গাইবান্ধায় কালবৈশাখীতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ৮০ হাজার গ্রাহক

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
গাইবান্ধা

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২২: ০২
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখীতে গৃহহীন একটি পরিবার। সংগৃহীত ছবি

গাইবান্ধায় কালবৈশাখীতে দুটি উপজেলার কয়েকশ ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছে বলে সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল বারী জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ মে) রাতে সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, ঝড়ে ১২টি খুঁটি ভেঙে ও চারটি হেলে পড়েছে। অন্তত ৩০ স্থানে তার ছিঁড়ে গেছে। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ৮০ হাজার গ্রাহক। অন্তত ৪৫ জন সংযোগ স্থাপনে কাজ করছেন।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখীতে ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখীতে ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। সংগৃহীত ছবি

সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল আলম সরকার জানান, ঝড়ে তাঁর ইউনিয়নের ৩৫-৪০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ থেকে সাতটি পরিবারের বাড়িঘর পুরোপুরি ভেঙে গেছে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, রোববার রাত ১১টার দিকে ঝড়ে ফুলছড়ির এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন দক্ষিণ হরিচন্ডসহ বেশির ভাগ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরিচন্ড গ্রামের তিন শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইভাবে ফজলুপুর ইউনিয়নের বুলবুলির চরে অনেকের বসতঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে।

এরেন্ডাবাড়ি ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আব্দুর রশিদ জানান, ঝড়ে তাঁর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হরিচন্ডি গ্রামের অন্তত ২০টি পরিবারের ক্ষতি হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।

ফুলছড়ির ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এখনো তাদের হাতে আসেনি। তালিকা পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত