জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ফ্যামিলি কার্ড কোনোভাবেই দলীয়করণ হবে না: সাকি

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাঞ্ছারামপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। স্ট্রিম ছবি

বর্তমান সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে দেওয়া ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে দুর্নীতির কোনো জায়গা নেই, এটি কোনোভাবেই দলীয়করণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ‘ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা নারী প্রধানদের অ্যাকাউন্টে চলে গেছে। এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগই নেই। কতগুলো মানদণ্ড আছে, তার ভিত্তিতে স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয়ভাবে এটি ঠিক হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই দলীয়কৃত হবে না। সরকার তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে।’

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জগন্নাথপুর অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার সবার আগে জনগণের কথা ভেবেছে। জনগণের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রান্তিক, আর্থিক দিক থেকে যারা দুর্বল অবস্থায় আছে; তাদের সবার আগে বিবেচনায় এনেছে। আগামী বাজেট থেকে ফ্যামিলি কার্ড ধীরে ধীরে সবার জন্য উন্মুক্ত হতে থাকবে। কাজেই আপনারা আশ্বস্ত থাকেন, এটি কেবল বিশেষ কয়েকজনকে দেওয়া হচ্ছে না। সকলের কাছেই এই সুবিধা ধীরে ধীরে পৌঁছাবে।’

সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মন্তব্যের সমালোচনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘একটি দল একজন উপদেষ্টার কথাকে বিকৃত করে পুরো নির্বাচনকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে, এটি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব; পুরনো বন্দোবস্তের রাজনীতি। বাংলাদেশের শহীদের রক্তের ঋণে আমরা আবদ্ধ। জনগণের স্বার্থভিত্তিক কাজ করেই এ দেশে আগামীদিনের রাজনীতি করতে হবে। সেই রাজনীতিই জনগণ সমর্থন করবে, অপরাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখান করেছে।’

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাইলট কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার ৮৬টি পরিবারের নারী প্রধানকে এ কার্ড দেওয়া হয়েছে। কার্ড বিতরণে দরিদ্র, হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানকে বাছাই করা হয়েছে। কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নারী প্রধানরা আড়াই হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা পাবেন। পর্যায়ক্রমে আরও দরিদ্র, হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানান তাঁরা।

জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশসহ অন্যরা।

সম্পর্কিত