স্ট্রিম ডেস্ক

তীব্র গরমের সময় হাইড্রেটেড থাকা বা শরীরে পর্যাপ্ত পানি জমা রাখা সবার জন্যই জরুরি। তবে, সারা বছর ধরেই এমন একটি সময় শরীর থেকে পানি ঝরে যায়, যখন আমরা কোনো কাজই করি না। আর তা হলো ঘুমের সময়।
এ বিষয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের চিকিৎসক ডা. শন নাসেরি ‘দ্য হেলদি’ ম্যাগাজিনে বলেন, আপনি যদি ঘুমানোর আগে এবং ঘুম থেকে ওঠার পর নিজের ওজন মাপেন, তবে দেখবেন আপনার ওজন অল্প কমে গেছে। এই কমে যাওয়া ওজনটা মূলত শরীরের পানির ওজন।
শন নাসেরি ব্যাখ্যা দেন, ঘুমানোর সময় সবার শরীর থেকেই পানি কমে যায়। এটা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমের অংশ। ধারণা করা হয়, আট ঘণ্টার ঘুমে একজন মানুষের শরীর থেকে প্রায় আধা লিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত পানি কমে যেতে পারে।
তবে ঘুমের মধ্যে ঠিক কতটা পানি কমবে, তা বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন আপনার শরীরের ওজন ও উচ্চতা, বিপাক ক্ষমতা, ঘরের তাপমাত্রা, বাতাসের আর্দ্রতা এবং আগের দিন আপনার শরীর থেকে কতটা ঘাম ঝরেছে।
মূলত দুটি উপায়ে ঘুমের মধ্যে শরীর থেকে পানি কমে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস আর ঘামের মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়া দুটোকে একত্রে ‘ইনসেনসিবল ওয়াটার লস’ বা ‘অদৃশ্য পানি শূন্যতা’ বলা হয়। কারণ, পানি বেরিয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আমরা নিজেরা টের পাই না।
ডা. নাসেরি ব্যাখ্যা করেন, আমরা যে বাতাস শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করি, শরীরকে তা আর্দ্র করতে হয়। শরীর এই আর্দ্রতার জন্য যে পানিটুকু ব্যবহার করে, তা আমরা যখন শ্বাস ছাড়ি তখন জলীয় বাষ্প হিসেবে বেরিয়ে যায়। অনেকের মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার মতো কিছু অভ্যাসের কারণে ঘুমের মধ্যে বেশি পানি বের হয়ে যেতে পারে। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মুখ শুকিয়ে থাকে।
রাতে পানি কমার আরেকটি কারণ হলো ত্বক থেকে ঘাম বাষ্পীভূত হওয়া। সহজ কথায়, রাতের ঘাম। কেউ কেউ স্বভাবগতভাবেই ঘুমের মধ্যে বেশি ঘামেন, আবার অনেকের হরমোনের পরিবর্তন, গর্ভাবস্থা বা অসুস্থতার কারণে বেশি ঘাম হতে পারে যাতে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়।
এ ছাড়া ঘরের তাপমাত্রা, রাতে কী ধরনের পোশাক পরে ঘুমাচ্ছেন—এসব সাধারণ বিষয়ের ওপরও ঘুমের মধ্যে ঘাম হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে।
ডা. নাসেরি বলেন, এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, যদি আপনি দিনের বেলা পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করেন। আমাদের শরীর নিখুঁতভাবে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে, তাই হাইড্রেশন বজায় রাখতে তৃষ্ণার অনুভূতি বা কিডনি (প্রস্রাবের বেগ) নিজে থেকেই কাজ করবে।
শরীর স্বাভাবিকভাবেই এই পানির ঘাটতি পূরণের জন্য ঘুম থেকে ওঠার পর বা সারা দিন ধরে আপনাকে তৃষ্ণার অনুভূতির মাধ্যমে পানি খাওয়ার তাগিদ দেবে। তাই সকালে চা-কফি পানের আগেই পানি পান করুন! এ ছাড়া সারা দিন শরীরে পর্যাপ্ত পানির জোগান থাকলে তা রাতে ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে।

তীব্র গরমের সময় হাইড্রেটেড থাকা বা শরীরে পর্যাপ্ত পানি জমা রাখা সবার জন্যই জরুরি। তবে, সারা বছর ধরেই এমন একটি সময় শরীর থেকে পানি ঝরে যায়, যখন আমরা কোনো কাজই করি না। আর তা হলো ঘুমের সময়।
এ বিষয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের চিকিৎসক ডা. শন নাসেরি ‘দ্য হেলদি’ ম্যাগাজিনে বলেন, আপনি যদি ঘুমানোর আগে এবং ঘুম থেকে ওঠার পর নিজের ওজন মাপেন, তবে দেখবেন আপনার ওজন অল্প কমে গেছে। এই কমে যাওয়া ওজনটা মূলত শরীরের পানির ওজন।
শন নাসেরি ব্যাখ্যা দেন, ঘুমানোর সময় সবার শরীর থেকেই পানি কমে যায়। এটা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমের অংশ। ধারণা করা হয়, আট ঘণ্টার ঘুমে একজন মানুষের শরীর থেকে প্রায় আধা লিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত পানি কমে যেতে পারে।
তবে ঘুমের মধ্যে ঠিক কতটা পানি কমবে, তা বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন আপনার শরীরের ওজন ও উচ্চতা, বিপাক ক্ষমতা, ঘরের তাপমাত্রা, বাতাসের আর্দ্রতা এবং আগের দিন আপনার শরীর থেকে কতটা ঘাম ঝরেছে।
মূলত দুটি উপায়ে ঘুমের মধ্যে শরীর থেকে পানি কমে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস আর ঘামের মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়া দুটোকে একত্রে ‘ইনসেনসিবল ওয়াটার লস’ বা ‘অদৃশ্য পানি শূন্যতা’ বলা হয়। কারণ, পানি বেরিয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আমরা নিজেরা টের পাই না।
ডা. নাসেরি ব্যাখ্যা করেন, আমরা যে বাতাস শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করি, শরীরকে তা আর্দ্র করতে হয়। শরীর এই আর্দ্রতার জন্য যে পানিটুকু ব্যবহার করে, তা আমরা যখন শ্বাস ছাড়ি তখন জলীয় বাষ্প হিসেবে বেরিয়ে যায়। অনেকের মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার মতো কিছু অভ্যাসের কারণে ঘুমের মধ্যে বেশি পানি বের হয়ে যেতে পারে। এ কারণে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মুখ শুকিয়ে থাকে।
রাতে পানি কমার আরেকটি কারণ হলো ত্বক থেকে ঘাম বাষ্পীভূত হওয়া। সহজ কথায়, রাতের ঘাম। কেউ কেউ স্বভাবগতভাবেই ঘুমের মধ্যে বেশি ঘামেন, আবার অনেকের হরমোনের পরিবর্তন, গর্ভাবস্থা বা অসুস্থতার কারণে বেশি ঘাম হতে পারে যাতে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়।
এ ছাড়া ঘরের তাপমাত্রা, রাতে কী ধরনের পোশাক পরে ঘুমাচ্ছেন—এসব সাধারণ বিষয়ের ওপরও ঘুমের মধ্যে ঘাম হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে।
ডা. নাসেরি বলেন, এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, যদি আপনি দিনের বেলা পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করেন। আমাদের শরীর নিখুঁতভাবে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে, তাই হাইড্রেশন বজায় রাখতে তৃষ্ণার অনুভূতি বা কিডনি (প্রস্রাবের বেগ) নিজে থেকেই কাজ করবে।
শরীর স্বাভাবিকভাবেই এই পানির ঘাটতি পূরণের জন্য ঘুম থেকে ওঠার পর বা সারা দিন ধরে আপনাকে তৃষ্ণার অনুভূতির মাধ্যমে পানি খাওয়ার তাগিদ দেবে। তাই সকালে চা-কফি পানের আগেই পানি পান করুন! এ ছাড়া সারা দিন শরীরে পর্যাপ্ত পানির জোগান থাকলে তা রাতে ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৩ ঘণ্টা আগে