স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা ও বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা জামান চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের কচকচানিতে জাতি আজ বিভ্রান্ত। তিনি অর্ধেক সত্য বলে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন। সংবিধানের স্পিরিট তথা জনগণের ইচ্ছার চেয়ে আইন কখনো বড় হতে পারে না।’
আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে (আইইডিবি) ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এসব কথা বলেছেন তিনি।
অধ্যাপক দিলারা জামান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কখনও সাংবিধানিক সার্বভৌমত্বের কথা বলছেন, আবার কখনও বলছেন সংবিধানে গণভোটের কথা নেই। তিনি ইচ্ছা করেই সংবিধানের স্পিরিট তথা মূল চেতনার কথা বলছেন না। সংবিধান মানুষের জন্য, আইন দিয়ে সবকিছু হয় না। বিশ্বের বহু দেশে লিখিত সংবিধানের উপরেও জনগণের ইচ্ছাকে স্থান দেওয়া হয়। অথচ মন্ত্রী অর্ধেক সত্য বলে পুরো মিথ্যা ছড়ানোর চেয়েও ভয়ংকর কাজ করছেন।’
জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, চব্বিশের আন্দোলনের পর দেশে সুস্থ রাজনীতি ও বৈষম্যহীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা সেই পথ থেকে সরে যাচ্ছি। জুলাই সনদ ও গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হাজারো তরুণ ও ছাত্রের আত্মত্যাগকে বৃথা করে দেওয়া। এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিলারা জামান বলেন, ‘বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় দিতে বর্তমান সরকার অনীহা দেখাচ্ছে। অর্থের অজুহাত দিয়ে বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করে রাখা হচ্ছে। বিচার বিভাগে হাত দেওয়া মানে হলো স্বৈরতন্ত্রের পথে অগ্রসর হওয়া। সাবেক সরকারের সময় অলিগার্কদের যে রাজত্ব ছিল, এখন আবার আমরা তাদেরই পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সংবিধানে দলীয় প্রধান বা নেতার একটি সুনির্দিষ্ট অবস্থান থাকে। বর্তমান সমস্যাগুলো নিয়ে দলীয় নেতা কী ভাবছেন তা পরিষ্কার নয়। দলীয় নেতাকে পাশ কাটিয়ে অন্য কেউ কেন কথা বলছেন? সংসদকে যেভাবে একপাক্ষিক চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে।’
সেমিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা ও বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা জামান চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের কচকচানিতে জাতি আজ বিভ্রান্ত। তিনি অর্ধেক সত্য বলে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন। সংবিধানের স্পিরিট তথা জনগণের ইচ্ছার চেয়ে আইন কখনো বড় হতে পারে না।’
আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে (আইইডিবি) ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এসব কথা বলেছেন তিনি।
অধ্যাপক দিলারা জামান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কখনও সাংবিধানিক সার্বভৌমত্বের কথা বলছেন, আবার কখনও বলছেন সংবিধানে গণভোটের কথা নেই। তিনি ইচ্ছা করেই সংবিধানের স্পিরিট তথা মূল চেতনার কথা বলছেন না। সংবিধান মানুষের জন্য, আইন দিয়ে সবকিছু হয় না। বিশ্বের বহু দেশে লিখিত সংবিধানের উপরেও জনগণের ইচ্ছাকে স্থান দেওয়া হয়। অথচ মন্ত্রী অর্ধেক সত্য বলে পুরো মিথ্যা ছড়ানোর চেয়েও ভয়ংকর কাজ করছেন।’
জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, চব্বিশের আন্দোলনের পর দেশে সুস্থ রাজনীতি ও বৈষম্যহীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা সেই পথ থেকে সরে যাচ্ছি। জুলাই সনদ ও গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হাজারো তরুণ ও ছাত্রের আত্মত্যাগকে বৃথা করে দেওয়া। এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিলারা জামান বলেন, ‘বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় দিতে বর্তমান সরকার অনীহা দেখাচ্ছে। অর্থের অজুহাত দিয়ে বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করে রাখা হচ্ছে। বিচার বিভাগে হাত দেওয়া মানে হলো স্বৈরতন্ত্রের পথে অগ্রসর হওয়া। সাবেক সরকারের সময় অলিগার্কদের যে রাজত্ব ছিল, এখন আবার আমরা তাদেরই পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সংবিধানে দলীয় প্রধান বা নেতার একটি সুনির্দিষ্ট অবস্থান থাকে। বর্তমান সমস্যাগুলো নিয়ে দলীয় নেতা কী ভাবছেন তা পরিষ্কার নয়। দলীয় নেতাকে পাশ কাটিয়ে অন্য কেউ কেন কথা বলছেন? সংসদকে যেভাবে একপাক্ষিক চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে।’
সেমিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

জাতিকে বিএনপি দুর্যোগে টেনে এনেছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এর পরিণতি খুব সহজ হবে না।’ বিএনপিকে এর দায়ভার এবং পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক স্পর্শকাতর পীর হত্যার ঘটনাকে ‘ইসলামবিদ্বেষী রাজনীতির কাঁচামাল’ হিসেবে কোনো কোনো মহলের ব্যবহার করার অপচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না; প্রয়োজনে রাজপথই চূড়ান্ত ঠিকানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন নেতারা।
১ দিন আগে
বিএনপি জুলাই সনদকে কলুষিত করেছে এবং তারা সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে