স্ট্রিম সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এবার দলটি চোখ দিয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। একচ্ছত্র জয় তুলে নিতে জেলার ৭টি উপজেলা পরিষদে বেশ আগেভাগেই চূড়ান্ত করেছে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা।
শনিবার (১৪ মার্চ) জেলা জামায়াতের আমির ও নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সইয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা গেছে, প্রতিটি উপজেলাতেই চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী মনোনীত করেছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জেলার তালা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ডা. মাহমুদুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহেরা খাতুন নির্বাচন করবেন। কলারোয়ায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা ওমান গণি, ভাইস চেয়ারম্যানে মাওলানা কামারুজ্জামান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে মাহফুজা বেগমকে নিয়ে নির্বাচনী প্যানেল সাজানো হয়েছে।
এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে শহীদ হাসানকে প্রার্থী করা হয়েছে। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন প্রভাষক ওমর ফারুক ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাজিয়া সুলতানা। আশাশুনি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা নূরুল আবছার, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আব্দুস সোবহান মুকুল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শরিফা মনির।
অন্যদিকে সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা আব্দুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাওলানা মঈনুদ্দীন মাহমুদ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রভাষক নূরুন্নাহার ইতিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেবহাটা উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন মাহবুবুল আলম আর কালীগঞ্জে একই পদে নির্বাচন করবেন দলের জেলা সেক্রেটারি আজিজুর রহমান।
স্থানীয় রাজনীতিবিদরা বলছেন, সাতক্ষীরায় আগে থেকেই সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী জামায়াত। তবে এবার জাতীয় নির্বাচনে যেভাবে জয় পেয়েছে তাতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় নেতারা। জাতীয় পর্যায়ের মতো স্থানীয় সরকারেও তাই কোনো পদ ছাড়তে চাইছেন না। এ কারণেই আগেভাগে রণকৌশল সাজানো হচ্ছে।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান বলেন, অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ব্যক্তিদেরই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের কাছে পরিচয় ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে পারবেন, যা ভোটে সুবিধা দেবে।
মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পাশাপাশি প্রার্থীদের প্রচারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা জামাতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, প্রার্থীরা এখন থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। বিশেষ করে আসন্ন ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা সম্বলিত ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহারের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এবার দলটি চোখ দিয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। একচ্ছত্র জয় তুলে নিতে জেলার ৭টি উপজেলা পরিষদে বেশ আগেভাগেই চূড়ান্ত করেছে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা।
শনিবার (১৪ মার্চ) জেলা জামায়াতের আমির ও নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সইয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা গেছে, প্রতিটি উপজেলাতেই চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী মনোনীত করেছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জেলার তালা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ডা. মাহমুদুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহেরা খাতুন নির্বাচন করবেন। কলারোয়ায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা ওমান গণি, ভাইস চেয়ারম্যানে মাওলানা কামারুজ্জামান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে মাহফুজা বেগমকে নিয়ে নির্বাচনী প্যানেল সাজানো হয়েছে।
এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে শহীদ হাসানকে প্রার্থী করা হয়েছে। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন প্রভাষক ওমর ফারুক ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাজিয়া সুলতানা। আশাশুনি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা নূরুল আবছার, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আব্দুস সোবহান মুকুল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শরিফা মনির।
অন্যদিকে সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মাওলানা আব্দুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাওলানা মঈনুদ্দীন মাহমুদ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রভাষক নূরুন্নাহার ইতিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেবহাটা উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন মাহবুবুল আলম আর কালীগঞ্জে একই পদে নির্বাচন করবেন দলের জেলা সেক্রেটারি আজিজুর রহমান।
স্থানীয় রাজনীতিবিদরা বলছেন, সাতক্ষীরায় আগে থেকেই সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী জামায়াত। তবে এবার জাতীয় নির্বাচনে যেভাবে জয় পেয়েছে তাতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় নেতারা। জাতীয় পর্যায়ের মতো স্থানীয় সরকারেও তাই কোনো পদ ছাড়তে চাইছেন না। এ কারণেই আগেভাগে রণকৌশল সাজানো হচ্ছে।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান বলেন, অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ব্যক্তিদেরই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের কাছে পরিচয় ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে পারবেন, যা ভোটে সুবিধা দেবে।
মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পাশাপাশি প্রার্থীদের প্রচারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা জামাতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, প্রার্থীরা এখন থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। বিশেষ করে আসন্ন ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা সম্বলিত ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহারের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
-a7b17a.jpeg)
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোটে জিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীও হন। এবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনায় তাঁর আসনে উপনির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
১৫ মিনিট আগে
কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণার দাবি আদায় করতে প্রয়োজেন রাজধানীকে অবরুদ্ধ ও অচল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
৪৩ মিনিট আগে
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১৩ ঘণ্টা আগে