ভোলা ও ঠাকুরগাঁওয়ে পানিতে ডুবে ৫ শিশু-কিশোরীর মৃত্যু

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ভোলা ও ঠাকুরগাও

ভোলা ও ঠাকুরগাঁওয়ে পানিতে ডুবে মৃত ৫ শিশু কিশোরীর প্রতীকী ছবি। স্ট্রিম গ্রাফিক
ভোলা ও ঠাকুরগাঁওয়ে পানিতে ডুবে মৃত ৫ শিশু কিশোরীর প্রতীকী ছবি। স্ট্রিম গ্রাফিক

ভোলা ও ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় পুকুরের পানিতে ডুবে পাঁচ শিশু-কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুই জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ভোলার সদর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় মারা গেছে দুই শিশু। তারা হলো বাপ্তা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শফিকের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩) এবং আলীনগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সুমনের ছেলে আব্দুর রহমান (১)।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলছিল আব্দুল্লাহ। একপর্যায়ে তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসতে দেখা যায়। পরে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, মায়ের অগোচরে হামাগুড়ি দিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় আব্দুর রহমান। প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় দুই শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরিবারের অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় পুকুরে ডুবে তিন কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। সকালে কশালবাড়ী এলাকায় গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যায় দুই বান্ধবী জিন্নাতুন (১২) ও জান্নাতুন (১২)। প্রায় এক ঘণ্টা পর পুকুর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। জিন্নাতুনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলেও জান্নাতুনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিন দুপুরে শিবগঞ্জ এলাকায় পুকুরে ডুবে মারা যায় শারমীন আক্তার (১৬)। সে শিবগঞ্জ গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল শারমীন। পুকুরে নেমে আরও গভীরে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি শাহজাহান আলী বলেন, পৃথক ঘটনায় পুকুরের পানিতে ডুবে তিন কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত