স্ট্রিম সংবাদদাতা

কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির পর বুধবার (৬ মে) সকাল থেকে রোদের দেখা পেয়ে ফসল রক্ষায় নেমেছেন মৌলভীবাজারের চাষিরা। সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরে ডুবে যাওয়া ধান কাটছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ভেজা ধান শুকানোর যুদ্ধে নেমেছেন। তবে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি তাঁদের।
উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের বিরইমাবাদ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালে রোদ উঠতেই ধান রক্ষার লড়াই শুরু করেছেন কৃষকেরা। কেউ কোমরজলে দাঁড়িয়ে ধান কাটছেন, কেউ নৌকায় করে সেগুলো সরিয়ে নিচ্ছেন উঁচু জমিতে। আবার কেউ ভেজা ধান মাড়াই করছেন— যতটুকু বাঁচানো যায় সেই আশায়।
এর আগে কোথাও কাটা ধান স্তূপ করে রাখা হলেও তাতে ধরেছে পচন। কোথাও সেই স্তূপ ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে পানির নিচে। নৌকার অভাবে অনেক কৃষকের কাটা ধান পানিতে থেকেই নষ্ট হওয়ার দিকে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জেলার সাতটি উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার কৃষক। মাঠপর্যায়ে এখনো ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চলছে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, মাত্র দুদিন আগেও যেসব জমিতে পানি ছিল না, সেখানে এখন বুকসমান পানি। এ অবস্থায় ধান তোলার খরচও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ৪০ থেকে ৫০ আঁটি ধান আনতে নৌকা ভাড়া দিতে হচ্ছে ৫০০ টাকা। দৈনিক শ্রমিকের মজুরি গুনতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

অন্তেহরি গ্রামের কৃষক নিলয় কান্তিদাস জানান, কাউয়াদীঘি হাওরে তাঁর ১২ কিয়ার (বিঘা) জমির ফসলের বেশিরভাগই পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ‘মাত্র ২ কিয়ার কোনো মতে তুলতে পেরেছি। এখন এটাই সম্বল। বাকিটা হারিয়ে ধারদেনা করেই চলতে হবে,’ বলেন তিনি।
বর্গাচাষি রনেন্দ্র সূত্রধরের একই অবস্থা। ৫ কিয়ার (বিঘা) জমি ইজারা নিয়ে চাষ করেছিলেন তিনি। প্রতি কিয়ার জমি চাষ করতেই তাঁর খরচ হয়েছিল ১০ হাজার টাকার বেশি। বৃষ্টিপাতরে পর পানির নিচ থেকে মাত্র চার শতাংশ জমির ধান তুলতে পেরেছেন। ছয়জন শ্রমিক দিয়ে সেই ধান তুলতেই খরচ হয়েছে প্রায় ৮ হাজার টাকা। একইভাবে বুড়িকোনা গ্রামের রহিম মিয়া তাঁর ২০ কিয়ার জমির মধ্যে মাত্র ৪ কিয়ার ধান তুলতে পেরেছেন। তাও ভালো অবস্থায় নেই। ‘এখন আর কেউ বুকসমান পানিতে নামতে চায় না। আমি আশা ছেড়ে দিয়েছি,’ বলেন তিনি।
বিরইমাবাদ এলাকার কৃষক মফিজ মিয়া বলেন, ‘সারা বছরের খোরাকি পানির নিচে চলে গেছে। এখন কী করব বুঝতে পারছি না। বুকসমান পানির নিচ থেকে ধান তুলেও লাভ নাই।’ পাশে দাঁড়ানো কৃষক শফিক মিয়া বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। সব ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন খাব কী? সব খেত পানির নিচে।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, ‘কাউয়াদীঘি হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সেচ কার্যক্রম চালু থাকলেও ভারী বর্ষণের কারণে দ্রুত পানি নামানো সম্ভব হচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে মাঠপর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে।’

কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির পর বুধবার (৬ মে) সকাল থেকে রোদের দেখা পেয়ে ফসল রক্ষায় নেমেছেন মৌলভীবাজারের চাষিরা। সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরে ডুবে যাওয়া ধান কাটছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ভেজা ধান শুকানোর যুদ্ধে নেমেছেন। তবে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি তাঁদের।
উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের বিরইমাবাদ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালে রোদ উঠতেই ধান রক্ষার লড়াই শুরু করেছেন কৃষকেরা। কেউ কোমরজলে দাঁড়িয়ে ধান কাটছেন, কেউ নৌকায় করে সেগুলো সরিয়ে নিচ্ছেন উঁচু জমিতে। আবার কেউ ভেজা ধান মাড়াই করছেন— যতটুকু বাঁচানো যায় সেই আশায়।
এর আগে কোথাও কাটা ধান স্তূপ করে রাখা হলেও তাতে ধরেছে পচন। কোথাও সেই স্তূপ ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে পানির নিচে। নৌকার অভাবে অনেক কৃষকের কাটা ধান পানিতে থেকেই নষ্ট হওয়ার দিকে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, জেলার সাতটি উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার কৃষক। মাঠপর্যায়ে এখনো ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চলছে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, মাত্র দুদিন আগেও যেসব জমিতে পানি ছিল না, সেখানে এখন বুকসমান পানি। এ অবস্থায় ধান তোলার খরচও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ৪০ থেকে ৫০ আঁটি ধান আনতে নৌকা ভাড়া দিতে হচ্ছে ৫০০ টাকা। দৈনিক শ্রমিকের মজুরি গুনতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

অন্তেহরি গ্রামের কৃষক নিলয় কান্তিদাস জানান, কাউয়াদীঘি হাওরে তাঁর ১২ কিয়ার (বিঘা) জমির ফসলের বেশিরভাগই পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ‘মাত্র ২ কিয়ার কোনো মতে তুলতে পেরেছি। এখন এটাই সম্বল। বাকিটা হারিয়ে ধারদেনা করেই চলতে হবে,’ বলেন তিনি।
বর্গাচাষি রনেন্দ্র সূত্রধরের একই অবস্থা। ৫ কিয়ার (বিঘা) জমি ইজারা নিয়ে চাষ করেছিলেন তিনি। প্রতি কিয়ার জমি চাষ করতেই তাঁর খরচ হয়েছিল ১০ হাজার টাকার বেশি। বৃষ্টিপাতরে পর পানির নিচ থেকে মাত্র চার শতাংশ জমির ধান তুলতে পেরেছেন। ছয়জন শ্রমিক দিয়ে সেই ধান তুলতেই খরচ হয়েছে প্রায় ৮ হাজার টাকা। একইভাবে বুড়িকোনা গ্রামের রহিম মিয়া তাঁর ২০ কিয়ার জমির মধ্যে মাত্র ৪ কিয়ার ধান তুলতে পেরেছেন। তাও ভালো অবস্থায় নেই। ‘এখন আর কেউ বুকসমান পানিতে নামতে চায় না। আমি আশা ছেড়ে দিয়েছি,’ বলেন তিনি।
বিরইমাবাদ এলাকার কৃষক মফিজ মিয়া বলেন, ‘সারা বছরের খোরাকি পানির নিচে চলে গেছে। এখন কী করব বুঝতে পারছি না। বুকসমান পানির নিচ থেকে ধান তুলেও লাভ নাই।’ পাশে দাঁড়ানো কৃষক শফিক মিয়া বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। সব ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন খাব কী? সব খেত পানির নিচে।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, ‘কাউয়াদীঘি হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সেচ কার্যক্রম চালু থাকলেও ভারী বর্ষণের কারণে দ্রুত পানি নামানো সম্ভব হচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে মাঠপর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে।’

বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে পাঁচ কেন্দ্রের তিনটিই অচল। ব্যবহারযোগ্য দুটির মধ্যে একটিতে মিলছে বিদ্যুৎ। এমন অবস্থায় বিএনপি সরকার নতুন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই করতে পাঁচটি সমীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ।
৪ ঘণ্টা আগে
দোকান থেকে খাবার কেনার সময় অধিকাংশ মানুষই প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্য গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। ফলে খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বি আছে কি না, তা অনেকেরই অজানা থেকে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পঞ্চম সুফিয়া কামাল স্মারক বিতর্কে’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জগন্নাথ হল। শনিবার (৯) মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ হলের তার্কিক সংগঠন বিজয়ী হয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুদিনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের মেঘডুবি এলাকায় পান দোকানি শেফালী বেগম কুলসুম (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাজীপুর জেলা।
৪ ঘণ্টা আগে