চাই বাস্তুচ্যুতি রোধের রাষ্ট্রনীতিপ্রতিবছর বন্যা আসে, পাহাড়ধস হয়, মানুষ মারা যায়। এসব বাংলাদেশের পরিচিত দুর্ভাগ্য। কিন্তু এবার দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা ও পাহাড়ধস আমাদের সামনে আরেকটি বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। দুর্যোগের বড় ক্ষতি শুধু প্রাণহানি বা ঘরবাড়ি ধ্বংস নয়। বড় ক্ষতি হলো মানুষের বাস্তুচ্যুতি।১৪ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে বাড়িঘরের কাদা সরাতে ব্যস্ততা, রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক এখনও বন্ধবান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। পানি নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাট পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। যান চলাচল শুরু হয়েছে অধিকাংশ সড়কে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে।১৪ জুলাই ২০২৬
রাঙামাটিতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত, বাঘাইছড়িতে যাতায়াত বন্ধ পাঁচদিনরাঙামাটিতে টানা এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে জেলার ৬০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সড়ক জরুরিভিত্তিতে মেরামতে অন্তত ১ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলছেন প্রকৌশলীরা। এদিকে মারিশ্যা-বাঘাইহাট সড়কের বিভিন্নস্থানে দেবে বাঘাইছড়ি উপজেলার সঙ্গে পাঁচদিন ধরে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।১৩ জুলাই ২০২৬
১৯৮৮, ১৯৯৮ আর ২০২৬: তিন বন্যার কোথায় মিল, কোথায় অমিলপ্রায় প্রতিবর্ষায় বন্যা আসে। এ বছরও জুলাই মাসে টানা সাত দিনের বৃষ্টিতে বন্যার কবলে পড়েছে দেশ। দেশের দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ইতিমধ্যেই পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় মারা গেছেন অন্তত ৫১ জন।১৩ জুলাই ২০২৬
বরকলে পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ, পুনর্বাসনই বড় চ্যালেঞ্জরাঙামাটির বরকল উপজেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এদিকে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়া মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাই এখন তাদের সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ।১২ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামে এখনো প্লাবিত ১১ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, ঢলে বাড়ছে পানিচট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এক সপ্তাহ ধরে জেলার ১১ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত রয়েছে। এরই মধ্যে সীমান্তের ওপারে উজান থেকে আসা ঢলে পানি বাড়ছে এ সব এলাকায়। এতে শুকনো খাবার, সুপেয় পানির অভাবে আছে পানিবন্দি মানুষ। এখনো ঠিক হয়নি কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক।১২ জুলাই ২০২৬
অতিথিদের জন্য রান্নার সময় পাহাড়ধস, প্রাণ গেল গৃহবধূরকক্সবাজার সদরের কলাতলী ঝিরঝিরি পাড়ার মুজিবুর রহমানের বাসায় এসেছিল অতিথি। তাঁদের জন্য রান্না করছিলেন গৃহবধূ রোজিনা আক্তার। এ সময় পাহাড় ধসে রান্নাঘরটি মাটিচাপা পড়ে। এতে প্রাণ হারান রোজিনা।১২ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ধসে লাশের সারি, দায় কি কেবলই বৃষ্টিরদুর্যোগ মোকাবিলায় এফএও-এর সহায়তায় কক্সবাজারে ‘ল্যান্ডস্লাইড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (এলইডব্লিউএস)’ বা আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঁচ দিন আগেই ভূমিধসের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব।১০ জুলাই ২০২৬
বৃষ্টি কমবে, তবে মাটি নরম থাকায় আজও পাহাড়ধসের শঙ্কাগত চার দিন ধরে টানা অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে। আজও সেই শঙ্কা অব্যাহত আছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ বৃষ্টি কিছুটা কম থাকতে পারে। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি বেশ নরম হয়ে থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই আজো পাহাড়ধস হতে পারে।১০ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারে বন্যা-পাহাড়ধসে ঝরল ২২ প্রাণ, পানিবন্দি ৩ লাখটানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, মাতামুহুরী, পেকুয়া ও রামু উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অন্তত তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।১০ জুলাই ২০২৬
দেশের ১০ পয়েন্টে বন্যা, সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটকপাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশের ১০টি পয়েন্টে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।০৯ জুলাই ২০২৬