স্ট্রিম সংবাদদাতা

ভরা মৌসুমেও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা খুলনার বাজারে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। ফলে ইলিশের দামও রয়ে গেছে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
নগরীর কেসিসি মাছবাজার, নিউমার্কেট মাছবাজার, গল্লামারী, বয়রা ও দৌলতপুর মাছ বাজার ঘুরে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম দেখা গেছে। বিপরীতে খুচরা দোকানগুলোয় ক্রেতাদের বেশ ভিড় ছিল। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম অনেক চড়া। এ কারণ বেশির ভাগ ক্রেতাই ইলিশ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।
বর্ষাকে ইলিশের মৌসুম হিসেবে ধরে মৎস্য বিভাগ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আহরিত ইলিশের ৭০ শতাংশ পাওয়া যায় দক্ষিণাঞ্চলের নদী-সাগরে।
নগরীর ময়লাপোতা মোড়ের সান্ধ্যবাজারের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, এবার ভরা মৌসুমেও ইলিশ সরবরাহ অনেক কম। ফলে দামও অনেক বেশি। বর্তমানে জাটকা বা প্রতিটি ৩০০-৪০০ গ্রাম সাইজের ছোট ইলিশ কেজিপ্রতি দেড় হাজার টাকা, এক কেজি সাইজের ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা এবং দেড় কেজি সাইজের ইলিশ সাড়ে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই বাজারে ইলিশ কিনতে আসা এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে এক কেজি ইলিশ কেনার সামর্থ্য আমাদের নেই। মাছের রাজা ইলিশ এখন দামের রাজায় পরিণত হয়েছে।’ আরেক ক্রেতা বলেন, ‘বছরজুড়েই এখন ইলিশের দাম চড়া। ভরা মৌসুমে যদি ইলিশের এত দাম হয়, তাহলে স্বল্প আয়ের মানুষ কিনবে কীভাবে?’
মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন অর্থবছর ধরেই দেশে ইলিশ আহরণ কমছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আহরণের পরিমাণ ৫ লাখ টনে নেমেছে। দেশের মোট আহরণে খুলনার হিস্যা অনেক কম। জেলাটিতে ইলিশ সরবরাহ মূলত বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলনির্ভর। চলতি মৌসুমের জুলাই পর্যন্ত খুলনায় এসেছে মাত্র ১ হাজার ৫৯০ কেজি ইলিশ।
এদিকে মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্য কারণ হিসেবে সরবরাহ কম থাকার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের বিষয়টিও সামনে এনেছেন অনেকে।
নিউমার্কেট মাছবাজারের কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ইলিশ ব্যবসায় পাইকারি আড়ত থেকে খুচরা মোকাম পর্যন্ত সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। অতি মুনাফা-প্রবণতা ও মজুতের কারণে খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যায়। আহরিত ইলিশ খুচরা বাজারে ক্রেতাদের হাতে পৌঁছতে চার দফা হাতবদল হয়, যার প্রতিটি ধাপেই দাম বাড়ে। এছাড়া জ্বালানি, বরফ ইত্যাদির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইলিশ আহরণের ব্যয়ও বেড়েছে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারেও পড়ে।

ভরা মৌসুমেও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা খুলনার বাজারে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। ফলে ইলিশের দামও রয়ে গেছে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
নগরীর কেসিসি মাছবাজার, নিউমার্কেট মাছবাজার, গল্লামারী, বয়রা ও দৌলতপুর মাছ বাজার ঘুরে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম দেখা গেছে। বিপরীতে খুচরা দোকানগুলোয় ক্রেতাদের বেশ ভিড় ছিল। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম অনেক চড়া। এ কারণ বেশির ভাগ ক্রেতাই ইলিশ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।
বর্ষাকে ইলিশের মৌসুম হিসেবে ধরে মৎস্য বিভাগ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আহরিত ইলিশের ৭০ শতাংশ পাওয়া যায় দক্ষিণাঞ্চলের নদী-সাগরে।
নগরীর ময়লাপোতা মোড়ের সান্ধ্যবাজারের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, এবার ভরা মৌসুমেও ইলিশ সরবরাহ অনেক কম। ফলে দামও অনেক বেশি। বর্তমানে জাটকা বা প্রতিটি ৩০০-৪০০ গ্রাম সাইজের ছোট ইলিশ কেজিপ্রতি দেড় হাজার টাকা, এক কেজি সাইজের ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা এবং দেড় কেজি সাইজের ইলিশ সাড়ে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই বাজারে ইলিশ কিনতে আসা এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে এক কেজি ইলিশ কেনার সামর্থ্য আমাদের নেই। মাছের রাজা ইলিশ এখন দামের রাজায় পরিণত হয়েছে।’ আরেক ক্রেতা বলেন, ‘বছরজুড়েই এখন ইলিশের দাম চড়া। ভরা মৌসুমে যদি ইলিশের এত দাম হয়, তাহলে স্বল্প আয়ের মানুষ কিনবে কীভাবে?’
মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন অর্থবছর ধরেই দেশে ইলিশ আহরণ কমছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আহরণের পরিমাণ ৫ লাখ টনে নেমেছে। দেশের মোট আহরণে খুলনার হিস্যা অনেক কম। জেলাটিতে ইলিশ সরবরাহ মূলত বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলনির্ভর। চলতি মৌসুমের জুলাই পর্যন্ত খুলনায় এসেছে মাত্র ১ হাজার ৫৯০ কেজি ইলিশ।
এদিকে মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্য কারণ হিসেবে সরবরাহ কম থাকার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের বিষয়টিও সামনে এনেছেন অনেকে।
নিউমার্কেট মাছবাজারের কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ইলিশ ব্যবসায় পাইকারি আড়ত থেকে খুচরা মোকাম পর্যন্ত সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। অতি মুনাফা-প্রবণতা ও মজুতের কারণে খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যায়। আহরিত ইলিশ খুচরা বাজারে ক্রেতাদের হাতে পৌঁছতে চার দফা হাতবদল হয়, যার প্রতিটি ধাপেই দাম বাড়ে। এছাড়া জ্বালানি, বরফ ইত্যাদির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইলিশ আহরণের ব্যয়ও বেড়েছে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারেও পড়ে।
.png)

বাস ও মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ছাত্র ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুতে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিতে সোমবার সন্ধ্যায় বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
২ ঘণ্টা আগে
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)।
১২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী হলগুলোতে প্রবেশে রাত ১০টার বিধিনিষেধ বাতিলসহ তিন দাবিতে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘অবরোধবাসিনী’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম।
১২ ঘণ্টা আগে