ফরিদপুরে ঈদের নামাজ ও মাংস ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ফরিদপুর

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৬, ১৬: ৩৩
ভাঙ্গার পূর্বপাড়ায় সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্ট্রিম ছবি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ ও কোরবানির মাংস ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. জাকির হোসেন (৪২), আমির হোসেন (৪০), জামাল মোল্লা (৪৩), মান্নান মোল্লা (৫৫), রুবেল মিয়া (৩০), ইলিয়াস শেখ (৩০), সুজন মিয়া (২৮), আসাদ মোল্লা (৩৫), সম্রাট মোল্লা (৪০), হেনা বেগম (৫০), জাহিদ শেখ (৪৫), জালাল মোল্লা (৪০), তুহিন মিয়া (৩২), বাহার মিয়া (১৯), কুয়েত শেখ (৪৬), রাজু শেখ (২৫), রুবেল শেখ (৩৪), হাফিজুল (৪০), আলামিন (৩০), মুন্নু মাতুব্বর (৫০), সিরাজুল মাতুব্বর (৩৫), বাইজিত মাতুব্বর (৪৬), রেজাউল (৩২), ফারুক মাতুব্বর (৩৫), পান্নু মাতুব্বর (৪২), সোহাগ মাতুব্বর (৮০), সেন্টু মাতুব্বর (৪৫), চেহারুন বেগম (৬৫) ও আরও কয়েকজন।

ভাঙ্গার পূর্বপাড়ায় সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে। স্ট্রিম ছবি
ভাঙ্গার পূর্বপাড়ায় সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে। স্ট্রিম ছবি

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্বপাড়া এলাকার কামরুল মোল্লা ও আবুবক্কার মুন্সি সমর্থিত দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঈদের নামাজ চলাকালে তাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে মাংস ভাগাভাগি নিয়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে তাৎক্ষণিকভাবে কামরুল মোল্লা ও আবুবক্কার মুন্সির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাঁদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, পূর্বপাড়া এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

সম্পর্কিত