স্পোর্টস ডেস্ক

আক্রমণ আর পাল্টা-আক্রমণের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ রক্ষা হলো না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। পেনাল্টি মিসের খেসারত, একের পর এক আক্রমণ নসাৎ হওয়া আর রক্ষণভাগের ব্যর্থতায় নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সোমবার (৬ জুলাই) নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল সেলেসাওরা।
আর্লিং হলান্ডের দুর্দান্ত জোড়া গোল এবং গোলরক্ষক নিল্যান্ডের দেয়াল ভাঙতে না পারায় বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ করলো ব্রাজিল। নরওয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে গেল।
ম্যাচের শুরু থেকে ৪-১-২-৩ ছকে নেমে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে ব্রাজিলের ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪ মিনিটেই ব্রাজিলকে একপ্রকার স্তব্ধ করে দেয় নরওয়ে। কিন্তু এই কাউন্টার অ্যাটাকের সময় ওডিগার্ড অফ সাইড পজিশনে থাকায় গোল বাতিল করে। এরপর ব্রাজিল ৪-২-৩-১ ছকে নরওয়ের বিপক্ষে পাল্টা আক্রমণ চালাতে থাকে। ১১ মিনিটের সময় বক্সের ভিতর ফাঁকা জায়গায় কুনিয়া বল পেলে সেটি স্লাইডিং ট্যাকেলের মাধ্যমে নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ের থামিয়ে দেয়। কিন্তু ভিএআর চেকে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ১২ গজ দুরত্ব থেকে স্পট কিক নিতে আসে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারাইস; কিন্তু পেনাল্টির থেকে তার নেওয়া দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় বিশ্বকাপের মূল আসরে পেনাল্টি মিস করলেন।
পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে ব্রাজিল বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও নরওয়ের বাস পার্কিং বা লো ব্লক ডিফেন্স ভেদ করাটা সেলেসাওদের জন্য অসাধ্য হয়ে যাচ্ছিল। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি দুর্দান্ত শট ন্যাল্যান্ডের দারুণ সেভে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।প্রথমার্ধের মার্টিন ওডেগার্ডে বক্সের ভেতর নিচের কর্নারকে লক্ষ্য করে জোরালো শট নিলেও তা ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন আলিসন। প্রথমার্ধে গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে গোলের খোঁজে নরওয়ে দুই পরিবর্তন নিয়ে নামে। অন্যদিকে ৫৮ মিনিটে কুনিয়ার পরিবর্তে এনদ্রিককে নামানো হয়। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাড়ানো দারুণ একটি বলে নরওয়ের গোলরক্ষক নিল্যান্ডকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ এনদ্রিক। ম্যাচের ৬২ মিনিটে রায়ান একটি শট নিলেও সেটিও দারুণভাবে সেভ দিয়ে আবারও নরওয়েকে বাঁচিয়ে দেন এই গোলরক্ষক।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে রায়ান ও মার্তিনেল্লির বদলে মাঠে নামেন ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার ও মিডফিল্ডার দানিলো। ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করে নরওয়ে বারবার ব্রাজিলের রক্ষণভাগে চির ধরাতে থাকে। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা উইঙ্গার অ্যান্দ্রিয়াসের পাস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দলকে এগিয়ে নেন হলান্ড। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ষষ্ঠ গোল। গোল হজম করে ব্রাজিল একেরপর এক আক্রমণের পসরা সাজালেও সেখানে নল্যান্ড ব্রাজিলকে রুখে দিচ্ছিল। ম্যাচের ৯০ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট করলেন শেলদেরুপ। তিনি বক্সের প্রান্তে থাকা আনমার্কড হলান্ডের দিকে পাস বাড়িয়ে দেন আর সেখান থেকে হলান্ড নিখুঁত শটে বলটাকে জালের কোণায় পাঠিয়ে দিয়ে নরওয়েকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এটি ছিল তাঁর বিশ্বকাপে নিজের সপ্তম গোল।
ম্যাচের যোগকরা (৯০+১০) মিনিটে পেনাল্টির থেকে সান্ত্বনা সূচক গোল করে ২-১ ব্যবধান করে নেইমার। হলান্ডের জোড়া গোলের কাছে হেরে বিদায় নিল ব্রাজিল। আবারও সেই নরওয়ে ও ইউরোপিয়ান জুজুতে আটকা পড়ে খালি হাতে বিদায় নিল সেলেসাওরা। এরই সঙ্গে ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম এতো তাড়াতাড়ি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ব্রাজিলকে।

আক্রমণ আর পাল্টা-আক্রমণের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ রক্ষা হলো না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। পেনাল্টি মিসের খেসারত, একের পর এক আক্রমণ নসাৎ হওয়া আর রক্ষণভাগের ব্যর্থতায় নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সোমবার (৬ জুলাই) নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল সেলেসাওরা।
আর্লিং হলান্ডের দুর্দান্ত জোড়া গোল এবং গোলরক্ষক নিল্যান্ডের দেয়াল ভাঙতে না পারায় বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ করলো ব্রাজিল। নরওয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে গেল।
ম্যাচের শুরু থেকে ৪-১-২-৩ ছকে নেমে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে ব্রাজিলের ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪ মিনিটেই ব্রাজিলকে একপ্রকার স্তব্ধ করে দেয় নরওয়ে। কিন্তু এই কাউন্টার অ্যাটাকের সময় ওডিগার্ড অফ সাইড পজিশনে থাকায় গোল বাতিল করে। এরপর ব্রাজিল ৪-২-৩-১ ছকে নরওয়ের বিপক্ষে পাল্টা আক্রমণ চালাতে থাকে। ১১ মিনিটের সময় বক্সের ভিতর ফাঁকা জায়গায় কুনিয়া বল পেলে সেটি স্লাইডিং ট্যাকেলের মাধ্যমে নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ের থামিয়ে দেয়। কিন্তু ভিএআর চেকে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ১২ গজ দুরত্ব থেকে স্পট কিক নিতে আসে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারাইস; কিন্তু পেনাল্টির থেকে তার নেওয়া দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় বিশ্বকাপের মূল আসরে পেনাল্টি মিস করলেন।
পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে ব্রাজিল বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও নরওয়ের বাস পার্কিং বা লো ব্লক ডিফেন্স ভেদ করাটা সেলেসাওদের জন্য অসাধ্য হয়ে যাচ্ছিল। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি দুর্দান্ত শট ন্যাল্যান্ডের দারুণ সেভে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।প্রথমার্ধের মার্টিন ওডেগার্ডে বক্সের ভেতর নিচের কর্নারকে লক্ষ্য করে জোরালো শট নিলেও তা ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন আলিসন। প্রথমার্ধে গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে গোলের খোঁজে নরওয়ে দুই পরিবর্তন নিয়ে নামে। অন্যদিকে ৫৮ মিনিটে কুনিয়ার পরিবর্তে এনদ্রিককে নামানো হয়। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাড়ানো দারুণ একটি বলে নরওয়ের গোলরক্ষক নিল্যান্ডকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ এনদ্রিক। ম্যাচের ৬২ মিনিটে রায়ান একটি শট নিলেও সেটিও দারুণভাবে সেভ দিয়ে আবারও নরওয়েকে বাঁচিয়ে দেন এই গোলরক্ষক।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে রায়ান ও মার্তিনেল্লির বদলে মাঠে নামেন ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার ও মিডফিল্ডার দানিলো। ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করে নরওয়ে বারবার ব্রাজিলের রক্ষণভাগে চির ধরাতে থাকে। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা উইঙ্গার অ্যান্দ্রিয়াসের পাস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দলকে এগিয়ে নেন হলান্ড। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ষষ্ঠ গোল। গোল হজম করে ব্রাজিল একেরপর এক আক্রমণের পসরা সাজালেও সেখানে নল্যান্ড ব্রাজিলকে রুখে দিচ্ছিল। ম্যাচের ৯০ মিনিটে আবারও অ্যাসিস্ট করলেন শেলদেরুপ। তিনি বক্সের প্রান্তে থাকা আনমার্কড হলান্ডের দিকে পাস বাড়িয়ে দেন আর সেখান থেকে হলান্ড নিখুঁত শটে বলটাকে জালের কোণায় পাঠিয়ে দিয়ে নরওয়েকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এটি ছিল তাঁর বিশ্বকাপে নিজের সপ্তম গোল।
ম্যাচের যোগকরা (৯০+১০) মিনিটে পেনাল্টির থেকে সান্ত্বনা সূচক গোল করে ২-১ ব্যবধান করে নেইমার। হলান্ডের জোড়া গোলের কাছে হেরে বিদায় নিল ব্রাজিল। আবারও সেই নরওয়ে ও ইউরোপিয়ান জুজুতে আটকা পড়ে খালি হাতে বিদায় নিল সেলেসাওরা। এরই সঙ্গে ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম এতো তাড়াতাড়ি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ব্রাজিলকে।

ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান সম্প্রচারমাধ্যম জিই টিভিকে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে নেইমার বলেন, ‘চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখানেই সব শেষ। মেটলাইফ থেকেই শুরু করেছিলাম, মেটলাইফে শেষ করলাম।’ ২০১০ সালে নিউ জার্সির এই স্টেডিয়ামেই অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। ১৬ বছর পর সেই মাঠেই সম্ভবত শেষ হলো তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।
৪০ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ মিটার উঁচুতে আজতেকা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখতে উদ্গ্রীব ফুটবল ভক্তরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে নিজেদের ‘ইউরোপীয় ও নরওয়ে জুজু’ কাটানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ব্রাজিল। সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ১৬-র হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মুখোমুখি হবে এবারের আসরের ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ের।
১৬ ঘণ্টা আগে
উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি আর ৪টি হলুদ কার্ডের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
০৫ জুলাই ২০২৬