প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা এবং বাকস্বাধীনতার সীমারেখা

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ৪২
স্ট্রিম গ্রাফিক

ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি সাওদা সুমি নামে জামায়াতের এক নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। জামায়াতের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এই আটককে বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, সুমির গ্রেপ্তারকে ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের পূর্বাভাস’ আখ্যা দিয়ে দ্রুত তার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের জন্য জাতীয় সংসদে আল্টিমেটাম দেন জামায়াতের এমপি রফিকুল ইসলাম খান।

সম্প্রতি জামিনে ‍মুক্তি পেয়েছেন ওই নারী। এরপর জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।’

অবশ্য সাওদা সুমি সরকারের সমালোচনার নামে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন, তারও সমালোচনা হচ্ছে। তাঁর ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করা কিছু পোস্টের স্ক্রিনশটও ছড়িয়ে পড়েছে—যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর মেয়ে জাইমা রহমানের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন— ‘এদিকে আমি প্রথমে পড়েছি মেয়ের জামাইকে নিয়ে মুভি দেখতে সিনেমা হলে প্রধানমন্ত্রী।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অকারণে লাইট ফ্যান বন্ধ রাখার বিষয়টি ছাত্রদল যুবদল তদারকি করবে— প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যসংবলিত এমন একটি ফটোকার্ডে সাওদা সুমি লিখেছেন— ‘তদারকি করবে নাকি লাইট বন্ধ দেখে চুরি করার সুযোগটা নেবে।’

সংসদে বক্তৃতা দেওয়া অবস্থায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন— ‘সাবেক নর্তকী মমতাজ জেলে তো আরেকজন সংসদে।’

সাওদা সুমি সত্যিই তাঁর ফেসবুকে এই পোস্টগুলো দিয়েছিলেন কি না এবং এই পোস্টগুলোর জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা সমীচীন হয়েছে কি না, তা নিয়েই মূলত তর্ক।

একটু পেছনে যাওয়া যাক। নাগরিকের বাকস্বাধীনতার পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সরকারের সমালোচনা, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

ওইদিন রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপির ৩১ দফা নিয়ে একটি আলোচনায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে ইউটিউব, ফেসবুক ও অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিজেদের ভাবনা প্রকাশের কারণে কিংবা প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্তব্যের দায়ে কাউকে হেনস্থা করা হবে না।’ (ডেইলি স্টার অনলাইন, ১৪ নভেম্বর ২০২৪)।

কিন্তু গত ২৭ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করার অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাদির কবরস্থান এলাকা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হলে বিএনপির পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে ওই শিক্ষকের মুক্তির আহ্বান জানানো হয় এবং তিনি মুক্তি পান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরেও তারেক রহমানের সমালোচনা বা তাঁকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। যেমন গত ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আজিজুল হক নামে এক ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পরদিন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ও সন্ত্রাস দমন আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একজন নারীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ছবি প্রকাশ করবে, এটা তো অবশ্যই আইনের আওতায় আসা উচিত। কারণ তা নাহলে সমাজে তো বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’

সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।’

নাগরিকের বাকস্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে তথা নাগরিকের যা খুশি বলা ও লেখার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কোনো ধরনের আইনি বাধা তৈরি করতে পারে কি না, সেটিও বেশ পুরোনো তর্ক। কিন্তু কোনো সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামো না থাকলে বাকস্বাধীনতার নামে সমাজে যদি চরম বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য তৈরি হয়, তার দায় কে নেবে—এই প্রশ্নটিও উপেক্ষণীয় নয়।

তার মানে বাকস্বাধীনতা আনলিমিটেড নয়। একজন নাগরিক যা খুশি বলতে ও লিখতে পারেন না। যদি তার কোনো লেখা ও বলা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থপরিপন্থি হয়; যদি আপনার বলা ও লেখায় আদালতের অবমাননা হয়; ব্যক্তির মানহানি হয় বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা দেয়, তাহলে সেটি সংবিধান অনুমোদন করবে না। সংবিধানপ্রদত্ত এই সীমারেখা মেনেই নাগরিককে কথা বলতে ও লিখতে হবে।

সংবিধানপ্রদত্ত বাকস্বাধীনতার অধিকার যে সীমাহীন নয়, সেটি বলা হয়েছে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদেও। সেখানে বলা হয়েছে, সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ তার মানে বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলো মান্য করাও নাগরিকের কর্তব্য।

তবে এটা ঠিক, রাষ্ট্র অনেক সময় ‘যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের’ দোহাই গিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, কখনো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা কখনো সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে এবং কোনো নাগরিক ক্ষমতাকে প্রশ্ন করলে আইনের প্যাঁচে ফেলে তাকে জেলে নিয়ে যায়। সেখানে কারও কারও প্রাণও কেড়ে নেয়। অর্থাৎ রাষ্ট্র চায় তার নাগরিকরা শুধু প্রশংসা করবে, প্রশ্ন নয়। ফলে কথাটি ‘যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ’ নাকি ন্যায়সংগত—সেই আলোচনাটিও আছে।

প্রশ্ন হলো, বাকস্বাধীনতা বলতে আমরা কী বুঝি এবং এর সীমারেখা কতটুকু? বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে পরমতসহিষ্ণুতা তথা অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়টি যে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, সেটি আমরা অনেক সময় খেয়াল করি না।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সংবিধান ও আইন একজন নাগরিককে যে সুরক্ষাই দিক না কেন, ব্যক্তি হিসেবে তিনি যদি আরেকজনের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে না পারেন; যদি মতপ্রকাশ বা বাকস্বাধীনতার নামে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন, সেটি খুব বিপজ্জনক। এই জায়গাটিতে এখনো বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে বলে মনে হয়।

গণতান্ত্রিক সমাজে অ্যাবসোলিউট স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। কেননা অ্যাবসোলিউট স্বাধীনতা সমাজে নৈরাজ্য তৈরি করে। মিথ্যা বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, যা সমাজে বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং সামাজিক স্থিতিশীলতাও নষ্ট করে। সুতরাং বাকস্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যা খুশি বলা ও লেখা যায় না।

বলা হয় বাকস্বাধীনতা হচ্ছে একটি কাণ্ডজ্ঞান। যেমন, কাউকে অভয় ও সুবিধা দেওয়ার পরেও তিনি আরেকজনের ব্যাপারে কোনো মিথ্যা বা খারাপ কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখবেন না—এটিই হচ্ছে নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্ব। অর্থাৎ তিনি কী করবেন বা করবেন না, কী লিখবেন বা লিখবেন না—সেটি তার কাণ্ডজ্ঞানের নিক্তিতে পরিমাপ করা দরকার।

কেউ একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী বা অন্য যেকোনো নাগরিককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষোদ্গার করবেন, গালাগাল করবেন, তাকে নিয়ে অসম্মানজনক শব্দ লিখবেন এবং এ কারণে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সেটিকে ‘বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ’ বলার সুযোগ আছে কি না, সেই প্রশ্নও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কেননা এ ধরনের অ্যাবসোলিউট বা নিয়ন্ত্রণহীন স্বাধীনতা পৃথিবীর উন্নত গণতান্ত্রিক দেশও অনুমোদন করে না। তবে যৌক্তিক সমালোচনার কারণে যদি কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়; আইন ও সংবিধানের সীমারেখা মেনে কথা বলা ও লেখার কারণে যদি কাউকে হয়রানি করা হয়; রাজনৈতিক ও আদর্শিক কারণে যদি রাষ্ট্র কারো কণ্ঠরোধের চেষ্টা করে, সেটি অবশ্যই বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রই গালাগাল, অশ্লীলতা ও বিষোদ্গারের স্বাধীনতা দেয় না। দিতে পারে না।

বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে সংসদ সদস্যরা কিছু বাড়তি সুবিধা ভোগ করেন—যেটিকে বলা হয় ‘প্রিভিলেজ’। যেমন ব্রিটিশ-ভারতে প্রবর্তিত ১৯১৯ সালের ভারত শাসন বা মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার এবং ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনেও সংসদে সদস্যদের ইচ্ছে মতো কথা বলার স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: ‘সংসদে বা সংসদের কোনো কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোনো সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।

প্রশ্ন হলো, একজন সংসদ সদস্যের কথা বলার স্বাধীনতা আছে, তার মানে কি তিনিও যা খুশি বলতে পারেন? ভারতে এ প্রসঙ্গে একটি বিতর্ক হয়। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংসদে সদস্যের ইচ্ছামতো কথা বলার স্বাধীনতা সংরক্ষিত থাকে। সদস্যের সংসদে বলা কথা বা তার দেওয়া ভোট নিয়ে কোনো আদালত কোনো কার্যধারা সৃষ্টি করতে পারবে না। তবে সদস্যের কথা বলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত হবে সংবিধানের নির্দেশ, কার্যপ্রণালি বিধি ও স্পিকারের কর্তৃত্ব দ্বারা।

অর্থাৎ আদালত সদস্যদের বাক-স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করতে না পারলেও সংসদীয় রীতিনীতি, সদস্যের ব্যক্তিগত বিবেচনা বোধ, স্পিকারের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি তাদের নিয়ন্ত্রণ করে। স্পিকার যেকোনো সদস্যের অসংসদীয় বক্তব্য বা অন্যের প্রতি অবমাননাকর বা প্রাসঙ্গিক বক্তব্যে বাধা দিতে পারেন। প্রয়োজনে থামিয়ে দিতে পারেন, বক্তব্য মুছে ফেলার নির্দেশ দিতে পারেন, সংশ্লিষ্ট সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করতে পারেন।

নাগরিকের বাকস্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে তথা নাগরিকের যা খুশি বলা ও লেখার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কোনো ধরনের আইনি বাধা তৈরি করতে পারে কি না, সেটিও বেশ পুরোনো তর্ক। কিন্তু কোনো সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামো না থাকলে বাকস্বাধীনতার নামে সমাজে যদি চরম বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য তৈরি হয়, তার দায় কে নেবে—এই প্রশ্নটিও উপেক্ষণীয় নয়। সুতরাং নাগরিকের কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং বাকস্বাধীনতার নামে যাতে সমাজে বিশৃঙ্খলা, বিভেদ ও নৈরাজ্য সৃষ্টি না হয়, সেজন্য রাষ্ট্রকে এমন একটি মাঝামাঝি অবস্থান গ্রহণ করতে হয়, যাতে মনে হয় যে, সরকার একদিকে নাগরিকের বাকস্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করছে এবং সেই সঙ্গে নাগরিকরাও যাতে বাকস্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যা খুশি বলা ও লেখার সাহস না পায়। অর্থাৎ এটি যতটা না সাংবিধানিক ও আইনি বিষয়, তার চেয়ে বেশি নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্বশীলতা এবং নীতি-নৈতিকতার—যেখানে এখনও বড় ধরনের ঘাটতি আছে।

আমীন আল রশীদ: সাংবাদিক ও লেখক

সম্পর্কিত