স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ৬০ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর হাতছানি ইংল্যান্ডের সামনে। তবে সেই স্বপ্নপূরণের পথে আজ (১৬ জুলাই) সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ছয় দশকের ফুটবলীয় দ্বৈরথের পুরোনো ঝাঁজ নিয়েই আটলান্টায় আজ মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের এই দুই দল।
১৯৬৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কখনো ফাইনালে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারুণ ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টিনা। দলটি জিতেছে টানা দুটি কোপা আমেরিকা ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ।
ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল বলেন, ‘আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে পরের ধাপে যেতে চাই। খেলোয়াড়রা রোমাঞ্চিত, এমন ম্যাচের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
ছয় দশকের পুরোনো দ্বৈরথ
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার লড়াই মানেই বিতর্ক আর উত্তেজনা। ১৯৬৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাতিন লাল কার্ড দেখার পর মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের কোচ স্যার আলফ র্যামসে আর্জেন্টাইনদের ‘পশু’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং শতাব্দীর সেরা একক গোলের ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা। ১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ডের ম্যাচেও টাইব্রেকারে জয় পায় আর্জেন্টাইনরা। তবে ২০০২ বিশ্বকাপে বেকহ্যামের পেনাল্টি থেকে করা গোলে জিতে সেই হারের প্রতিশোধ নিয়েছিল ইংল্যান্ড।
এই ইতিহাস নিয়ে টুখেল বলেন, এটি দুটি পরাশক্তির মধ্যকার বিশাল লড়াই। এমন ম্যাচকে সাধারণ ফুটবল ম্যাচ বলা যায় না।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাষায়, অতীতের ইতিহাস ম্যাচটিকে আরও আবেগপূর্ণ করে তুলেছে।
মেসির শেষ সুযোগ, ইংল্যান্ডের ভরসা কেইন-বেলিংহাম
৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসির জন্য এটিই হয়তো শেষ বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলেও এবারও আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা তিনিই। চলতি বিশ্বকাপে মোট ম্যাচটাইমের প্রায় ৪৭ শতাংশ সময়ই হেঁটে কাটিয়েছেন তিনি। তবুও বল পায়ে এখনও প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মেসিই। শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে সেটির প্রমাণ মিলেছে।
মেসিকে নিয়ে টুখেল বলেন, ‘মেসি অবিশ্বাস্য। মাঠে তাঁর মান ও নেতৃত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণের মূল শক্তি হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। চলতি বিশ্বকাপে দলের ১৩টি গোলের মধ্যে ১২টিই এসেছে এই দুই ফুটবলারের পা থেকে। উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মার্কাস রাশফোর্ডের গোল ছাড়া অন্য কোনো খেলোয়াড় এখনো গোলের দেখা পাননি।
ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো ও নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে কেপ ভার্দে, মিসর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় থাকার পর, ১১২ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজ এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে নাটকীয় জয় তুলে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।
ওপ্টা সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে অবশ্য সামান্য এগিয়ে ইংল্যান্ড। এ হিসেবে, নির্ধারিত সময়ে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ, আর্জেন্টিনার ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৭ শতাংশ।

বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ৬০ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর হাতছানি ইংল্যান্ডের সামনে। তবে সেই স্বপ্নপূরণের পথে আজ (১৬ জুলাই) সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ছয় দশকের ফুটবলীয় দ্বৈরথের পুরোনো ঝাঁজ নিয়েই আটলান্টায় আজ মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের এই দুই দল।
১৯৬৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কখনো ফাইনালে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারুণ ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টিনা। দলটি জিতেছে টানা দুটি কোপা আমেরিকা ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ।
ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল বলেন, ‘আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে পরের ধাপে যেতে চাই। খেলোয়াড়রা রোমাঞ্চিত, এমন ম্যাচের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
ছয় দশকের পুরোনো দ্বৈরথ
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার লড়াই মানেই বিতর্ক আর উত্তেজনা। ১৯৬৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাতিন লাল কার্ড দেখার পর মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের কোচ স্যার আলফ র্যামসে আর্জেন্টাইনদের ‘পশু’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং শতাব্দীর সেরা একক গোলের ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা। ১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ডের ম্যাচেও টাইব্রেকারে জয় পায় আর্জেন্টাইনরা। তবে ২০০২ বিশ্বকাপে বেকহ্যামের পেনাল্টি থেকে করা গোলে জিতে সেই হারের প্রতিশোধ নিয়েছিল ইংল্যান্ড।
এই ইতিহাস নিয়ে টুখেল বলেন, এটি দুটি পরাশক্তির মধ্যকার বিশাল লড়াই। এমন ম্যাচকে সাধারণ ফুটবল ম্যাচ বলা যায় না।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাষায়, অতীতের ইতিহাস ম্যাচটিকে আরও আবেগপূর্ণ করে তুলেছে।
মেসির শেষ সুযোগ, ইংল্যান্ডের ভরসা কেইন-বেলিংহাম
৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসির জন্য এটিই হয়তো শেষ বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলেও এবারও আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসা তিনিই। চলতি বিশ্বকাপে মোট ম্যাচটাইমের প্রায় ৪৭ শতাংশ সময়ই হেঁটে কাটিয়েছেন তিনি। তবুও বল পায়ে এখনও প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মেসিই। শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে সেটির প্রমাণ মিলেছে।
মেসিকে নিয়ে টুখেল বলেন, ‘মেসি অবিশ্বাস্য। মাঠে তাঁর মান ও নেতৃত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণের মূল শক্তি হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। চলতি বিশ্বকাপে দলের ১৩টি গোলের মধ্যে ১২টিই এসেছে এই দুই ফুটবলারের পা থেকে। উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মার্কাস রাশফোর্ডের গোল ছাড়া অন্য কোনো খেলোয়াড় এখনো গোলের দেখা পাননি।
ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো ও নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে কেপ ভার্দে, মিসর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় থাকার পর, ১১২ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজ এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে নাটকীয় জয় তুলে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।
ওপ্টা সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে অবশ্য সামান্য এগিয়ে ইংল্যান্ড। এ হিসেবে, নির্ধারিত সময়ে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ, আর্জেন্টিনার ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৭ শতাংশ।

ব্রাজিল নেই, উরুগুয়ে নেই, কলম্বিয়া নেই। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য প্রতিনিধিরাও কেউ গ্রুপ পর্বে, কেউ শেষ-৩২ এ বিদায় নিয়েছে। ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার মতো দল বিদায় নিয়েছে শেষ-১৬ থেকেই। শেষ আট তো দূরের কথা, শেষ চারে লাতিন আমেরিকার একমাত্র প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন স্পেনের তরুণ ফুটবলার লামিন ইয়ামাল। তবে এবার শুধু ইয়ামালই নন, খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাঁর পরিবারের আরেক সদস্যও। তাঁর নাম কেইন।
৫ ঘণ্টা আগে
এমবাপ্পে-দেম্বেলের ভয়ংকর আক্রমণভাগকে ৯০ মিনিট কার্যত বোতলবন্দি করে রেখে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন। পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পরে পেদ্রো পোরোর গোলে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ফিরেছে লা রোহা। সেই সঙ্গে টানা তৃতীয় বড় টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের স্বপ্ন ভেঙেছে স্প্যানিশরাই।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি, দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই। একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের গতিময় ফ্রান্স, অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল-রদ্রির ছন্দময় স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের এই দুই জায়ান্ট।
১৪ জুলাই ২০২৬