স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের সাম্প্রতিক অগ্রগতিকে যথেষ্ট বলে মনে করছেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে, অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে যাওয়াকে বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শান্ত বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছে। সেই অবস্থান থেকে আর পিছিয়ে যাওয়া যাবে না। কন্ডিশনের সঙ্গে যত দ্রুত মানিয়ে নেওয়া যাবে, ততই দলের জন্য ভালো হবে। লক্ষ্য শুধু ভালো ক্রিকেট খেলা নয়, ধারাবাহিকভাবে নিজেদের আরও উন্নত করা।
দলের বোলিং আক্রমণ প্রশ্নে শান্ত জানান, নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলামের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেসারদের না পাওয়া একটি চ্যালেঞ্জ। তবে দলে থাকা বোলারদের ওপর আস্থা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে পেসারদের বড় ভূমিকা থাকবে। পাশাপাশি তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের মতো অভিজ্ঞ স্পিনাররা ভালো করলে ২০ উইকেট নেওয়াও সম্ভব।
তবে প্রস্তুতি নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অধিনায়ক। টানা বৃষ্টির কারণে দেশে পরিকল্পনামাফিক অনুশীলন করা যায়নি বলে জানান তিনি। যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছে দল। বোলিং মেশিন ব্যবহার করে গ্রানাইটের ওপর অনুশীলনও করেছেন ক্রিকেটাররা।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে যাওয়াকে বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন শান্ত। তার মতে, বাংলাদেশের আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল। অতীতে টেস্টে আরও ভালো ফল করতে পারলে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়মিত সিরিজ খেলার সম্ভাবনাও বাড়ত।
সফরের লক্ষ্য নিয়ে শান্ত বলেন, বাংলাদেশ প্রতিটি ম্যাচই জয়ের উদ্দেশে খেলবে। তবে শুধু ফল নয়, শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে কঠিন লড়াইয়ে ফেলা এবং নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ওপেনিং ব্যাটিং নিয়ে শান্ত বলেন, দুই ওপেনারই অভিজ্ঞ। তবে টেস্টে নতুন বল সামলানো সব সময়ই কঠিন। এ জায়গায় উন্নতি করতে পারলে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও আরও এক ধাপ এগোবে।
দলের সম্ভাব্য একাদশে সৌম্য সরকারের থাকা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন শান্ত। তার মতে, বাউন্সি উইকেটে সৌম্য স্বচ্ছন্দে ব্যাটিং করতে পারেন। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও ভালো ছন্দে ছিলেন।
ওয়ানডে ক্রিকেটে লিটন দাসের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে শান্ত বলেন, ‘তামিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিষয়টা ক্লিয়ার ছিল। লিটনকে অভিনন্দন। সে টি-টোয়েন্টি দলকে গত কয়েক বছরে ভালো জায়গায় নিয়ে এসেছে, ওয়ানডে দলকেও আশা করি তেমন জায়গায় নিয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের সাম্প্রতিক অগ্রগতিকে যথেষ্ট বলে মনে করছেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে, অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে যাওয়াকে বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শান্ত বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছে। সেই অবস্থান থেকে আর পিছিয়ে যাওয়া যাবে না। কন্ডিশনের সঙ্গে যত দ্রুত মানিয়ে নেওয়া যাবে, ততই দলের জন্য ভালো হবে। লক্ষ্য শুধু ভালো ক্রিকেট খেলা নয়, ধারাবাহিকভাবে নিজেদের আরও উন্নত করা।
দলের বোলিং আক্রমণ প্রশ্নে শান্ত জানান, নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলামের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেসারদের না পাওয়া একটি চ্যালেঞ্জ। তবে দলে থাকা বোলারদের ওপর আস্থা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে পেসারদের বড় ভূমিকা থাকবে। পাশাপাশি তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের মতো অভিজ্ঞ স্পিনাররা ভালো করলে ২০ উইকেট নেওয়াও সম্ভব।
তবে প্রস্তুতি নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অধিনায়ক। টানা বৃষ্টির কারণে দেশে পরিকল্পনামাফিক অনুশীলন করা যায়নি বলে জানান তিনি। যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছে দল। বোলিং মেশিন ব্যবহার করে গ্রানাইটের ওপর অনুশীলনও করেছেন ক্রিকেটাররা।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে যাওয়াকে বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন শান্ত। তার মতে, বাংলাদেশের আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল। অতীতে টেস্টে আরও ভালো ফল করতে পারলে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়মিত সিরিজ খেলার সম্ভাবনাও বাড়ত।
সফরের লক্ষ্য নিয়ে শান্ত বলেন, বাংলাদেশ প্রতিটি ম্যাচই জয়ের উদ্দেশে খেলবে। তবে শুধু ফল নয়, শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে কঠিন লড়াইয়ে ফেলা এবং নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ওপেনিং ব্যাটিং নিয়ে শান্ত বলেন, দুই ওপেনারই অভিজ্ঞ। তবে টেস্টে নতুন বল সামলানো সব সময়ই কঠিন। এ জায়গায় উন্নতি করতে পারলে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও আরও এক ধাপ এগোবে।
দলের সম্ভাব্য একাদশে সৌম্য সরকারের থাকা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন শান্ত। তার মতে, বাউন্সি উইকেটে সৌম্য স্বচ্ছন্দে ব্যাটিং করতে পারেন। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও ভালো ছন্দে ছিলেন।
ওয়ানডে ক্রিকেটে লিটন দাসের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে শান্ত বলেন, ‘তামিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিষয়টা ক্লিয়ার ছিল। লিটনকে অভিনন্দন। সে টি-টোয়েন্টি দলকে গত কয়েক বছরে ভালো জায়গায় নিয়ে এসেছে, ওয়ানডে দলকেও আশা করি তেমন জায়গায় নিয়ে যাবে।’

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষের পরপরই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশৃঙ্খলা। স্পেনের কাছে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর মাঠেই মেজাজ হারান আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। সেই ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনা দলের কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক হয়েছেন লিটন দাস। এছাড়া তাওহীদ হৃদয়কে সহঅধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
২১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিশ্বকাপের পর্দা নামার পরপরই শুরু হয়েছে পরবর্তী আসরের আলোচনা। ২০৩০ বিশ্বকাপে কোনো দল কেমন করবে আর ডাগআউট কে সামলাবেন—তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা ও বিশ্লেষণ।
২৯ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে সদ্য শেষ হওয়া ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১১৩টি ভুল তথ্য ছড়ানোর কথা জানিয়েছে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার।
২৯ জুলাই ২০২৬