গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের পরামর্শ মঞ্জুর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ১৪: ১৪
এবি পার্টির সংবাদ সম্মেলন। সংগৃহীত ছবি

ইসলামী ব্যাংক সবার ব্যাংক উল্লেখ করে গ্রহণযোগ্য কেউকে নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, বাস্তবায়নযোগ্য ও সংস্কারমুখী জাতীয় বাজেটের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বিতর্ক এড়াতে সরকার চাইলে আরও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, ক্যাপাসিটি চার্জ এবং অস্বচ্ছ ভর্তুকি ব্যবস্থা এখনো বহাল রয়েছে। এসব অপচয় বন্ধ করে বিদ্যুতের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মঞ্জু আরও বলেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে খাতটির কাঠামোগত সংস্কার এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। জনগণের স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখা এবং অতীতের ভুল নীতির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা প্রয়োজন।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, জুলাই জাতীয় সনদ ও জনগণের প্রত্যাশার যথাযথ প্রতিফলন নেই। আর্থিক খাতের মৌলিক সংস্কার ছাড়া কোনো বাজেট কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফুয়াদ বলেন, আকারে বড় হলেও ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেট বাস্তবসম্মত হতে পারে না। বাজেট প্রণয়ন ও রাজস্ব নীতিমালা নির্ধারণের সাংবিধানিক দায়িত্ব জাতীয় সংসদের হলেও বাস্তবে তা আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বাজেট প্রক্রিয়াকে সংসদকেন্দ্রিক করার দাবি জানান এবি পার্টির এই নেতা।

তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং উৎপাদনশীল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তরুণ উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার এবং প্রথমবারের মতো ফ্ল্যাট বা প্লটের মালিকদের জন্য কর–সুবিধার প্রস্তাব করেন।

এবি পার্টির অন্যান্য নেতারা বলেন, বর্তমান প্রস্তাবিত বাজেট জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সংকট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ এবং খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে পারেনি। এ কারণে অর্থনৈতিক সংস্কার, জবাবদিহি ও উৎপাদনমুখী প্রবৃদ্ধিকে ভিত্তি করে বাজেট পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।

সম্পর্কিত