স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী কোনো ফেরেশতাদের দল নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াত মানুষের সংগঠন বলেই ভুল-ত্রুটি হতে পারে। তবে নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করা হবে না। কেউ ভুল করলে তাঁকে অবশ্যই সংশোধনের আওতায় আসতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ইনস্টিটিউটশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ঢাকা জেলা জামায়াতের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলনে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নেতাকর্মীদের নফস ও শয়তানের প্ররোচনা থেকে সতর্ক থাকা এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
জামায়াত আমির বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। পরিবর্তনের জন্য গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা পাশ কাটিয়ে সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করছে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা হচ্ছে। একই নির্বাচনের একটি রায় গ্রহণ করা হবে, আরেকটি প্রত্যাখ্যান করা হবে– এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির গণহত্যার রাজনীতি শুরু হয়। এরপর পিলখানা হত্যাকাণ্ড, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ, শাপলা হত্যাকাণ্ড এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ– এসবই জাতির ইতিহাসে ধারাবাহিক গণহত্যার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে ছাত্রদের আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। দল নিষিদ্ধ হওয়ার পরও জনগণ ও নেতাকর্মীদের রাজপথে নামার আহ্বান জানায়। তাঁর অভিযোগ, ইন্টারনেট বন্ধ রেখে অভিযান পরিচালনা করায় জুলাইয়ে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আহত ও পঙ্গুদের যথাযথ খোঁজ নেওয়া হয়নি। শহীদ ও আহত পরিবারের দায়িত্ব রাষ্ট্রের নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের পরেও তাদের প্রতি প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করা হয়নি।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, গণভোটের রায়কে বিএনপি অপমান করায়, এর প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করেছিলাম। সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে জনগণই গণতান্ত্রিক উপায়ে তার সমাধান করবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান এলেও, গণরায় অস্বীকার করে সেখানে অংশ নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। জনদাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন। নেতা ও নীতির সংশোধনের মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
ঢাকা জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামী কোনো ফেরেশতাদের দল নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াত মানুষের সংগঠন বলেই ভুল-ত্রুটি হতে পারে। তবে নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করা হবে না। কেউ ভুল করলে তাঁকে অবশ্যই সংশোধনের আওতায় আসতে হবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ইনস্টিটিউটশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ঢাকা জেলা জামায়াতের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলনে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নেতাকর্মীদের নফস ও শয়তানের প্ররোচনা থেকে সতর্ক থাকা এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
জামায়াত আমির বলেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। পরিবর্তনের জন্য গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা পাশ কাটিয়ে সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করছে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করা হচ্ছে। একই নির্বাচনের একটি রায় গ্রহণ করা হবে, আরেকটি প্রত্যাখ্যান করা হবে– এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির গণহত্যার রাজনীতি শুরু হয়। এরপর পিলখানা হত্যাকাণ্ড, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ, শাপলা হত্যাকাণ্ড এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ– এসবই জাতির ইতিহাসে ধারাবাহিক গণহত্যার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে ছাত্রদের আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। দল নিষিদ্ধ হওয়ার পরও জনগণ ও নেতাকর্মীদের রাজপথে নামার আহ্বান জানায়। তাঁর অভিযোগ, ইন্টারনেট বন্ধ রেখে অভিযান পরিচালনা করায় জুলাইয়ে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আহত ও পঙ্গুদের যথাযথ খোঁজ নেওয়া হয়নি। শহীদ ও আহত পরিবারের দায়িত্ব রাষ্ট্রের নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের পরেও তাদের প্রতি প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করা হয়নি।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, গণভোটের রায়কে বিএনপি অপমান করায়, এর প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট করেছিলাম। সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে জনগণই গণতান্ত্রিক উপায়ে তার সমাধান করবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান এলেও, গণরায় অস্বীকার করে সেখানে অংশ নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। জনদাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন। নেতা ও নীতির সংশোধনের মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
ঢাকা জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে স্বাগত জানালেও এটিকে যথেষ্ট নয় বলে মনে করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলছে, অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাঁর বিচার না হলে জুলাই শহীদদের প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ভিডিওকাণ্ডে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলামকে তরুণী নিজেই সেবা করতে চেয়েছেন বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনের এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার রাতে সাতক্ষীরা সদরে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই দাবি করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কী কারণে সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন, তা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। আমরা আগেই বিবেচনায় নিয়েছিলাম তিনি পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শাহবাগ মোড়ে মিছিল করেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। পরে মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে সমাবেশে শেষ হয়।
৩ ঘণ্টা আগে