স্ট্রিম ডেস্ক

জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’ (টিভিকে) ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ভালো ফল করেছে এবং রাজ্যের একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়ে উঠেছে বিজয়ের।
২০২৪ সালে গঠিত দল টিভিকে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন জিতেছে। সোমবার (৪ মে) ঘোষিত ফলাফলে এমনটাই দেখা গেছে। ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোট পেয়েছে ৭৪টি আসন, আর এনডিএ জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। এর ফলে অভিনেতা-নেতৃত্বাধীন এই নবীন দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে।
তবে এমন এক সময়ও ছিল, যখন বিজয় রাজনীতিতে আসতে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না। এমনকি তাকে এ পথে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে তিনি তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধেও মামলা করেছিলেন।
বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ২০২০ সালে ‘বিজয় মাক্কল ইয়াক্কম’ (ভিএমআই) নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এর মাধ্যমে তিনি থালাপতি বিজয়ের ‘ফ্যান ক্লাব’কে রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ দেন। দলে সাধারণ সম্পাদক হন তিনি নিজেই, আর কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন তাঁর স্ত্রী ও বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর।
তবে জানা যায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁরা ছেলের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেননি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিজয় তার বাবা-মাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, যাতে তারা তাঁর নাম, ছবি বা তাঁর ফ্যান ক্লাবের নাম কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে না পারেন।
বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বাবার রাজনৈতিক উদ্যোগ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে নেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবার গড়ে তোলা দলের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক নেই।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিজয় অবশেষে তাঁর বাবার চাওয়া পথেই হাঁটেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’ (টিভিকে) গঠন করেন। একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দলটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত হয়।
দলটির দাবি, টিভিকে ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী। তারা ড. বি আর আম্বেদকর, পেরিয়ার ই ভি রামাসামি এবং কে কামারাজ-এর নীতিকে অনুসরণ করার কথা জানিয়েছে।
২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনই ছিল বিজয়ের সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথম অংশগ্রহণ। যদিও এর আগে তিনি নিজের ফ্যান ক্লাবের মাধ্যমে রাজ্যের স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক ময়দান যাচাই করেছিলেন। প্রথম লড়াইয়েই তিনি দারুণ সাফল্য দেখিয়েছেন। পেরাম্বুর ও তিরুচি পূর্ব, দুই আসনেই জয় পেয়েছেন।
বিজয়ের দল মোট ১০৭টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ১১৮ আসনের সীমার থেকে কিছুটা কম। তবুও তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে চলা ডিএমকে এআইএডিএমকে দ্বিমুখী আধিপত্যে বড় ধাক্কা দিতে সক্ষম হয়েছেন।

জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’ (টিভিকে) ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ভালো ফল করেছে এবং রাজ্যের একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়ে উঠেছে বিজয়ের।
২০২৪ সালে গঠিত দল টিভিকে, ২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১০৭টি আসন জিতেছে। সোমবার (৪ মে) ঘোষিত ফলাফলে এমনটাই দেখা গেছে। ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোট পেয়েছে ৭৪টি আসন, আর এনডিএ জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। এর ফলে অভিনেতা-নেতৃত্বাধীন এই নবীন দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে।
তবে এমন এক সময়ও ছিল, যখন বিজয় রাজনীতিতে আসতে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না। এমনকি তাকে এ পথে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে তিনি তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধেও মামলা করেছিলেন।
বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ২০২০ সালে ‘বিজয় মাক্কল ইয়াক্কম’ (ভিএমআই) নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এর মাধ্যমে তিনি থালাপতি বিজয়ের ‘ফ্যান ক্লাব’কে রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ দেন। দলে সাধারণ সম্পাদক হন তিনি নিজেই, আর কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন তাঁর স্ত্রী ও বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর।
তবে জানা যায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁরা ছেলের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেননি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিজয় তার বাবা-মাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, যাতে তারা তাঁর নাম, ছবি বা তাঁর ফ্যান ক্লাবের নাম কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে না পারেন।
বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বাবার রাজনৈতিক উদ্যোগ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে নেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবার গড়ে তোলা দলের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক নেই।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিজয় অবশেষে তাঁর বাবার চাওয়া পথেই হাঁটেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’ (টিভিকে) গঠন করেন। একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দলটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত হয়।
দলটির দাবি, টিভিকে ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী। তারা ড. বি আর আম্বেদকর, পেরিয়ার ই ভি রামাসামি এবং কে কামারাজ-এর নীতিকে অনুসরণ করার কথা জানিয়েছে।
২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনই ছিল বিজয়ের সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথম অংশগ্রহণ। যদিও এর আগে তিনি নিজের ফ্যান ক্লাবের মাধ্যমে রাজ্যের স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক ময়দান যাচাই করেছিলেন। প্রথম লড়াইয়েই তিনি দারুণ সাফল্য দেখিয়েছেন। পেরাম্বুর ও তিরুচি পূর্ব, দুই আসনেই জয় পেয়েছেন।
বিজয়ের দল মোট ১০৭টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ১১৮ আসনের সীমার থেকে কিছুটা কম। তবুও তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে চলা ডিএমকে এআইএডিএমকে দ্বিমুখী আধিপত্যে বড় ধাক্কা দিতে সক্ষম হয়েছেন।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ২০৬টি আসনে জয় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৮১ আসনে নেমে আসা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাংবাদিকতার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি পুলিৎজার পুরস্কারের ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে সোমবার (৪ মে)। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই পুরস্কার প্রতি বছর জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ, গভীর ও অনুসন্ধানী রিপোর্টিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। এবারের তালিকায় উঠে এসেছে ক্ষমতার অপব্যবহার, টেকনোলজি কোম্পান
৪ ঘণ্টা আগে
তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়ের দল। নির্বাচনে তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। এবার রাজ্যটিতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। দলীয় সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী এখন সবচেয়ে এগিয়ে থাকা মুখ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও জানায়নি বিজেপি।
৮ ঘণ্টা আগে