স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ট্রাকের ওজন মাপার ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে ডিজিটাল কার্যক্রম। এতে ওজন নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে পণ্যবাহী ট্রাকের প্রকৃত ওজন না মেপে চালান অনুযায়ী ওজন নির্ধারণ করে হাতে লেখা স্কেল স্লিপ দিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ । এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পণ্যবাহী ট্রাকচালকরা।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে ৪-৫ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের সামনে স্থাপিত ওয়ে ব্রিজ স্কেলটি। সোমবার ভোরের দিকে স্কেলের প্ল্যাটফর্মের একটি গার্ডার ভেঙে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় ডিজিটাল ওজন কার্যক্রম।
ওয়ে স্কেলের ওয়ে সিটিম্যান রাজু হাওলাদার বলেন, গত এক মাসে ওই যন্ত্রের ওপর দিয়ে ১৫ হাজার ৫০০টির বেশি ট্রাক পারাপার হয়েছে। তাতে দৈনিক গড়ে ৫০০ ট্রাক পারাপার হয়।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে সরজমিনে দেখা যায়, ওয়ে স্কেলে ঝালাই করার কাজে ব্যস্ত রয়েছে শ্রমিকরা। সেখানে দ্বায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা রাজু হাসান বলেন, স্কেলের নির্মাণের কাজ চলছে। এটা মেরামত করা হলেও খুব একটা কাজ করা সম্ভব হবে না। আগামী সপ্তাহ বা মাসে নতুন প্লাটফর্ম আসবে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০টি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার হয়। এর মধ্যে ৩ টনের বেশি ওজনের প্রতিটি ট্রাককে ফেরিতে ওঠার আগে ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ওজন করার নিয়ম রয়েছে। স্কেলের প্ল্যাটফর্মের নিচের অংশে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। গার্ডার ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানে সেখানে ওয়েল্ডিংসহ মেরামতের কাজ চলছে।
স্কেলটি পরিচালনায় যুক্ত ব্যক্তিরা বলেন, স্কেলটি অচল হয়ে পড়ায় বর্তমানে ট্রাকের প্রকৃত ওজন নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ট্রাকের চালানে পণ্যের সঠিক ওজন উল্লেখ থাকে না। ফলে চালান দেখে আনুমানিক ওজন নির্ধারণ করতে গিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে।
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী-ঢাকা রুটের ট্রাকচালক নাজমুল বলেন, স্কেল না থাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, নদীর ওপাড়ে এই স্লিপ দেখানোর পরও আমাদের জরিমানা দিতে হয়। অনেক সময় স্লিপের বাইরে মালামাল নেওয়া হয় যেটা স্লিপে উল্লেখ থাকে না। এতে আমাদের সঠিক ওজন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ভোগান্তি হচ্ছে।
আরেক ট্রাকচালক জিয়া বলেন, ডিজিটাল স্কেল বন্ধ থাকায় হাতে লেখা স্লিপ নিতে হচ্ছে। তাতে সময় বেশি লাগছে। আবার গাড়ির সঠিক ওজন নিয়েও সংশয় থাকছে। এই সুযোগে গাড়ির উচ্চতা বেশি হলে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে স্কেল সঠিক থাকলে একবারে সরকারি ফি জমা দিয়ে চালান কেটে যেতে পারতাম, কোনো সমস্যা হতো না।
স্কেল স্লিপ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, স্কেলের প্ল্যাটফর্মের গার্ডার মেরামত ও ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছে প্রকৌশল দল। তাই আপাতত চালান অনুযায়ী হাতে লেখা আনুমানিক ওজনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে। মেরামতের কাজ শেষ হলেই ডিজিটাল ওয়ে ব্রিজ স্কেলটি পুনরায় চালু করা হবে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ট্রাকের ওজন মাপার ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে ডিজিটাল কার্যক্রম। এতে ওজন নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে পণ্যবাহী ট্রাকের প্রকৃত ওজন না মেপে চালান অনুযায়ী ওজন নির্ধারণ করে হাতে লেখা স্কেল স্লিপ দিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ । এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পণ্যবাহী ট্রাকচালকরা।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে ৪-৫ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের সামনে স্থাপিত ওয়ে ব্রিজ স্কেলটি। সোমবার ভোরের দিকে স্কেলের প্ল্যাটফর্মের একটি গার্ডার ভেঙে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় ডিজিটাল ওজন কার্যক্রম।
ওয়ে স্কেলের ওয়ে সিটিম্যান রাজু হাওলাদার বলেন, গত এক মাসে ওই যন্ত্রের ওপর দিয়ে ১৫ হাজার ৫০০টির বেশি ট্রাক পারাপার হয়েছে। তাতে দৈনিক গড়ে ৫০০ ট্রাক পারাপার হয়।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে সরজমিনে দেখা যায়, ওয়ে স্কেলে ঝালাই করার কাজে ব্যস্ত রয়েছে শ্রমিকরা। সেখানে দ্বায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা রাজু হাসান বলেন, স্কেলের নির্মাণের কাজ চলছে। এটা মেরামত করা হলেও খুব একটা কাজ করা সম্ভব হবে না। আগামী সপ্তাহ বা মাসে নতুন প্লাটফর্ম আসবে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০টি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার হয়। এর মধ্যে ৩ টনের বেশি ওজনের প্রতিটি ট্রাককে ফেরিতে ওঠার আগে ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ওজন করার নিয়ম রয়েছে। স্কেলের প্ল্যাটফর্মের নিচের অংশে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। গার্ডার ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানে সেখানে ওয়েল্ডিংসহ মেরামতের কাজ চলছে।
স্কেলটি পরিচালনায় যুক্ত ব্যক্তিরা বলেন, স্কেলটি অচল হয়ে পড়ায় বর্তমানে ট্রাকের প্রকৃত ওজন নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ট্রাকের চালানে পণ্যের সঠিক ওজন উল্লেখ থাকে না। ফলে চালান দেখে আনুমানিক ওজন নির্ধারণ করতে গিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে।
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী-ঢাকা রুটের ট্রাকচালক নাজমুল বলেন, স্কেল না থাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, নদীর ওপাড়ে এই স্লিপ দেখানোর পরও আমাদের জরিমানা দিতে হয়। অনেক সময় স্লিপের বাইরে মালামাল নেওয়া হয় যেটা স্লিপে উল্লেখ থাকে না। এতে আমাদের সঠিক ওজন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ভোগান্তি হচ্ছে।
আরেক ট্রাকচালক জিয়া বলেন, ডিজিটাল স্কেল বন্ধ থাকায় হাতে লেখা স্লিপ নিতে হচ্ছে। তাতে সময় বেশি লাগছে। আবার গাড়ির সঠিক ওজন নিয়েও সংশয় থাকছে। এই সুযোগে গাড়ির উচ্চতা বেশি হলে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে স্কেল সঠিক থাকলে একবারে সরকারি ফি জমা দিয়ে চালান কেটে যেতে পারতাম, কোনো সমস্যা হতো না।
স্কেল স্লিপ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, স্কেলের প্ল্যাটফর্মের গার্ডার মেরামত ও ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছে প্রকৌশল দল। তাই আপাতত চালান অনুযায়ী হাতে লেখা আনুমানিক ওজনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে। মেরামতের কাজ শেষ হলেই ডিজিটাল ওয়ে ব্রিজ স্কেলটি পুনরায় চালু করা হবে।
.png)

সংসদ থেকে অবহিত করলেই সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
২৯ মিনিট আগে
সংকট তৈরির জন্য জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এই তথ্য জানান।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প।
২ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটে পণ্য চোরাচালান মামলায় সমীর পাল নামের এক ভারতীয় নাগরিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা দেন। পাশাপাশি মামলায় জব্দ ট্রাকটি বিক্রি করে অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করতে বলা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে