ঘরের মাঠেই জয়ের খাতা খুলতে চায় কানাডা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

স্ট্রিম গ্রাফিক

তৃতীয়বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কানাডা। আলফনসো ডেভিস ও জোনাথন ডেভিডদের হাত ধরে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে মরিয়া উত্তর আমেরিকার দেশটি।

১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর মাঠে অভিষেকের ৩৬ বছর পর ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। দুটি আসরের ছয় ম্যাচেই হারের তিক্ত স্বাদ পেতে হয়েছে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩০তম দলকে। তবে এবার ঘরের মাঠে দর্শকদের সমর্থনকে ‘দ্বাদশ খেলোয়াড়’ হিসেবে কাজে লাগিয়ে পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙতে চায় ‘দ্য লেস রুজেস’রা।

কানাডা ফুটবল দলের ডাগআউট সামলাচ্ছেন আমেরিকান কোচ জেসি মার্শ। আগে তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লিডস ইউনাইটেড এবং জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব আরবি লাইপজিগের ম্যানেজার ছিলেন। জেসি মার্শের অধীনে ২০২৫-এর কনকাকাফ গোল্ড কাপে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে কানাডা।

আলফনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড (মাঝে), ইসমাইল কোনে। ছবি: সংগৃহীত
আলফনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড (মাঝে), ইসমাইল কোনে। ছবি: সংগৃহীত

এবার কানাডার সাফল্যের প্রধান কারিগর হতে পারেন বায়ার্ন মিউনিখের লেফট ব্যাক আলফনসো ডেভিস। জাতীয় দলের হয়ে ১৫ গোল করা ডেভিসেরই শুধু বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে গোলের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তাঁর সঙ্গে আক্রমণে জুটি বাঁধবেন প্রধান গোলমেশিন জোনাথন ডেভিড। জাতীয় দলের হয়ে ৩৯ গোল করা এই স্ট্রাইকার ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্তাসের হয়েও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাঝমাঠে ভরসা ইতালিয়ান ক্লাব সাসুওলোতে খেলা ইসমাইল কোনে।

২০২৬ বিশ্বকাপে কানাডা লড়বে গ্রুপ ‘বি’-তে। আগামী ১৩ জুন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু। এরপর ১৯ জুন কাতার এবং ২৭ জুন গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

ফুটবল বোদ্ধাদের মতে, গ্রুপ ‘বি’-তে সুইজারল্যান্ড অভিজ্ঞ হলেও স্বাগতিক হিসেবে এগিয়ে থাকবে কানাডা। প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ৪ বা ৬ পয়েন্ট পেলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নামার আগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হবে তাদের।

সম্পর্কিত