সীতাকুণ্ড জাহাজভাঙা ট্র্যাজেডির ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চট্টগ্রাম

সীতাকুণ্ডে একটি শিপইয়ার্ড। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিতে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিক নিহতের চার দিন পর মামলা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে পুলিশ অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি মঈনুল হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১৪ আগস্ট সকালে একটি এলএনজি জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংক থেকে পানি অপসারণের সময় জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে ৯ শ্রমিক নিহত ও ৬ জন অসুস্থ হন। প্রাথমিক ধারণা, হাইড্রোজেন সালফাইড (এইচ₂এস) গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, পরিবারের আবেদনে আটজনের ময়নাতদন্ত না করে লাশ হস্তান্তর করা হয়। বাকি লাশ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনকে দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড পৃথক তদন্ত কমিটি করেছে। এছাড়া ওই জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে থাকা বিপজ্জনক গ্যাস, দূষিত পানি ও স্লাজ নিরাপদে অপসারণ তদারকিতে আট সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি করা হয়েছে।

ট্যাংক নিরাপদ করার কারিগরি পদ্ধতি নির্ধারণের দায়িত্ব পেয়েছে আলিফ মেরিন ও প্রান্তিক মেরিন। সোমবার তারা বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে গ্যাস ও স্লাজ অপসারণের আলাদা প্রস্তাব দিয়েছে।

তদন্ত কমিটি এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত ইয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন সোমবার। বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ডের মহাপরিচালক এ কে এম শফিউল আলম তালুকদার বলেন, পরিদর্শনের সময় জোয়ার থাকায় ট্যাংকের ভেতরে ক্ষতিকর হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞ কমিটির সামনে ট্যাংক থেকে গ্যাস, পানি ও স্লাজের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিপজ্জনক পদার্থ কীভাবে নিরাপদে অপসারণ করা যায়, তা নির্ধারণ করা হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

সীতাকুণ্ড জাহাজভাঙা ট্র্যাজেডির ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা