ড. মো. শহিদুল ইসলাম

২০২৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। গত পাঁচ দশকে বারি এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। একসময় বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ। বারি-এর প্রচেষ্টায় আজ আমরা খাদ্যে অনেকাংশেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি খাতে এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উন্নত জাতের ফসলের মাধ্যমে বারি কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে। এতে দেশের লাখ লাখ কৃষক পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা।
৫০ বছরের এই ঐতিহাসিক মাইলফলক আমাদের অতীতের সাফল্যগুলো ফিরে দেখার সুযোগ করে দেয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও ভাবতে শেখায়। গত অর্ধশতাব্দীতে বাংলাদেশের কৃষিতে যে রূপান্তর ঘটেছে, তা কোনো জাদুর বলে হয়নি। এর পেছনে ছিল ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সঠিক সরকারি নীতি। আর ছিল হাজার হাজার বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী, নীতিনির্ধারক ও দেশের লাখ লাখ কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আধুনিক চাষাবাদের প্রসার ঘটেছে। এটি উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম সফল কৃষি রূপান্তরের গল্প।
কৃষির এই অভাবনীয় রূপান্তরের পেছনে জাতীয় নেতাদের অবদান অনস্বীকার্য। এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশেষ স্বীকৃতির দাবিদার। ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই তিনি বারি-কে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে কৃষি গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি মজবুত করেছিলেন। তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন যে, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি। কৃষি গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা দিয়ে তার সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই অবদান শুধু একটি প্রতিষ্ঠান তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তিনি বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন। এমন এক সময়ে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যখন দেশে তীব্র খাদ্য সংকট এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা ছিল।
এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের সুফল পরবর্তী দশকগুলোতে স্পষ্ট হতে থাকে। বারি-এর বিজ্ঞানীরা গম, আলু, ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি, ফল ও মসলার অসংখ্য উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। ফসল ব্যবস্থাপনা, রোগ ও ক্ষতিকারক পোকা দমন, সেচ এবং মাটির উর্বরতা বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে। সুষম সারের ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের কারণে জমির উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
গত পাঁচ দশকে বারি কৃষকদের জন্য শত শত উন্নত জাতের ফসল এবং হাজার হাজার আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। যেসব কৃষক একসময় কম ফলন নিয়ে সংগ্রাম করতেন, তারা উন্নত বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পেয়েছেন। এসব উদ্ভাবন কৃষিতে বৈচিত্র্য এনেছে এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতে সাহায়তা করেছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে আরও টেকসই করেছে।
কৃষি গবেষণার এই প্রসারের পাশাপাশি মাঠে মাঠে সম্প্রসারণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়। সরকারি সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষকরা একসঙ্গে কাজ শুরু করেন। এর ফলে কৃষকরা খুব সহজেই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে পেরেছেন।
একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ বাংলাদেশ আজ চাল, সবজি ও মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। জমির পরিমাণ কমলেও এবং জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্যশস্য উৎপাদন বহুগুণ বেড়েছে। কৃষি গবেষণার অবদান শুধু উৎপাদন বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি কৃষকের আয় বাড়িয়েছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করেছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।
তবে বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি নতুন প্রজন্মের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়ছে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা এবং অসময়ের বৃষ্টিপাত কৃষি উৎপাদনকে হুমকির মুখে ফেলছে। অন্যদিকে দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের কারণে আবাদি জমি কমছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য ভবিষ্যতের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কৃষকদের এখন অল্প জমি থেকে বেশি ফসল ফলাতে হবে। পাশাপাশি মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে টেকসই এবং জলবায়ু-সহনশীল চাষাবাদ করতে হবে। এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষি গবেষণায় নতুন বিনিয়োগ, উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
যেসব বিজ্ঞানী উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, সম্প্রসারণকর্মীরা তা কৃষকের মাঠে পৌঁছে দিয়েছেন এবং কৃষকরা তা গ্রহণ করেছেন—তারা সবাই প্রশংসার দাবিদার। একইসঙ্গে সেই দূরদর্শী নেতাদেরও স্মরণ করতে হবে, যারা বৈজ্ঞানিক গবেষণার গুরুত্ব বুঝে প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছিলেন। একটি সহজ সত্য আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে—কৃষির সমৃদ্ধি শুরু হয় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং ধারাবাহিক উদ্ভাবন থেকে।
বারি-এর প্রথম ৫০ বছরের পথচলা আমাদের প্রমাণ করে দেয় যে, দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিবেদিতপ্রাণ বিজ্ঞানী এবং সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। আগামী দিনগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষিজমি কমার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। গত ৫০ বছরের এই গৌরবময় ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও কৃষকদের একটি আরও শক্তিশালী, উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করবে।

২০২৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। গত পাঁচ দশকে বারি এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। একসময় বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ। বারি-এর প্রচেষ্টায় আজ আমরা খাদ্যে অনেকাংশেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি খাতে এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উন্নত জাতের ফসলের মাধ্যমে বারি কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছে। এতে দেশের লাখ লাখ কৃষক পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা।
৫০ বছরের এই ঐতিহাসিক মাইলফলক আমাদের অতীতের সাফল্যগুলো ফিরে দেখার সুযোগ করে দেয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও ভাবতে শেখায়। গত অর্ধশতাব্দীতে বাংলাদেশের কৃষিতে যে রূপান্তর ঘটেছে, তা কোনো জাদুর বলে হয়নি। এর পেছনে ছিল ধারাবাহিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সঠিক সরকারি নীতি। আর ছিল হাজার হাজার বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী, নীতিনির্ধারক ও দেশের লাখ লাখ কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আধুনিক চাষাবাদের প্রসার ঘটেছে। এটি উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম সফল কৃষি রূপান্তরের গল্প।
কৃষির এই অভাবনীয় রূপান্তরের পেছনে জাতীয় নেতাদের অবদান অনস্বীকার্য। এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশেষ স্বীকৃতির দাবিদার। ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই তিনি বারি-কে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে কৃষি গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি মজবুত করেছিলেন। তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন যে, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি। কৃষি গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা দিয়ে তার সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই অবদান শুধু একটি প্রতিষ্ঠান তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তিনি বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন। এমন এক সময়ে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যখন দেশে তীব্র খাদ্য সংকট এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা ছিল।
এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের সুফল পরবর্তী দশকগুলোতে স্পষ্ট হতে থাকে। বারি-এর বিজ্ঞানীরা গম, আলু, ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি, ফল ও মসলার অসংখ্য উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। ফসল ব্যবস্থাপনা, রোগ ও ক্ষতিকারক পোকা দমন, সেচ এবং মাটির উর্বরতা বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে। সুষম সারের ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের কারণে জমির উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
গত পাঁচ দশকে বারি কৃষকদের জন্য শত শত উন্নত জাতের ফসল এবং হাজার হাজার আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। যেসব কৃষক একসময় কম ফলন নিয়ে সংগ্রাম করতেন, তারা উন্নত বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পেয়েছেন। এসব উদ্ভাবন কৃষিতে বৈচিত্র্য এনেছে এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতে সাহায়তা করেছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে আরও টেকসই করেছে।
কৃষি গবেষণার এই প্রসারের পাশাপাশি মাঠে মাঠে সম্প্রসারণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়। সরকারি সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষকরা একসঙ্গে কাজ শুরু করেন। এর ফলে কৃষকরা খুব সহজেই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে পেরেছেন।
একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ বাংলাদেশ আজ চাল, সবজি ও মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। জমির পরিমাণ কমলেও এবং জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্যশস্য উৎপাদন বহুগুণ বেড়েছে। কৃষি গবেষণার অবদান শুধু উৎপাদন বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি কৃষকের আয় বাড়িয়েছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করেছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।
তবে বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি নতুন প্রজন্মের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়ছে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা এবং অসময়ের বৃষ্টিপাত কৃষি উৎপাদনকে হুমকির মুখে ফেলছে। অন্যদিকে দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের কারণে আবাদি জমি কমছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য ভবিষ্যতের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কৃষকদের এখন অল্প জমি থেকে বেশি ফসল ফলাতে হবে। পাশাপাশি মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে টেকসই এবং জলবায়ু-সহনশীল চাষাবাদ করতে হবে। এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষি গবেষণায় নতুন বিনিয়োগ, উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
যেসব বিজ্ঞানী উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, সম্প্রসারণকর্মীরা তা কৃষকের মাঠে পৌঁছে দিয়েছেন এবং কৃষকরা তা গ্রহণ করেছেন—তারা সবাই প্রশংসার দাবিদার। একইসঙ্গে সেই দূরদর্শী নেতাদেরও স্মরণ করতে হবে, যারা বৈজ্ঞানিক গবেষণার গুরুত্ব বুঝে প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছিলেন। একটি সহজ সত্য আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে—কৃষির সমৃদ্ধি শুরু হয় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং ধারাবাহিক উদ্ভাবন থেকে।
বারি-এর প্রথম ৫০ বছরের পথচলা আমাদের প্রমাণ করে দেয় যে, দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিবেদিতপ্রাণ বিজ্ঞানী এবং সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। আগামী দিনগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষিজমি কমার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হবে। গত ৫০ বছরের এই গৌরবময় ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও কৃষকদের একটি আরও শক্তিশালী, উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করবে।
.png)

রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও অংশগ্রহণকারী নারীদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই শহীদ নারী মঞ্চে’র নারী ভাস্কর্যগুলো কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু—বিশেষ করে সংস্কার প্রশ্নে বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য চাপ সামলাতে সরকার আগেভাগেই নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিতে চাইছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশে দ্রুত বাড়ছে চিকিৎসাভিত্তিক এসথেটিক সেবা। বোটক্স, ফিলার, লেজার থেরাপি, পিআরপি ও থ্রেড লিফটের মতো সেবার বাজার এখন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার, যা মোট বাজারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। একটি ক্লিনিকে বোটক্সের একেকটি সেশনের খরচ ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতে গত এক দশকে একের পর এক গণআন্দোলন কেন্দ্রীয় রাজনীতিকে নাড়া দিয়েছে। কখনো নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরুদ্ধে শাহিনবাগের আন্দোলন, কখনও কৃষকদের দীর্ঘ আন্দোলন, আবার কখনও বিশ্ববিদ্যালয়-ভিত্তিক ছাত্র প্রতিবাদ।
৭ ঘণ্টা আগে