র্যাবকে এসআরবি নামে পুনঃপ্রতিষ্ঠা বন্ধের দাবি জেএসডি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের
স্ট্রিম প্রতিবেদক

যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকার স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে পুনঃপ্রতিষ্ঠা বন্ধসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘র্যাব থেকে এসআরবি: কসাই বাহিনীর পুনর্বিন্যাস, গুম-খুনের নতুন বন্দোবস্ত’ শীর্ষক আলোচনা সভা থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
সভায় জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক শহীদউল্লাহ্ ফরায়জী। প্রধান আলোচক ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
তাদের ঘোষিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—র্যাবের ক্ষমতা ও জনবল এসআরবি নামে পুনঃপ্রতিষ্ঠা না করা, জবাবদিহিহীন বিশেষ বাহিনী গঠন বন্ধ রাখা, পুলিশের নিয়মিত কাঠামোর মধ্যে বিশেষায়িত সক্ষমতা তৈরি এবং প্রতিরক্ষার সদস্যদের বিশেষ বাহিনীর কাঠামোয় ব্যবহার বন্ধ করা। এছাড়া গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের নিরপেক্ষ তদন্ত, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’ সংশোধন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া এবং সব নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের ওপর বিচারিক ও বেসামরিক নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ক্ষমতার কাঠামোর কারণেই বিশেষ বাহিনী ভয়ংকর হয়ে ওঠে। অভ্যুত্থানের পর জিজ্ঞাসাবাদের নামে নতুন বন্দিশালা স্থাপন জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত বাহিনীকে নতুন নামে ফিরিয়ে না এনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের পুলিশের দায়িত্বে যুক্ত করা হলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এসআরবিকে কিছু ক্ষেত্রে র্যাবের চেয়েও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তানিয়া রব গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় ভয়ের সংস্কৃতি কাটিয়ে নতুন লড়াইয়ের ডাক দেন।
.png)


-7c29dd-256x144.webp)



