স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে নতুন রাজনৈতিক প্রস্তাবনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। রবুবিয়ত, দায়-দরদের সমাজ ও সামাজিক গণতন্ত্র— এই তিন স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তুলে ধরেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম এই তিন স্তম্ভের ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছেন, 'রবুবিয়ত হলো আত্মা, দায়-দরদ হলো চিন্তা আর সামাজিক গণতন্ত্র হলো দেহ।' তাঁর মতে, প্রস্তাবিত সামাজিক গণতন্ত্রটি হবে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতানির্ভর। এই তিন স্তম্ভের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র— সর্বস্তরে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পোস্টে স্তম্ভ তিনটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন তিনি।
১. রবুবিয়ত: এটি ব্যক্তিকে নিজের পাশাপাশি অন্যান্য জীবের প্রতি যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করে। এর লক্ষ্য হলো সব জীবের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা এবং একটি 'ইকো-ডেমোক্রেসি' প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে প্রাণ, প্রকৃতি, পানির উৎস, নদী, বন, বন্দর ও বঙ্গোপসাগর রক্ষার জন্য মানুষকে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।
২. দায় ও দরদের সমাজচিন্তা: এই চিন্তা মানুষকে একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ দেয়। এর প্রধান কাজ দুটি— প্রথমত, এটি অধিকারের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে, যা ব্যক্তিকে প্রথাগত লিবারেল ব্যক্তিসত্তা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, এটি সমাজে প্রতিহিংসামূলক আচরণের পরিবর্তে পারস্পরিক সর্বোচ্চ বা 'ম্যাক্সিমাম মিত্রতা' গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে। মাহফুজ আলমের মতে, দরদের মাধ্যমে সমাজ গঠন এবং দায়িত্ববোধের মাধ্যমে ন্যায্য লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। এই দায়-দরদের সমাজচিন্তাকে তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি 'সাংস্কৃতিক হাতিয়ার' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
৩. সামাজিক গণতন্ত্র: এটি এমন একটি ব্যবস্থা যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে ন্যায় ও ন্যায্যতাভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলে। বর্তমান বাংলাদেশে সামাজিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রধান কাজগুলো হলো— সম্পদ ও ভূমির পুনর্বণ্টন, সামাজিক গতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় বুর্জোয়া প্রশ্নটি মোকাবিলা করা।
মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টে রাজনৈতিক চর্চার প্রধান ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করেছেন। এগুলো হলো— অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, বিচার ও পুলিশ ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষক ও শ্রমিকের জন্য ন্যায্য আর্থ-রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ বায়ু, পানি, খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা।
পোস্টের শেষে তিনি যুক্ত করেন যে, রাজনীতি একটি সদা পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া এবং লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাই এখানে সবচেয়ে বড় শিক্ষক। পথ চলতে চলতেই শিক্ষা গ্রহণ এবং কোনো ভুল হলে তা শুধরে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে কুতর্ক বা নিরর্থক আলোচনা এড়িয়ে সাংগঠনিক কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাঁর পোস্টটি শেষ করেন এই বলে— 'এখনকার কাজ সংগঠন, সংগঠন এবং সংগঠন। কুতর্ক করার সময় নেই।'

ফেসবুকে নতুন রাজনৈতিক প্রস্তাবনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। রবুবিয়ত, দায়-দরদের সমাজ ও সামাজিক গণতন্ত্র— এই তিন স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তুলে ধরেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম এই তিন স্তম্ভের ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছেন, 'রবুবিয়ত হলো আত্মা, দায়-দরদ হলো চিন্তা আর সামাজিক গণতন্ত্র হলো দেহ।' তাঁর মতে, প্রস্তাবিত সামাজিক গণতন্ত্রটি হবে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতানির্ভর। এই তিন স্তম্ভের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র— সর্বস্তরে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পোস্টে স্তম্ভ তিনটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন তিনি।
১. রবুবিয়ত: এটি ব্যক্তিকে নিজের পাশাপাশি অন্যান্য জীবের প্রতি যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করে। এর লক্ষ্য হলো সব জীবের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা এবং একটি 'ইকো-ডেমোক্রেসি' প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে প্রাণ, প্রকৃতি, পানির উৎস, নদী, বন, বন্দর ও বঙ্গোপসাগর রক্ষার জন্য মানুষকে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।
২. দায় ও দরদের সমাজচিন্তা: এই চিন্তা মানুষকে একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ দেয়। এর প্রধান কাজ দুটি— প্রথমত, এটি অধিকারের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে, যা ব্যক্তিকে প্রথাগত লিবারেল ব্যক্তিসত্তা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, এটি সমাজে প্রতিহিংসামূলক আচরণের পরিবর্তে পারস্পরিক সর্বোচ্চ বা 'ম্যাক্সিমাম মিত্রতা' গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে। মাহফুজ আলমের মতে, দরদের মাধ্যমে সমাজ গঠন এবং দায়িত্ববোধের মাধ্যমে ন্যায্য লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। এই দায়-দরদের সমাজচিন্তাকে তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি 'সাংস্কৃতিক হাতিয়ার' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
৩. সামাজিক গণতন্ত্র: এটি এমন একটি ব্যবস্থা যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে ন্যায় ও ন্যায্যতাভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলে। বর্তমান বাংলাদেশে সামাজিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রধান কাজগুলো হলো— সম্পদ ও ভূমির পুনর্বণ্টন, সামাজিক গতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় বুর্জোয়া প্রশ্নটি মোকাবিলা করা।
মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টে রাজনৈতিক চর্চার প্রধান ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করেছেন। এগুলো হলো— অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, বিচার ও পুলিশ ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষক ও শ্রমিকের জন্য ন্যায্য আর্থ-রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ বায়ু, পানি, খাদ্য, আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা।
পোস্টের শেষে তিনি যুক্ত করেন যে, রাজনীতি একটি সদা পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া এবং লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাই এখানে সবচেয়ে বড় শিক্ষক। পথ চলতে চলতেই শিক্ষা গ্রহণ এবং কোনো ভুল হলে তা শুধরে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে কুতর্ক বা নিরর্থক আলোচনা এড়িয়ে সাংগঠনিক কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাঁর পোস্টটি শেষ করেন এই বলে— 'এখনকার কাজ সংগঠন, সংগঠন এবং সংগঠন। কুতর্ক করার সময় নেই।'

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬