স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতিকে বিএনপি দুর্যোগে টেনে এনেছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এর পরিণতি খুব সহজ হবে না।’ বিএনপিকে এর দায়ভার এবং পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে রোববারও ১০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সারা দেশে হাহাকার, আইসিইউ পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। তেল সংকটের কথা আপনারা সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, গত ১৬ বছর যে রাষ্ট্র সংস্কারের কথা আমরা বলেছি, লড়াই করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত দেড় বছরে যেই জিনিস নিয়ে আমরা আলাপ করেছি, এখন আমাদের ঠিক সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। সেই বিষয় নিয়ে আলাপ করতে হচ্ছে, আবার আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ হবে। একটা নতুন বন্দোবস্ত হবে, যেখানে স্বৈরাচার বারবার ফিরে আসবে না। এজন্যই সংস্কার এবং রাষ্ট্র মেরামতের দাবি যে ফ্যাসিবাদকে বিলোপ করা সম্ভব হবে বলে আমরা একমত হয়েছিলাম। ফলে আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদের বিলোপ, আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান, বিএনপি চেয়েছিল নির্বাচন। ফলে একটা সমঝতায় আসা হলো ঐক্যমত কমিশনের মাধ্যমে সে সংসদ হল সংস্কার। নতুন সংবিধান গণপরিষদের দাবি থেকে আমরা সংস্কার পরিষদের জায়গায় একমত হলাম। বিএনপিও নির্বাচনের জায়গা থেকে কিছুটা সরে এসে অনেকগুলো সংস্কারে ঐক্যমতে বাধ্য হল। সেই জায়গা থেকেই গণভোট হল। কিন্তু গণভোট পরবর্তী সময় আপনারা দেখছেন কীভাবে গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করা হয়েছে। বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে।’
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘তারা বলছে জুলাই সনদ অক্ষর অক্ষরে পালন করবে, কিন্তু জুলাই আদেশটা অবৈধ। যে জুলাই আদেশের ভিত্তিতে গণভোট তৈরি হয়েছিল, গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল; তারা সেটার বিরোধিতা করছে। কারণ তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে এবং এই সংকট তৈরি করেছিল বলেই তখন গণভোটের প্রস্তাব এসেছিল এবং গণভোটের মাধ্যমে এটাও বলা হয়েছিল যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করা হবে। কারণ এই যে মৌলিক সংস্কারগুলা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্ভব নয়।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জাতিকে বিএনপি দুর্যোগে টেনে এনেছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এর পরিণতি খুব সহজ হবে না।’ বিএনপিকে এর দায়ভার এবং পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে রোববারও ১০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সারা দেশে হাহাকার, আইসিইউ পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। তেল সংকটের কথা আপনারা সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, গত ১৬ বছর যে রাষ্ট্র সংস্কারের কথা আমরা বলেছি, লড়াই করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত দেড় বছরে যেই জিনিস নিয়ে আমরা আলাপ করেছি, এখন আমাদের ঠিক সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। সেই বিষয় নিয়ে আলাপ করতে হচ্ছে, আবার আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ হবে। একটা নতুন বন্দোবস্ত হবে, যেখানে স্বৈরাচার বারবার ফিরে আসবে না। এজন্যই সংস্কার এবং রাষ্ট্র মেরামতের দাবি যে ফ্যাসিবাদকে বিলোপ করা সম্ভব হবে বলে আমরা একমত হয়েছিলাম। ফলে আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদের বিলোপ, আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান, বিএনপি চেয়েছিল নির্বাচন। ফলে একটা সমঝতায় আসা হলো ঐক্যমত কমিশনের মাধ্যমে সে সংসদ হল সংস্কার। নতুন সংবিধান গণপরিষদের দাবি থেকে আমরা সংস্কার পরিষদের জায়গায় একমত হলাম। বিএনপিও নির্বাচনের জায়গা থেকে কিছুটা সরে এসে অনেকগুলো সংস্কারে ঐক্যমতে বাধ্য হল। সেই জায়গা থেকেই গণভোট হল। কিন্তু গণভোট পরবর্তী সময় আপনারা দেখছেন কীভাবে গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করা হয়েছে। বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে।’
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘তারা বলছে জুলাই সনদ অক্ষর অক্ষরে পালন করবে, কিন্তু জুলাই আদেশটা অবৈধ। যে জুলাই আদেশের ভিত্তিতে গণভোট তৈরি হয়েছিল, গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল; তারা সেটার বিরোধিতা করছে। কারণ তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে এবং এই সংকট তৈরি করেছিল বলেই তখন গণভোটের প্রস্তাব এসেছিল এবং গণভোটের মাধ্যমে এটাও বলা হয়েছিল যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করা হবে। কারণ এই যে মৌলিক সংস্কারগুলা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্ভব নয়।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা ও বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা জামান চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের কচকচানিতে জাতি আজ বিভ্রান্ত। তিনি অর্ধেক সত্য বলে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন।’
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক স্পর্শকাতর পীর হত্যার ঘটনাকে ‘ইসলামবিদ্বেষী রাজনীতির কাঁচামাল’ হিসেবে কোনো কোনো মহলের ব্যবহার করার অপচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না; প্রয়োজনে রাজপথই চূড়ান্ত ঠিকানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন নেতারা।
১ দিন আগে
বিএনপি জুলাই সনদকে কলুষিত করেছে এবং তারা সংস্কারের চেয়ে দলীয় ইশতেহার বাস্তবায়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে