ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (ডিটিটিসি) ছাত্রাবাসগুলো অছাত্র ও বহিরাগতদের দখলে চলে গেছে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বদলে সেখানে থাকছেন রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। কক্ষগুলো দখল করে রাখার পাশাপাশি সিট ভাড়া দেওয়ার অবৈধ বাণিজ্যও চালাচ্ছেন তাঁরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিটিটিসির ছাত্রদের জন্য দুটি ছাত্রাবাস রয়েছে। এসব ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য ৪৫০টি সিট থাকলেও নিয়মিত শিক্ষার্থী আছেন মাত্র ২৬২ জন। বাকি ১৮৮টি সিট দখলে নিয়েছেন বহিরাগতরা। সিট বাণিজ্যের পাশাপাশি ছাত্রাবাসে নিয়মিত মাদকের আসর, শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারী প্রশিক্ষণার্থীদের যৌন নিপীড়নসহ পানি ও বিদ্যুৎ অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
কলেজ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রাবাসে শুধু নিয়মিত শিক্ষার্থীরা থাকলে মাসে গড় বিদ্যুৎ বিল আসার কথা ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭ লাখ টাকারও বেশি গুনতে হচ্ছে। অস্বাভাবিক এই বিল বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বহিরাগতদের বেপরোয়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহারকে দায়ী করছে প্রশাসন। তারা জানায়, ছাত্রাবাসে থাকা অছাত্ররা একটি কক্ষে পাঁচ-ছয়জন করে থাকেন এবং দিনরাত লাইট, ফ্যানসহ হিটার, রাইস কুকার ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁরা যখন সিট সংকটে দিশাহারা, তখন ছাত্রাবাসের কক্ষগুলো দখল করে আছেন বহিরাগতরা। একই সঙ্গে তাঁরা শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন রকম নির্যাতনও চালাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে বলেন, ‘বহিরাগতরা বিভিন্ন কক্ষে ও ছাত্রাবাসের ছাদে মাদকের আসর বসায়। বন্ধুদের নিয়ে এসে আড্ডা দেয়। প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের নির্যাতন করা হয়। ফলে এখানে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নেই।’ ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, অনেক বহিরাগত সিট দখল করে নিজে না থেকে তা হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দেন। অনেক সময় ডিটিটিসির শিক্ষার্থীদেরও তাঁদের কাছ থেকে সিট ভাড়া নিতে হয়।
ছাত্রাবাস দখলমুক্ত করতে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৮ মে) থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, অছাত্রদের ছাত্রাবাস ত্যাগের নোটিশ টানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, অবৈধভাবে অবস্থানকারীরা ১৭ মে’র মধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করবেন। অভিযানে বাধা দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত ১৫ বছর ধরে ডিটিটিসির ছাত্রাবাসগুলোতে এই অবস্থা চলছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহিরাগতরা সিট দখল করে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি। শিক্ষকেরা জানান, ৫ আগস্টের পর আগের কিছু দখলদার চলে গেলেও নতুন রাজনৈতিক প্রভাবে আবার অনেকে সিট দখলে নিয়েছেন।
ডিটিটিসির অধ্যক্ষ ড. মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে কাজ করছি। অছাত্রদের কারণে মাসে ৭ লাখ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল দিতে হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অছাত্রদের শনাক্ত করে কক্ষ ছাড়ার চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছি।’
তিনি আরও জানান, উচ্ছেদ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানানো হয়েছে।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ছাত্রাবাস দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে। অভিযানে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (ডিটিটিসি) ছাত্রাবাসগুলো অছাত্র ও বহিরাগতদের দখলে চলে গেছে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বদলে সেখানে থাকছেন রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। কক্ষগুলো দখল করে রাখার পাশাপাশি সিট ভাড়া দেওয়ার অবৈধ বাণিজ্যও চালাচ্ছেন তাঁরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিটিটিসির ছাত্রদের জন্য দুটি ছাত্রাবাস রয়েছে। এসব ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য ৪৫০টি সিট থাকলেও নিয়মিত শিক্ষার্থী আছেন মাত্র ২৬২ জন। বাকি ১৮৮টি সিট দখলে নিয়েছেন বহিরাগতরা। সিট বাণিজ্যের পাশাপাশি ছাত্রাবাসে নিয়মিত মাদকের আসর, শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারী প্রশিক্ষণার্থীদের যৌন নিপীড়নসহ পানি ও বিদ্যুৎ অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
কলেজ প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রাবাসে শুধু নিয়মিত শিক্ষার্থীরা থাকলে মাসে গড় বিদ্যুৎ বিল আসার কথা ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭ লাখ টাকারও বেশি গুনতে হচ্ছে। অস্বাভাবিক এই বিল বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বহিরাগতদের বেপরোয়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহারকে দায়ী করছে প্রশাসন। তারা জানায়, ছাত্রাবাসে থাকা অছাত্ররা একটি কক্ষে পাঁচ-ছয়জন করে থাকেন এবং দিনরাত লাইট, ফ্যানসহ হিটার, রাইস কুকার ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁরা যখন সিট সংকটে দিশাহারা, তখন ছাত্রাবাসের কক্ষগুলো দখল করে আছেন বহিরাগতরা। একই সঙ্গে তাঁরা শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন রকম নির্যাতনও চালাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে বলেন, ‘বহিরাগতরা বিভিন্ন কক্ষে ও ছাত্রাবাসের ছাদে মাদকের আসর বসায়। বন্ধুদের নিয়ে এসে আড্ডা দেয়। প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের নির্যাতন করা হয়। ফলে এখানে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নেই।’ ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, অনেক বহিরাগত সিট দখল করে নিজে না থেকে তা হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দেন। অনেক সময় ডিটিটিসির শিক্ষার্থীদেরও তাঁদের কাছ থেকে সিট ভাড়া নিতে হয়।
ছাত্রাবাস দখলমুক্ত করতে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৮ মে) থেকে আগামী বুধবার পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, অছাত্রদের ছাত্রাবাস ত্যাগের নোটিশ টানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, অবৈধভাবে অবস্থানকারীরা ১৭ মে’র মধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করবেন। অভিযানে বাধা দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত ১৫ বছর ধরে ডিটিটিসির ছাত্রাবাসগুলোতে এই অবস্থা চলছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহিরাগতরা সিট দখল করে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি। শিক্ষকেরা জানান, ৫ আগস্টের পর আগের কিছু দখলদার চলে গেলেও নতুন রাজনৈতিক প্রভাবে আবার অনেকে সিট দখলে নিয়েছেন।
ডিটিটিসির অধ্যক্ষ ড. মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে কাজ করছি। অছাত্রদের কারণে মাসে ৭ লাখ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল দিতে হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অছাত্রদের শনাক্ত করে কক্ষ ছাড়ার চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছি।’
তিনি আরও জানান, উচ্ছেদ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানানো হয়েছে।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ছাত্রাবাস দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে। অভিযানে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার দাবিতে আন্দোলনকালে হেনস্তার শিকার হয়েছেন এক শিক্ষার্থী। রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধায় কালবৈশাখীতে দুটি উপজেলার কয়েকশ ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছে বলে সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল বারী জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশি উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর জীর্ণ ক্যাম্প জীবনের অবসান ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন কাউন্সিল অব মাইনোরিটিজের নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেন। সোমবার (১৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সেমিনারে এই দাবি জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম সুন্দরবন বনবিভাগের ‘স্মার্ট পেট্রোল টিম’-এর সদস্যদের গুলিতে আমিনুর রহমান গাজী (৪৫) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে