স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি। ভিন্ন দুই ফুটবল দর্শনের লড়াই। একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের গতিময় ফ্রান্স, অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল-রদ্রির ছন্দময় স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের এই দুই জায়ান্ট। ম্যাচের জয়ী দল জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার পথে দুই দলই খেলেছে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল। রাউন্ড অব ৩২-এ সুইডেন, শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর শেষ ষোলোতে পর্তুগাল এবং কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে স্পেন। দুই নকআউট ম্যাচেই বদলি নেমে গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন মিকেল মেরিনো।
দুই দলের শক্তির জায়গাও ভিন্ন। ফ্রান্সের ভরসা তাদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগ; স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি মাঝমাঠ ও রক্ষণ। পাঁচ ম্যাচে আট গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। উসমান দেম্বেলের গোল পাঁচটি, আর পাঁচটি অ্যাসিস্ট করে আক্রমণে বড় ভূমিকা রেখেছেন মাইকেল অলিসে।
অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্টে বেলজিয়ামের বিপক্ষে একটি গোল হজম করা ছাড়া প্রতিপক্ষকে খুব বেশি সুযোগ দেয়নি কুকুরেলাদের স্প্যানিশ মিডফিল্ড। আক্রমণভাগেও ছন্দে আছেন লামিন ইয়ামাল, রদ্রি ও ওয়ারজাবালরা।
সেমিফাইনালের আগে নিজের দলের সামর্থ্যের ওপর আস্থার কথাই বলেছেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি বিশ্বকাপ জিতেছি, ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের বর্তমান দলটি এখনো বড় কোনো সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে বড় সাফল্যের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে।’
অন্যদিকে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘ফাইনালের আগে আরেকটি ফাইনাল বললে এই ম্যাচকে মোটেও অতিরঞ্জিত করা হবে না। আমরা জানি ফ্রান্স কতটা শক্তিশালী। তবে তাদের বিপক্ষে জয়ের সামর্থ্যও আমাদের আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দুই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে আমরা ফ্রান্সকে হারিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।’ ইউরো ২০২৪ ও ২০২৫ উয়েফা নেশনস লিগ— দুই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালেই ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন।
বিশ্বকাপে গত তিন আসরে ২০ ম্যাচে ২০ গোল করেছেন এমবাপ্পে, যার মধ্যে চারটি এসেছে ফাইনালে। স্পেনকে হারাতে পারলে দ্বিতীয় ইউরোপীয় দল হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়বে ফ্রান্স। এর আগে ১৯৭৪ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে টানা চারটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছিল পশ্চিম জার্মানি।
এদিকে ওপ্টা সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে কিছুটা এগিয়ে ফ্রান্স। তাদের হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৪২ দশমিক ১ শতাংশ, স্পেনের ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৬ দশমিক ১ শতাংশ।
অতীত পরিসংখ্যানও বলছে, বরাবরই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে দুই দলের। এখন পর্যন্ত ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন। এর মধ্যে স্পেন জিতেছে ১৮টি ম্যাচ, ফ্রান্স ১৩টি। বাকি সাতটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সবশেষ দেখা হয়েছিল নেশনস লিগের সেমিফাইনালে, যেখানে ৫-৪ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয়ে ফ্রান্সকে বিদায় করেছিল স্পেন।

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি। ভিন্ন দুই ফুটবল দর্শনের লড়াই। একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের গতিময় ফ্রান্স, অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল-রদ্রির ছন্দময় স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের এই দুই জায়ান্ট। ম্যাচের জয়ী দল জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার পথে দুই দলই খেলেছে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল। রাউন্ড অব ৩২-এ সুইডেন, শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর শেষ ষোলোতে পর্তুগাল এবং কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে স্পেন। দুই নকআউট ম্যাচেই বদলি নেমে গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন মিকেল মেরিনো।
দুই দলের শক্তির জায়গাও ভিন্ন। ফ্রান্সের ভরসা তাদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগ; স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি মাঝমাঠ ও রক্ষণ। পাঁচ ম্যাচে আট গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। উসমান দেম্বেলের গোল পাঁচটি, আর পাঁচটি অ্যাসিস্ট করে আক্রমণে বড় ভূমিকা রেখেছেন মাইকেল অলিসে।
অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্টে বেলজিয়ামের বিপক্ষে একটি গোল হজম করা ছাড়া প্রতিপক্ষকে খুব বেশি সুযোগ দেয়নি কুকুরেলাদের স্প্যানিশ মিডফিল্ড। আক্রমণভাগেও ছন্দে আছেন লামিন ইয়ামাল, রদ্রি ও ওয়ারজাবালরা।
সেমিফাইনালের আগে নিজের দলের সামর্থ্যের ওপর আস্থার কথাই বলেছেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি বিশ্বকাপ জিতেছি, ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের বর্তমান দলটি এখনো বড় কোনো সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে বড় সাফল্যের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে।’
অন্যদিকে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘ফাইনালের আগে আরেকটি ফাইনাল বললে এই ম্যাচকে মোটেও অতিরঞ্জিত করা হবে না। আমরা জানি ফ্রান্স কতটা শক্তিশালী। তবে তাদের বিপক্ষে জয়ের সামর্থ্যও আমাদের আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দুই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে আমরা ফ্রান্সকে হারিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।’ ইউরো ২০২৪ ও ২০২৫ উয়েফা নেশনস লিগ— দুই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালেই ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন।
বিশ্বকাপে গত তিন আসরে ২০ ম্যাচে ২০ গোল করেছেন এমবাপ্পে, যার মধ্যে চারটি এসেছে ফাইনালে। স্পেনকে হারাতে পারলে দ্বিতীয় ইউরোপীয় দল হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়বে ফ্রান্স। এর আগে ১৯৭৪ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে টানা চারটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছিল পশ্চিম জার্মানি।
এদিকে ওপ্টা সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে কিছুটা এগিয়ে ফ্রান্স। তাদের হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৪২ দশমিক ১ শতাংশ, স্পেনের ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৬ দশমিক ১ শতাংশ।
অতীত পরিসংখ্যানও বলছে, বরাবরই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে দুই দলের। এখন পর্যন্ত ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন। এর মধ্যে স্পেন জিতেছে ১৮টি ম্যাচ, ফ্রান্স ১৩টি। বাকি সাতটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সবশেষ দেখা হয়েছিল নেশনস লিগের সেমিফাইনালে, যেখানে ৫-৪ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয়ে ফ্রান্সকে বিদায় করেছিল স্পেন।
.png)

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টায় শুরু হবে দুই দলের প্রথম টেস্ট। ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে যাওয়ায় বাংলাদেশের একাদশে দেখা যেতে পারে সদ্য চোট কাটিয়ে ফেরা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফুটবল সম্রাট পেলের ক্লাবে নাম লেখালেন বাংলাদেশের শমিত সোম। চলতি ইউএসএল লিগ ওয়ানের বাকি মৌসুমের জন্য শমিতকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক কসমস।
৬ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে লাল বলের ক্রিকেটে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা ওভালে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হলেও সেটা নিয়ে ভাবছেন না নাজমুল হোসেন শান্ত। বরং নাহিদ রানার অনুপস্থিতি তাঁকে ভাবাচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার চেনা সেই ভয়ংকর পেস ত্রয়ী । অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড—তিনজনই আছেন অস্ট্রেলিয়ার একাদশে, তাঁদের সঙ্গে আছেন স্পিনার নাথান লায়ন।
১৫ ঘণ্টা আগে