১১-দলের গণমিছিল-সমাবেশ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতার দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জনগণকে দাবি আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে হয়েছে। রাজপথের আন্দোলন কিন্তু আপনাদের জন্য ভালো বার্তা দেবে না। জনগণের ভাষা বুঝুন, তাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর পানির টাংকি মোড়ে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিলের আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে’ এই কর্মসূচি হয়। সমাবেশ শেষে গণমিছিল রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সরকারের উদ্দেশ্যে এটিএম আজহার বলেন, আপনারা নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন– গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর এখন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন। কোন সংবিধানের বলে আপনারা ক্ষমতায় আছেন, এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন? একটা আইন মানবেন আর একটা আপনাদের বিরুদ্ধে গেলে মানবেন না, এটা জনগণও মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দেশের মানুষ ১৬ বছর আন্দোলন করে তাড়িয়ে দিয়েছে। আপনারা যদি মনে করেন পেটুয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলন দমন করবেন, তবে আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে রাখবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাউকে আজীবন ক্ষমতায় রাখে না। আওয়ামী লীগ ভুয়া নির্বাচন করে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেনি, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর আযাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, এবি পার্টির সহসভাপতি ড. ওহাব মিনার, ডেভলপমেন্টমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চাঁন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির নেতা খন্দকার মেরাজুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মূসা বিন ইজহার, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতার দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জনগণকে দাবি আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে হয়েছে। রাজপথের আন্দোলন কিন্তু আপনাদের জন্য ভালো বার্তা দেবে না। জনগণের ভাষা বুঝুন, তাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর পানির টাংকি মোড়ে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিলের আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে’ এই কর্মসূচি হয়। সমাবেশ শেষে গণমিছিল রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সরকারের উদ্দেশ্যে এটিএম আজহার বলেন, আপনারা নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন– গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর এখন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন। কোন সংবিধানের বলে আপনারা ক্ষমতায় আছেন, এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন? একটা আইন মানবেন আর একটা আপনাদের বিরুদ্ধে গেলে মানবেন না, এটা জনগণও মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দেশের মানুষ ১৬ বছর আন্দোলন করে তাড়িয়ে দিয়েছে। আপনারা যদি মনে করেন পেটুয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলন দমন করবেন, তবে আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে রাখবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাউকে আজীবন ক্ষমতায় রাখে না। আওয়ামী লীগ ভুয়া নির্বাচন করে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেনি, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর আযাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, এবি পার্টির সহসভাপতি ড. ওহাব মিনার, ডেভলপমেন্টমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চাঁন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির নেতা খন্দকার মেরাজুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মূসা বিন ইজহার, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী প্রমুখ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
২১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে