স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি গণমাধ্যমে বিবৃতিটি পাঠিয়েছেন।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ভোটার মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না। অথচ বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন নাগরিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভোটাধিকার প্রয়োগের মতো একটি সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে এ ধরনের অযৌক্তিক ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি করবে, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিপন্থী।’
জামায়াত মনে করে, এই সিদ্ধান্ত ভোটারদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল। গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিশেষ করে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটারদের সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে সেই স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে।’
জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা এবং নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করা। কিন্তু এ ধরনের একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত। একই সঙ্গে ভোটারদের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করারও দাবি জানানো হয় দলটির বিবৃতিতে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের মতামত ও অধিকারকে উপেক্ষা করে কোনো নির্বাচনই টেকসই বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ইসির এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করা হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি গণমাধ্যমে বিবৃতিটি পাঠিয়েছেন।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ভোটার মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না। অথচ বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন নাগরিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভোটাধিকার প্রয়োগের মতো একটি সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে এ ধরনের অযৌক্তিক ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি করবে, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিপন্থী।’
জামায়াত মনে করে, এই সিদ্ধান্ত ভোটারদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল। গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিশেষ করে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটারদের সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে সেই স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে।’
জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা এবং নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করা। কিন্তু এ ধরনের একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত। একই সঙ্গে ভোটারদের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করারও দাবি জানানো হয় দলটির বিবৃতিতে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের মতামত ও অধিকারকে উপেক্ষা করে কোনো নির্বাচনই টেকসই বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ইসির এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করা হবে।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আজিজার রহমান। আগের কোনোবার নির্বাচিত না হলেও এবার আশাবাদী তিনি। ভোটে নির্বাচিত হলে একটি টাকাও দুর্নীতি করবেন না বলছেন। তাঁর কাছে জেলে-কুলি, দিনমজুর, মাস্টার, জর্জ, ব্যারিস্টার সবাই সমান।
৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সরকার গঠন হলে কী করা হবে, তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
১১ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
২৬ মিনিট আগে
ঢাকা-৫ আসনে দ্রুত একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে।
১ ঘণ্টা আগে