স্ট্রিম সংবাদদাতা

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পর বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। পানি নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাট পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। যান চলাচল শুরু হয়েছে অধিকাংশ সড়কে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে।
শহরের আর্মিপাড়া, মেম্বারপাড়া, কাশেমপাড়া, ইসলামপুর, হাফেজঘোনা, ক্যচিংঘাটা ও বালাঘাটা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পানি কমে যাওয়ায় অনেকেই ঘরে ফিরে কাদামাটি সরিয়ে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করছেন। জীবিকার তাগিদে ধীরে ধীরে কাজে ফিরতে শুরু করেছেন লোকজন। বন্ধ দোকানপাট খুলে ঠিকঠাক করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব এলাকায় দুই দিন আগেও বুকসমান পানি ছিল।

আর্মি পাড়ার বাসিন্দা রুমা বেগম বলেন, এখন পানি নেই বললেই চলে। ঘরের ভেতর প্রচুর কাদা। এখনো পরিষ্কার করতছি। সারা দিন সময় লাগবে। উজানিপাড়া বাসিন্দা উসাংমা মারমা বলেন, গতকাল থেকে বাড়ি পরিষ্কার করছি। কাঠের ঘর হওয়ার কারণে সারারাত ঘুমাতে পারিনি। জিনিসপত্র সব রাস্তার ওপরে আজকে নামাবো।
কাসেমপাড়ার ব্যবসায়ী কালাম হওলাদার বলেন, পাঁচ দিন পানিবন্দি ছিলাম। পাশের বাসায় চারতলায় আশ্রয় নিয়েছি। হঠাৎ পানি ওঠায় দোকানের কোনো জিনিস বের করতে পারিনি। এখন দোকান পরিষ্কার করছি সারারাত ধরে। আরও দুই থেকে তিন দিন লাগবে সব ঠিকঠাক হতে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক এস এ মঞ্জুরুল হক জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা করছি। অনেকেই ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। এখনও যেহেতু বেশিরভাগ বাড়িঘর পরিষ্কার করছে। তারা রান্না করতে পারবে না। এ কারণে দুপুরে ও রাতে খাবার দেব।

রাঙামাটির সঙ্গে এখনও সড়ক বন্ধ
বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাঙ্গালহালিয়া সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় একটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে জেলা শহরের অধিকাংশ সড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও এখনও সামান্য জলাবদ্ধতা থাকলেও পায়ে হেঁটে পাড় হওয়া যাচ্ছে। রোয়াংছড়ির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগও সচল রয়েছে। এছাড়া লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিচু এলাকার পানি নেমে যাওয়ায় যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে রুমা ও থানচি উপজেলায় এখনো স্বাভাবিক হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, কিছু এলাকায় চাঁদের গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মাধ্যমে যাতায়াত করছেন তারা। বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্কও স্বাভাবিক হয়েছে।

পরিবহন মালিকরা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে দূরপাল্লার বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সড়কেও যান চলাচল শুরু হয়েছে, যদিও কিছু এলাকায় এখনো সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছ। এছাড়া পাহাড়ধসের কারণে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচির সঙ্গে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা চাঁদের গাড়িতে ভেঙে ভেঙে যাতায়াত করছেন।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তাদের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, তথ্য সংগ্রহ শেষে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানা যাবে।
অন্যদিকে, বন্যায় জেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনো এর পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। কৃষি বিভাগ পুরো জেলার ফসলের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ করছে।

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পর বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। পানি নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাট পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। যান চলাচল শুরু হয়েছে অধিকাংশ সড়কে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে।
শহরের আর্মিপাড়া, মেম্বারপাড়া, কাশেমপাড়া, ইসলামপুর, হাফেজঘোনা, ক্যচিংঘাটা ও বালাঘাটা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পানি কমে যাওয়ায় অনেকেই ঘরে ফিরে কাদামাটি সরিয়ে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করছেন। জীবিকার তাগিদে ধীরে ধীরে কাজে ফিরতে শুরু করেছেন লোকজন। বন্ধ দোকানপাট খুলে ঠিকঠাক করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব এলাকায় দুই দিন আগেও বুকসমান পানি ছিল।

আর্মি পাড়ার বাসিন্দা রুমা বেগম বলেন, এখন পানি নেই বললেই চলে। ঘরের ভেতর প্রচুর কাদা। এখনো পরিষ্কার করতছি। সারা দিন সময় লাগবে। উজানিপাড়া বাসিন্দা উসাংমা মারমা বলেন, গতকাল থেকে বাড়ি পরিষ্কার করছি। কাঠের ঘর হওয়ার কারণে সারারাত ঘুমাতে পারিনি। জিনিসপত্র সব রাস্তার ওপরে আজকে নামাবো।
কাসেমপাড়ার ব্যবসায়ী কালাম হওলাদার বলেন, পাঁচ দিন পানিবন্দি ছিলাম। পাশের বাসায় চারতলায় আশ্রয় নিয়েছি। হঠাৎ পানি ওঠায় দোকানের কোনো জিনিস বের করতে পারিনি। এখন দোকান পরিষ্কার করছি সারারাত ধরে। আরও দুই থেকে তিন দিন লাগবে সব ঠিকঠাক হতে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক এস এ মঞ্জুরুল হক জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা করছি। অনেকেই ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। এখনও যেহেতু বেশিরভাগ বাড়িঘর পরিষ্কার করছে। তারা রান্না করতে পারবে না। এ কারণে দুপুরে ও রাতে খাবার দেব।

রাঙামাটির সঙ্গে এখনও সড়ক বন্ধ
বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাঙ্গালহালিয়া সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় একটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে জেলা শহরের অধিকাংশ সড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও এখনও সামান্য জলাবদ্ধতা থাকলেও পায়ে হেঁটে পাড় হওয়া যাচ্ছে। রোয়াংছড়ির সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগও সচল রয়েছে। এছাড়া লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিচু এলাকার পানি নেমে যাওয়ায় যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে রুমা ও থানচি উপজেলায় এখনো স্বাভাবিক হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, কিছু এলাকায় চাঁদের গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মাধ্যমে যাতায়াত করছেন তারা। বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্কও স্বাভাবিক হয়েছে।

পরিবহন মালিকরা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে দূরপাল্লার বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সড়কেও যান চলাচল শুরু হয়েছে, যদিও কিছু এলাকায় এখনো সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছ। এছাড়া পাহাড়ধসের কারণে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচির সঙ্গে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা চাঁদের গাড়িতে ভেঙে ভেঙে যাতায়াত করছেন।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তাদের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, তথ্য সংগ্রহ শেষে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানা যাবে।
অন্যদিকে, বন্যায় জেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনো এর পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। কৃষি বিভাগ পুরো জেলার ফসলের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ করছে।
.png)

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষা ভবন ঘেরাও করতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মল চত্বরে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। ওই সময় পাশেই এক অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
১ ঘণ্টা আগে
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জাতীয় স্টার্ট-আপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তারুণ্য, স্টার্ট-আপ ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় কক্সবাজারে প্রায় চার হাজার পুকুর ও ঘের তলিয়ে গেছে। এতে মাছ, চিংড়ি, পোনা ও পোস্ট লার্ভা (পিএল) ভেসে আনুমানিক ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পথে বসার উপক্রম হয়েছে শত শত চাষির।
২ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর কালুখালীর দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ঈদুল ফিতরের ভিজিডিএফ কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে