স্ট্রিম সংবাদদাতা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজেদের বাড়িতে বিস্ফোরণে মতিউর রহমান (২৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে হাত-পা ও মুখমণ্ডল ঝলছে গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) তাঁকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী।
এদিকে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাড়ি পরিদর্শন করেছে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের বোম ডিসপোজাল টিম। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে বিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তুর কিছু আলামত জব্দ করে তারা। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধারের পর নিষ্ক্রিয় করে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
এর আগে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার পরে টুঙ্গিপাড়ার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকায় মতিউরের নিজের বাড়ির একটি কক্ষে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, পরে পুলিশ পাহারায় গোপালগঞ্জ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত মতিউর উপজেলার নিলফা বাজার এলাকার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসার ছাত্র। এক বছর পর তাঁর মওলানা পাশ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, টুঙ্গিপাড়ার নিলফা গ্রামের মতিউর রহমান দেড় মাস আগে প্রথম ককটেল সাদৃশ্য বিস্ফোরক বস্তু তৈরি করে। সেটি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ করে। গত রবিবার (২২ মার্চ) এ ধরনের আরও একটি বিস্ফোরক দ্রব্য তাঁর গ্রামের বাড়ির পাশে বিস্ফোরণ ঘটান। পরে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের বাড়িতে বসে এসএস পাইপের মধ্যে বারুদসহ আরো কিছু উপাদান ভরে দুটি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু তৈরি করেন মতিউর। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরণে সে আহত হয়েছে। অপরটি অবিস্ফোরিত ছিল।
তবে মতিউরের বাবা ও ভগিনীপতি কাইয়ুম দাড়িয়া দাবি করেন, এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে মতিউর আতশবাজি বানানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় বিস্ফোরণে তাঁর ডান হাতের আঙুলের একাংশ উড়ে যায়। পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলছে গেছে।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অসিম কুমার ধর বলেন, তাঁর (মতিউর) ক্ষত দেখে আতশবাজি থেকে ঝলসানো মনে হয়নি। যে ধরনের ক্ষত হয়েছে তাতে মনে হয়েছে ককটেল বা হাতবোমা হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় মতিউরের বাড়িতে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। সেখানে গিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসানো দেখতে পান আশপাশের লোকজন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। তবে বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের দুজন সদস্যসহ তাঁকে সেখানে পাঠানো হয়।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।’

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজেদের বাড়িতে বিস্ফোরণে মতিউর রহমান (২৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে হাত-পা ও মুখমণ্ডল ঝলছে গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) তাঁকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী।
এদিকে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাড়ি পরিদর্শন করেছে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের বোম ডিসপোজাল টিম। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে বিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তুর কিছু আলামত জব্দ করে তারা। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধারের পর নিষ্ক্রিয় করে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
এর আগে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার পরে টুঙ্গিপাড়ার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকায় মতিউরের নিজের বাড়ির একটি কক্ষে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, পরে পুলিশ পাহারায় গোপালগঞ্জ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত মতিউর উপজেলার নিলফা বাজার এলাকার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসার ছাত্র। এক বছর পর তাঁর মওলানা পাশ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, টুঙ্গিপাড়ার নিলফা গ্রামের মতিউর রহমান দেড় মাস আগে প্রথম ককটেল সাদৃশ্য বিস্ফোরক বস্তু তৈরি করে। সেটি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ করে। গত রবিবার (২২ মার্চ) এ ধরনের আরও একটি বিস্ফোরক দ্রব্য তাঁর গ্রামের বাড়ির পাশে বিস্ফোরণ ঘটান। পরে গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের বাড়িতে বসে এসএস পাইপের মধ্যে বারুদসহ আরো কিছু উপাদান ভরে দুটি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু তৈরি করেন মতিউর। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরণে সে আহত হয়েছে। অপরটি অবিস্ফোরিত ছিল।
তবে মতিউরের বাবা ও ভগিনীপতি কাইয়ুম দাড়িয়া দাবি করেন, এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে মতিউর আতশবাজি বানানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় বিস্ফোরণে তাঁর ডান হাতের আঙুলের একাংশ উড়ে যায়। পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলছে গেছে।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অসিম কুমার ধর বলেন, তাঁর (মতিউর) ক্ষত দেখে আতশবাজি থেকে ঝলসানো মনে হয়নি। যে ধরনের ক্ষত হয়েছে তাতে মনে হয়েছে ককটেল বা হাতবোমা হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় মতিউরের বাড়িতে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। সেখানে গিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসানো দেখতে পান আশপাশের লোকজন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। তবে বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের দুজন সদস্যসহ তাঁকে সেখানে পাঠানো হয়।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।’

রাজধানীর শাহজাদপুরে নিজের আদরের পোষা বিড়ালকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনতলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে বন্যা কস্তা (৩৬) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। অধিকাংশ পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে গ্রাহকদের। তাদের মধ্যে তেল না পাওয়ার দুশ্চিন্তা ও ক্ষোভ স্পষ্ট।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে আক্তার মিয়া ও হাবিব মিয়া নামে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় গোষ্ঠীর অন্তত ৩০ জন।
৩ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে