স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াইটি বর্তমান প্রজন্মের এবং ফ্যাসিবাদ যেন কোনো রূপেই ফিরতে না পারে সে জন্য তরুণদের সাংগঠনিক শক্তি অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন মাহফুজ আলম।
সোমবার গভীর রাতে (২ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই সতর্কবার্তা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল তুলে ধরেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রশ্নে লড়াইটা এই প্রজন্মের, আগের প্রজন্ম বাঁচাতে আসবে না। এ ছাড়া দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে, তা মূলত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
পোস্টে মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগকে ঘিরে রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতের অবস্থানের পেছনে অতীতের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে।’
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে রাজনৈতিক বাস্তবতা নিজেদের অনুকূলে নিয়ে যেতে পারে এবং জামায়াত রাজনৈতিকভাবে আরও গুটিয়ে যেতে পারে। তবে তাঁর মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে রয়েছে সেই তরুণ প্রজন্ম, যারা আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে সীমিত রাজনৈতিক প্রভাব ও সুযোগের ভাগাভাগিতে ব্যস্ত না থেকে বৃহত্তর সামাজিক ও সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি লেখেন, ‘রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেওয়ার।’ মাহফুজ আলম তরুণদের দল, মত বা তরিকার ভিন্নতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া এবং সমাজে প্রভাব বিস্তারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংহতির ভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে প্রবীণ রাজনৈতিক শক্তিগুলো তরুণদের ব্যবহার করেছে এবং পরে নিজেদের স্বার্থে বিক্রি করে দিয়েছে। তাঁর মতে, এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবে না। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন।’
তরুণদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ ও বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, মতাদর্শগত বিতর্ক চলতে পারে, তবে সংগ্রামের মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত ‘জুলাই’ এবং ‘অ্যান্টি-ফ্যাসিজম’। পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সঙ্গে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোনো ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াইটি বর্তমান প্রজন্মের এবং ফ্যাসিবাদ যেন কোনো রূপেই ফিরতে না পারে সে জন্য তরুণদের সাংগঠনিক শক্তি অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন মাহফুজ আলম।
সোমবার গভীর রাতে (২ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই সতর্কবার্তা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল তুলে ধরেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রশ্নে লড়াইটা এই প্রজন্মের, আগের প্রজন্ম বাঁচাতে আসবে না। এ ছাড়া দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে, তা মূলত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
পোস্টে মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগকে ঘিরে রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতের অবস্থানের পেছনে অতীতের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে।’
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে রাজনৈতিক বাস্তবতা নিজেদের অনুকূলে নিয়ে যেতে পারে এবং জামায়াত রাজনৈতিকভাবে আরও গুটিয়ে যেতে পারে। তবে তাঁর মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে রয়েছে সেই তরুণ প্রজন্ম, যারা আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে সীমিত রাজনৈতিক প্রভাব ও সুযোগের ভাগাভাগিতে ব্যস্ত না থেকে বৃহত্তর সামাজিক ও সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি লেখেন, ‘রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেওয়ার।’ মাহফুজ আলম তরুণদের দল, মত বা তরিকার ভিন্নতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া এবং সমাজে প্রভাব বিস্তারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংহতির ভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে প্রবীণ রাজনৈতিক শক্তিগুলো তরুণদের ব্যবহার করেছে এবং পরে নিজেদের স্বার্থে বিক্রি করে দিয়েছে। তাঁর মতে, এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবে না। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন।’
তরুণদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ ও বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, মতাদর্শগত বিতর্ক চলতে পারে, তবে সংগ্রামের মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত ‘জুলাই’ এবং ‘অ্যান্টি-ফ্যাসিজম’। পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সঙ্গে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোনো ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।’

জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই সংকট কাটাতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংক সবার ব্যাংক উল্লেখ করে গ্রহণযোগ্য কেউকে নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু।
৬ ঘণ্টা আগে
তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার (৭ জুন) রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
৭ ঘণ্টা আগে
আগামী বাজেটে বরাদ্দ প্রতিটি পয়সা জনগণের কাজে ব্যয় হচ্ছে কিনা, তা নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ফ্যামিলি কার্ডের অর্থসংস্থান কীভাবে হবে– সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
১ দিন আগে