স্ট্রিম ডেস্ক

পাকিস্তানে মৌসুমি বৃষ্টি ও বন্যায় অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং ৩৪৪ জন আহত হয়েছেন। জুনের শেষদিকে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হওয়ার পর থেকে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
রোববার (২৬ জুলাই) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে খাইবার পাখতুনখোয়ায় সর্বোচ্চ ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশে মারা গেছেন ৩৬ জন। এনডিএমএ জানিয়েছে, অর্ধেকের বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ঘরবাড়ি বা ছাদ ধসে পড়ার কারণে।
পাঞ্জাবের প্রাদেশিক রাজধানী লাহোরে বন্যাদুর্গতদের জন্য ১৭টি ত্রাণশিবির স্থাপন করা হয়েছে। পাঞ্জাবের সেচ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। লাহোর ও গুজরানওয়ালা ডিভিশনের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অভ্যন্তরীণ সাগরের’ মতো মনে হচ্ছে বলে তিনি বর্ণনা করেন।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, প্রদেশজুড়ে জরুরি উদ্ধারকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং পানিনিষ্কাশনের কাজ দ্রুত হচ্ছে।
পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত বড় কোনো বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা নেই। তবে বুধবার থেকে বড় নদীগুলোর অববাহিকা সংলগ্ন ইসলামাবাদ, আপার পাঞ্জাব, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে নতুন করে বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। বর্তমানে পাঞ্জাবের রবি নদী মাঝারি বন্যাসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং অন্যান্য প্রধান নদীগুলো স্বাভাবিক বা কম বন্যাসীমায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামীণ এলাকা থেকে দ্রুত শহরমুখী অভিবাসনের কারণে পাকিস্তানের অপরিকল্পিত নগর উন্নয়ন ও বস্তি গড়ে উঠেছে, যা এই বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
২০১৫ সালের বন্যায় পাকিস্তানে ১ হাজার ৩৭ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং গৃহহীন হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। এছাড়া লাখ লাখ গবাদিপশু মারা যায় এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

পাকিস্তানে মৌসুমি বৃষ্টি ও বন্যায় অন্তত ১০৭ জন নিহত এবং ৩৪৪ জন আহত হয়েছেন। জুনের শেষদিকে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হওয়ার পর থেকে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
রোববার (২৬ জুলাই) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে খাইবার পাখতুনখোয়ায় সর্বোচ্চ ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশে মারা গেছেন ৩৬ জন। এনডিএমএ জানিয়েছে, অর্ধেকের বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ঘরবাড়ি বা ছাদ ধসে পড়ার কারণে।
পাঞ্জাবের প্রাদেশিক রাজধানী লাহোরে বন্যাদুর্গতদের জন্য ১৭টি ত্রাণশিবির স্থাপন করা হয়েছে। পাঞ্জাবের সেচ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। লাহোর ও গুজরানওয়ালা ডিভিশনের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অভ্যন্তরীণ সাগরের’ মতো মনে হচ্ছে বলে তিনি বর্ণনা করেন।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, প্রদেশজুড়ে জরুরি উদ্ধারকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং পানিনিষ্কাশনের কাজ দ্রুত হচ্ছে।
পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত বড় কোনো বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা নেই। তবে বুধবার থেকে বড় নদীগুলোর অববাহিকা সংলগ্ন ইসলামাবাদ, আপার পাঞ্জাব, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং গিলগিট-বালতিস্তানে নতুন করে বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। বর্তমানে পাঞ্জাবের রবি নদী মাঝারি বন্যাসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং অন্যান্য প্রধান নদীগুলো স্বাভাবিক বা কম বন্যাসীমায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামীণ এলাকা থেকে দ্রুত শহরমুখী অভিবাসনের কারণে পাকিস্তানের অপরিকল্পিত নগর উন্নয়ন ও বস্তি গড়ে উঠেছে, যা এই বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
২০১৫ সালের বন্যায় পাকিস্তানে ১ হাজার ৩৭ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং গৃহহীন হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। এছাড়া লাখ লাখ গবাদিপশু মারা যায় এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
.png)

হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশে ‘অবৈধ ও অনিরাপদ’ পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ছয়টি জাহাজ আটকে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, নেভিগেশন ও ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে জাহাজগুলো ওই পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
এআই দিয়ে তৈরি করা একের পর এক ছবি প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। যেখানে কোনো ছবিতে ট্রাম্পকে দেখা যাচ্ছে ইরানের তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের নিয়ন্ত্রণ নিতে; আবার কোনো ছবিতে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ চালাচ্ছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের জনমত চীনের পক্ষে স্পষ্টভাবে ঝুঁকেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। সংস্থাটির ২০২৪ ও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক জনমত জরিপের তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে দুটি মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ জুলাই) তুলকারেমের দক্ষিণে কুর গ্রাম এবং নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে এই ঘটনা ঘটে।
২৬ জুলাই ২০২৬