স্ট্রিম সংবাদদাতা

বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে আট দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র। তবে খোলার প্রথম দিনে পুরো জেলাতেই দেখা গেছে পর্যটক খরা।
সাজেক ভ্যালির হিলভিউ রিসোর্টের মালিক ইন্দ্র চাকমা জানান, পর্যটকদের আগমনের অপেক্ষায় থাকলেও প্রথম দিনে উপস্থিতি ছিল শূন্যের কোঠায়। তাঁর রিসোর্টে আজ একজন পর্যটকও আসেননি।
তবে টানা বৃষ্টিতে সাজেকে আর্থিক ক্ষতি হলেও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান, সাত-আট দিন পর্যটন বন্ধ থাকায় তাঁর প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং বড় রিসোর্টগুলোর ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। তবে পাহাড় ধসে পড়া বা কোনো রিসোর্টের ক্ষয়ক্ষতিের খবর পাওয়া যায়নি।
সাজেক ভ্যালির রুইলুই কুইন রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী ও সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সকাল থেকে পর্যটকদের নিয়ে মাত্র চার-পাঁচটি চাঁদের গাড়ি এসেছে। এছাড়া দুই-তিনটি সিএনজি অটোরিকশা ও কিছু বাইকারকে দেখা গেলেও আশানুরূপ পর্যটক নেই বললেই চলে।
তিনি বলেন, আট দিন পর সাজেক খোলায় তাঁরা অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করলেও বেশিরভাগ রিসোর্ট ও কটেজ আজ পর্যটকশূন্য রয়েছে।
মতিজয় ত্রিপুরা আরও জানান, সাজেক ভ্যালিতে বর্তমানে ১৩৮টি রিসোর্ট ও কটেজ চালু রয়েছে। বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীরা কমবেশি আর্থিক লোকসানের মুখে পড়লেও পাহাড় ধসের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়া ভালো হলে সামনে পর্যটকের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গত ৭ জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়া ও বন্যার কারণে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল জেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৭ জুলাইয়ের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তন করে সাজেক ভ্যালিসহ বাঘাইছড়ি উপজেলার সকল পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।
বুধবার সন্ধ্যায় সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি বিবৃতিতে জানায়, ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে পর্যটকরা সাজেক ভ্রমণ করতে পারবেন এবং তাদের সেবায় স্থানীয় প্রশাসন ও অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেক প্রস্তুত রয়েছে।
রুইলুই হলিডে রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী মিশু দে বলেন, আবার খুলে দেওয়ার পর প্রথম দিনে মাত্র ৩-৪টি গাড়ি ও কিছু মোটরসাইকেলে পর্যটকেরা এসেছেন।
অতিবৃষ্টি ও সাজেক সড়ক প্লাবিত হওয়ায় গত সপ্তাহের বেশ কিছু বুকিং বাতিল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্ষার এই সময়টাই সাজেকে অবকাশ যাপনের উপযুক্ত সময়, কারণ এখন মেঘ ভেসে বেড়ায়।
এদিকে, রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বার্গী লেকভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমেত চাকমা জানান, গত সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে বার্গী লেকভ্যালির ৫০ শতাংশ রিসোর্টের বুকিং বাতিল হয়েছে। তবে গত দুই-তিন দিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় পুনরায় বুকিং বাড়ছে এবং বর্তমানে তাঁদের ৭০-৮০ শতাংশ বুকিং রয়েছে।
রাঙামাটির আইকনিক ঝুলন্ত সেতুর টিকিট কাউন্টার ইনচার্জ মো. সোহেল জানান, বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটিতে পর্যটকদের আগমন সীমিত হয়ে গেছে। বৃষ্টি-বাদলের সময় পর্যটক ছিল না বললেই চলে এবং বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে শতাধিক প্রবেশ টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, বৃষ্টির আগে পর্যটন মোটেলে পর্যটকদের আগমন সন্তোষজনক ছিল। তবে পাহাড় ধস, আকস্মিক মৃত্যু ও যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার কারণে এখন পরিস্থিতি বেশ খারাপ।
তিনি জানান, রাঙামাটি পর্যটন মোটেলের ৮৬ কক্ষের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২-৩ শতাংশ বুকিং রয়েছে। বৃষ্টি আর না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পাহাড়ে পর্যটকের সমাগম আবার বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে আট দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র। তবে খোলার প্রথম দিনে পুরো জেলাতেই দেখা গেছে পর্যটক খরা।
সাজেক ভ্যালির হিলভিউ রিসোর্টের মালিক ইন্দ্র চাকমা জানান, পর্যটকদের আগমনের অপেক্ষায় থাকলেও প্রথম দিনে উপস্থিতি ছিল শূন্যের কোঠায়। তাঁর রিসোর্টে আজ একজন পর্যটকও আসেননি।
তবে টানা বৃষ্টিতে সাজেকে আর্থিক ক্ষতি হলেও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান, সাত-আট দিন পর্যটন বন্ধ থাকায় তাঁর প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং বড় রিসোর্টগুলোর ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। তবে পাহাড় ধসে পড়া বা কোনো রিসোর্টের ক্ষয়ক্ষতিের খবর পাওয়া যায়নি।
সাজেক ভ্যালির রুইলুই কুইন রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী ও সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সকাল থেকে পর্যটকদের নিয়ে মাত্র চার-পাঁচটি চাঁদের গাড়ি এসেছে। এছাড়া দুই-তিনটি সিএনজি অটোরিকশা ও কিছু বাইকারকে দেখা গেলেও আশানুরূপ পর্যটক নেই বললেই চলে।
তিনি বলেন, আট দিন পর সাজেক খোলায় তাঁরা অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করলেও বেশিরভাগ রিসোর্ট ও কটেজ আজ পর্যটকশূন্য রয়েছে।
মতিজয় ত্রিপুরা আরও জানান, সাজেক ভ্যালিতে বর্তমানে ১৩৮টি রিসোর্ট ও কটেজ চালু রয়েছে। বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীরা কমবেশি আর্থিক লোকসানের মুখে পড়লেও পাহাড় ধসের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়া ভালো হলে সামনে পর্যটকের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গত ৭ জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়া ও বন্যার কারণে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল জেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৭ জুলাইয়ের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তন করে সাজেক ভ্যালিসহ বাঘাইছড়ি উপজেলার সকল পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।
বুধবার সন্ধ্যায় সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি বিবৃতিতে জানায়, ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে পর্যটকরা সাজেক ভ্রমণ করতে পারবেন এবং তাদের সেবায় স্থানীয় প্রশাসন ও অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেক প্রস্তুত রয়েছে।
রুইলুই হলিডে রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী মিশু দে বলেন, আবার খুলে দেওয়ার পর প্রথম দিনে মাত্র ৩-৪টি গাড়ি ও কিছু মোটরসাইকেলে পর্যটকেরা এসেছেন।
অতিবৃষ্টি ও সাজেক সড়ক প্লাবিত হওয়ায় গত সপ্তাহের বেশ কিছু বুকিং বাতিল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্ষার এই সময়টাই সাজেকে অবকাশ যাপনের উপযুক্ত সময়, কারণ এখন মেঘ ভেসে বেড়ায়।
এদিকে, রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বার্গী লেকভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমেত চাকমা জানান, গত সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে বার্গী লেকভ্যালির ৫০ শতাংশ রিসোর্টের বুকিং বাতিল হয়েছে। তবে গত দুই-তিন দিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় পুনরায় বুকিং বাড়ছে এবং বর্তমানে তাঁদের ৭০-৮০ শতাংশ বুকিং রয়েছে।
রাঙামাটির আইকনিক ঝুলন্ত সেতুর টিকিট কাউন্টার ইনচার্জ মো. সোহেল জানান, বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটিতে পর্যটকদের আগমন সীমিত হয়ে গেছে। বৃষ্টি-বাদলের সময় পর্যটক ছিল না বললেই চলে এবং বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে শতাধিক প্রবেশ টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, বৃষ্টির আগে পর্যটন মোটেলে পর্যটকদের আগমন সন্তোষজনক ছিল। তবে পাহাড় ধস, আকস্মিক মৃত্যু ও যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার কারণে এখন পরিস্থিতি বেশ খারাপ।
তিনি জানান, রাঙামাটি পর্যটন মোটেলের ৮৬ কক্ষের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ২-৩ শতাংশ বুকিং রয়েছে। বৃষ্টি আর না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পাহাড়ে পর্যটকের সমাগম আবার বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
.png)

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানা নির্দেশনা দেওয়া হলেও নাটোরে চলছে মাসব্যাপী গ্রামীণ কুটিরশিল্প ও পণ্য মেলা। সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মেলা চালু রাখার অভিযোগ উঠেছে। মেলায় রয়েছে ব্যাপক আলোকসজ্জা ও বিদ্যুৎচালিত বিভিন্ন বিনোদন ব্যবস্থা।
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ মুন্সিরটেক এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘বাবা কোথায়’—৭ বছরের মাহিরের প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারও সাত বছরের শিশু মাহিরের মনে প্রতিদিন একটিই প্রশ্ন ঘোরে, যার উত্তর কারও জানা নেই। সে রোজ তার মাকে জিজ্ঞেস করে, ‘বাবা কোথায়?’ দরজার দিকে তাকিয়ে কিংবা রাস্তায় বাবার ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনে সে।
৬ ঘণ্টা আগে
ই-ভ্যালি ও ই-অরেঞ্জসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ৫৩১ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শুনানির মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে