জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক সাংবাদিক এহ্সান মাহমুদ
স্ট্রিম প্রতিবেদকঢাকা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহ্সান মাহমুদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তাঁকে আগামী এক বছরের জন্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
নিয়োগ পাওয়ার পর এহ্সান মাহমুদ বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ঘটনা জুলাই গণঅভ্যুত্থান। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা এবং জুলাইশহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এসব কারণেই এই জাদুঘরের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র, সম-অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা আমরা জুলাই থেকে পেয়েছি, তা সামনে রেখেই কাজ করতে চাই। আশা করি, সমবেত সংযোগ ও সক্রিয়তায় গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি এই জাদুঘরকে জাতীয় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপিঠে রূপ দিতে সক্ষম হব।
এহ্সান মাহমুদের জন্ম মাদারীপুরে। পৈতৃক নিবাস বরিশালের মুলাদীতে। সাংবাদিক হিসেবে যুক্ত ছিলেন দৈনিক সমকাল, দেশ রূপান্তর, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা, মানবজমিন, নেত্র নিউজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে লেখালেখির কারণে চাকরিচ্যুতির শিকারও হয়েছিলেন এহ্সান মাহমুদ। এরপরও ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তিনি। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সৃজনশীল সাহিত্যেও এহ্সান মাহমুদ প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে একাত্তরের লালমিয়া (উপন্যাস), কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল (উপন্যাস), আদিবাসী প্রেমিকার মুখ (কবিতা), স্বাধীনতা গণতন্ত্র মানবাধিকার: আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশ ২০০৯-২০২৩ (রাজনৈতিক প্রবন্ধ) ও রাজনীতি বিচার সংস্কার নির্বাচন: অন্তর্বর্তী আমলে বাংলাদেশ (রাজনৈতিক প্রবন্ধ)।
.png)



-3b1dc0-256x144.webp)


