স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাষ্ট্র সংস্কার যদি সংসদ বা পার্লামেন্টে বাস্তবায়ন না হয়, তবে তা রাজপথে বা মাঠে গড়াবে এবং অপরাধীদের বিচার হতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “এই সংস্কার পার্লামেন্টে বাস্তবায়ন না হলে সেটা মাঠে গড়াবে এবং বিচার হতেই হবে। বিচারপতি মানিক, ইনু ও মেনন—যাঁরা ভারতের সাথে মিলে শেখ হাসিনার সরকারকে বৈধতা দিয়েছিলেন, তাঁদের বিভিন্ন মামলায় জামিন দেওয়া হচ্ছে। গতকাল শহীদ মিনারে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আমাদের আহতরা এখনো বিচার পায়নি, শহীদদের পরিবারগুলোও বিচার পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের তত্ত্বাবধানে যখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়, তখন আমাদের মনে আশঙ্কা জাগে যে এই নির্বাচন ভারত এবং আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ‘নেগোশিয়েশনের’ মাধ্যমে হয়েছে কি না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব এই পথ থেকে সরে আসার জন্য। যদি সরকারের কৌশল এমন হয় যে আওয়ামী লীগ ও অন্যদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে গৃহযুদ্ধ বাধানো, তবে আমরা সেই ফাঁদে পা দেব না। সরকার যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানধারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে নিবৃত্ত করতে হবে।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারকে স্পষ্ট করে বলেন, “আওয়ামী লীগের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কার—এই দুই বিষয় অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি তা না হয়, তবে আমাদের হয়তো আবারও রাজপথে নামতে হবে।”

রাষ্ট্র সংস্কার যদি সংসদ বা পার্লামেন্টে বাস্তবায়ন না হয়, তবে তা রাজপথে বা মাঠে গড়াবে এবং অপরাধীদের বিচার হতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “এই সংস্কার পার্লামেন্টে বাস্তবায়ন না হলে সেটা মাঠে গড়াবে এবং বিচার হতেই হবে। বিচারপতি মানিক, ইনু ও মেনন—যাঁরা ভারতের সাথে মিলে শেখ হাসিনার সরকারকে বৈধতা দিয়েছিলেন, তাঁদের বিভিন্ন মামলায় জামিন দেওয়া হচ্ছে। গতকাল শহীদ মিনারে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। আমাদের আহতরা এখনো বিচার পায়নি, শহীদদের পরিবারগুলোও বিচার পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের তত্ত্বাবধানে যখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়, তখন আমাদের মনে আশঙ্কা জাগে যে এই নির্বাচন ভারত এবং আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ‘নেগোশিয়েশনের’ মাধ্যমে হয়েছে কি না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব এই পথ থেকে সরে আসার জন্য। যদি সরকারের কৌশল এমন হয় যে আওয়ামী লীগ ও অন্যদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে গৃহযুদ্ধ বাধানো, তবে আমরা সেই ফাঁদে পা দেব না। সরকার যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানধারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে নিবৃত্ত করতে হবে।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারকে স্পষ্ট করে বলেন, “আওয়ামী লীগের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কার—এই দুই বিষয় অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি তা না হয়, তবে আমাদের হয়তো আবারও রাজপথে নামতে হবে।”

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
২৬ জুলাই ২০২৬
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬