই সম্পর্কের উন্নয়ন ও আগামী নভেম্বর ২০২৬-এ ঢাকায় পরবর্তী ডিজি পর্যায়ের সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেছে।
এর আগে সর্বশেষ বিএসএফ-বিজিবি সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন গত বছরের ২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ঢাকায় হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংলাপের ঐতিহ্য রয়েছে।
১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন বছরে দুইবার যথাক্রমে দিল্লি ও ঢাকায় হবে।

ভারতের নয়াদিল্লিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর (বিএসএফ) ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সমন্বয় সম্মেলন শেষ হয়েছে। সীমান্তে পুশইন ও পুশব্যাক উত্তেজনার মধ্যেই ৮ থেকে ১১ জুন বিএসএফ সদর দপ্তরে এই সম্মেলন হয়। শুক্রবার (১২ জুন) বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। বিবৃতি জানানো হয়, সম্মেলনে রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের নাগরিকসহ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিজিবি ডিজি। তিনি একে দ্বিপক্ষীয় নীতি ও প্রটোকলের পরিপন্থী উল্লেখ করে এই ধরনের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, ভারতে আটককৃত কেউ যাচাইয়ের পর বাংলাদেশি প্রমাণিত হলে প্রচলিত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ তাকে ফেরত নেবে।
সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন উল্লেখ করে বিজিবির মহাপরিচালক সীমান্ত এলাকায় হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধসহ কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নেওয়া পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভারতের সহযোগিতা চান তিনি।
সীমান্ত চুক্তি ও ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে আন্তর্জাতিক সীমানার ১৫০ গজের মধ্যে নিরাপত্তা বেড়া (এসআরএফ) ও গবাদিপশুর বেড়া নির্মাণের অননুমোদিত কাজ অব্যাহত রাখার বিষয়েও আপত্তি জানান বিজিবির ডিজি। পাশাপাশি ভারতের কিছু প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ধর্ম ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে অবিরত মিথ্যা তথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং রোহিঙ্গাদের ভারতে প্রবেশ নিয়ে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জবাবে বিজিবির ডিজি জানান, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য মানবিক সমস্যা। তবে বাংলাদেশ কোনোভাবেই রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিকদের তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ দেয় না।
সম্মেলনে দুই বাহিনীই সম্পর্কের উন্নয়ন ও আগামী নভেম্বর ২০২৬-এ ঢাকায় পরবর্তী ডিজি পর্যায়ের সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেছে।
এর আগে সর্বশেষ বিএসএফ-বিজিবি সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন গত বছরের ২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ঢাকায় হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংলাপের ঐতিহ্য রয়েছে।
১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন বছরে দুইবার যথাক্রমে দিল্লি ও ঢাকায় হবে।

অর্থনৈতিক সংস্কারের আশা করা হলেও এই বাজেটের মাধ্যমে তা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১২ মিনিট আগে
নীলফামারীতে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়কে কার্পেটিং ঢালাইয়ের ৭ দিনের মাথায় উঠতে শুরু করেছে কার্পেটিং। জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামীণ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
২০ মিনিট আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে প্রতারণামূলক, কাল্পনিক ও জনতুষ্টিমূলক আখ্যা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতারা বলেছেন, দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট ও ঋণনির্ভর বাস্তবতায় এই বাজেট হওয়া উচিত ছিল রূপান্তরমুখী।
৪০ মিনিট আগে