স্ট্রিম সংবাদদাতা

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতা এবং সম্প্রদায়িক উত্তেজনার কারণে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচিত হলে শান্তি ও সম্প্রদায়িক সমন্বয় বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
সোমবার খাগড়াছড়ির প্রার্থীরা স্ট্রিমকে এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, ‘খাগড়াছড়ির শান্তি-সম্প্রীতি পুনঃস্থাপন অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচিত হলে আমি সব পক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়ে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করব। এমপি থাকার সময়ও বহু উসকানিমূলক পরিস্থিতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করেছি।’
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বলেন, ‘নির্বাচনের পরও আমি চেষ্টা করব। যাতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ঐক্য বজায় থাকে। প্রয়োজন হলে প্রশাসন ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করব।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. কাউছার বলেন, ‘নির্বাচিত হলে সব জাতি ও জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি-সম্প্রীতি উন্নয়নে কাজ করব। প্রশাসন, স্থানীয় নেতারা এবং সমাজকর্মীদের সহযোগিতায় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সামাজিক সমন্বয় নিশ্চিত করব।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে পরাজিত প্রার্থীদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে সম্মিলিতভাবে শান্তি-সম্প্রীতি উন্নয়নে কাজ করব। পার্বত্য চট্টগ্রামে কাওকে রেখে কাওকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হবে আমার অঙ্গীকার।’
স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাগড়াছড়িতে সম্প্রতি সংঘটিত সহিংসতা নির্বাচনের আগে প্রধান উদ্বেগ। বিশেষ করে গুইমারা ও দীঘিনালা উপজেলায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং কয়েকজন নিহত হওয়ার ঘটনা শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রার্থীদের কাজকে আরও জরুরি করেছে। প্রশাসন ধারা ১৪৪ জারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
সহিংসতা নিরসনে কাজ করা লেখক আনন্দ মোহন চাকমা বলেন, ‘আমরা চাই প্রার্থীরা শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে শান্তি বজায় রাখুক। সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বয় ও সামাজিক বন্ধন বজায় রাখাটাই সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা।’
স্থানীয় সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচন একটি বড় পরীক্ষা। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা গেলে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন কোন উসকানি না ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার সায়েম মির্জা সায়েম মাহমুদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার সায়েম মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, জেলা ও কিছু ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নির্ধারিতসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। পাশাপাশি, প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণকে শান্তি বজায় রাখার জন্য সচেতন করা হচ্ছে, যাতে কোনো সহিংসতা না হয়।

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতা এবং সম্প্রদায়িক উত্তেজনার কারণে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচিত হলে শান্তি ও সম্প্রদায়িক সমন্বয় বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
সোমবার খাগড়াছড়ির প্রার্থীরা স্ট্রিমকে এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, ‘খাগড়াছড়ির শান্তি-সম্প্রীতি পুনঃস্থাপন অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচিত হলে আমি সব পক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়ে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করব। এমপি থাকার সময়ও বহু উসকানিমূলক পরিস্থিতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করেছি।’
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বলেন, ‘নির্বাচনের পরও আমি চেষ্টা করব। যাতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ঐক্য বজায় থাকে। প্রয়োজন হলে প্রশাসন ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করব।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. কাউছার বলেন, ‘নির্বাচিত হলে সব জাতি ও জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি-সম্প্রীতি উন্নয়নে কাজ করব। প্রশাসন, স্থানীয় নেতারা এবং সমাজকর্মীদের সহযোগিতায় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সামাজিক সমন্বয় নিশ্চিত করব।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে পরাজিত প্রার্থীদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে সম্মিলিতভাবে শান্তি-সম্প্রীতি উন্নয়নে কাজ করব। পার্বত্য চট্টগ্রামে কাওকে রেখে কাওকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হবে আমার অঙ্গীকার।’
স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাগড়াছড়িতে সম্প্রতি সংঘটিত সহিংসতা নির্বাচনের আগে প্রধান উদ্বেগ। বিশেষ করে গুইমারা ও দীঘিনালা উপজেলায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং কয়েকজন নিহত হওয়ার ঘটনা শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রার্থীদের কাজকে আরও জরুরি করেছে। প্রশাসন ধারা ১৪৪ জারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
সহিংসতা নিরসনে কাজ করা লেখক আনন্দ মোহন চাকমা বলেন, ‘আমরা চাই প্রার্থীরা শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে শান্তি বজায় রাখুক। সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বয় ও সামাজিক বন্ধন বজায় রাখাটাই সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা।’
স্থানীয় সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচন একটি বড় পরীক্ষা। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা গেলে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।’
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন কোন উসকানি না ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার সায়েম মির্জা সায়েম মাহমুদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার সায়েম মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, জেলা ও কিছু ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নির্ধারিতসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। পাশাপাশি, প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণকে শান্তি বজায় রাখার জন্য সচেতন করা হচ্ছে, যাতে কোনো সহিংসতা না হয়।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬