সীমান্ত পেরিয়ে ত্রাণ বিতরণ: অপারেশন ওমেগার দুঃসাহসী গল্প১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব বাংলায় গণহত্যা চালাচ্ছিল, তখন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা কিংবা বিদেশি সাংবাদিকদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। ঠিক সেই সময় লন্ডনের কয়েকজন তরুণ-তরুণী সিদ্ধান্ত নেন, ত্রাণ নিয়ে সীমান্ত ভেঙে বাংলাদেশে ঢোকার।
একতারা থেকে রাইফেল: মুক্তিযুদ্ধে বাউলদের লড়াই১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু সামরিক লড়াই নয়, ছিল সংস্কৃতি ও আদর্শেরও যুদ্ধ। বাংলার বাউল সম্প্রদায় তাঁদের মানবতাবাদী দর্শন, গান এবং সংগ্রামের মাধ্যমে এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেউ গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন, কেউ সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নেমেছেন।
একাত্তরের ‘বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী’ শিরিন বানু মিতিলের স্মৃতি সংরক্ষণ না হওয়ায় ক্ষোভভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য স্টেটসম্যান মুক্তিযুদ্ধের সময় শিরিন বানুকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছিল ‘এ শাই গার্ল উইথ এ গান’ (বন্দুক হাতে এক লাজুক তরুণী)। আকাশবাণী বেতার থেকে প্রখ্যাত ভাষ্যকার দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগঘন কণ্ঠ সারা বিশ্বে পৌঁছে দিয়েছিল মিতিলের বীরত্বগাঁথা।
একাত্তরে পীর-মাশায়েখদের বিস্মৃত ইতিহাসএকাত্তরের রণাঙ্গনে বাংলার বহু পীর, সুফি সাধক ও আলেম কেবল মসজিদ বা খানকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের, গড়ে তুলেছেন প্রতিরোধের দুর্গ।
We Revolt: একাত্তরের প্রথম স্ফুলিঙ্গ!২৫ মার্চ ১৯৭১, একটি সিদ্ধান্ত; যা বদলে দিয়েছিল একটি জাতির ভবিষ্যৎ। মেজর জিয়ার ‘We Revolt’ থেকে কালুরঘাটের ঘোষণা, কীভাবে শুরু হয়েছিল সশস্ত্র প্রতিরোধ?
অপারেশন সার্চলাইট: পেন্সিলে লেখা পরিকল্পনা থেকে নির্মম গণহত্যা১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করে। ওই রাতের ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞকে কেবল সামরিক অভিযানের নিক্তিতে দেখলে হবে না। এর উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদকে চিরতরে মুছে ফেলা।
১৯৭১ সালে সোশ্যাল মিডিয়া থাকলে কেমন হতো আমাদের মুক্তিযুদ্ধএকটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের ইতিহাসে সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিবস কমই আছে। আজ ২৬শে মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। ৫৫ বছর আগে এই দিনেই এদেশের মানুষ স্বাধীন একটি ভূখণ্ডের আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল একাত্তরের রণাঙ্গনে১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লড়াই ছিল না, এটি ছিল আধুনিক সমর ইতিহাসের এক অনন্য সমীকরণ। এই যুদ্ধে তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম সুসংগঠিত ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি পেশাদার সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিল এক অদম্য গেরিলা শক্তি।
মুক্তিযুদ্ধে বাউল১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রান্তিক বাউল সম্প্রদায়ের অবদান ছিল একই সঙ্গে আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক। এই সময় বাউলরা তাঁদের একতারা ও কণ্ঠকে কেবল সাধনার মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করেননি, বরং যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে গেছেন নিরলসভাবে।
সামরিক বর্বরতা শুরুর জন্য কেন বেছে নেওয়া হয়েছিল ২৫ মার্চ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চ রাত ‘কালরাত্রি’ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছিল ১৯৭১ সালের এই রাত। এর আগ অবধি স্বাধীনতা কিভাবে অর্জিত হবে তা নিয়ে জাতীয় জীবনে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। বিষয়টি উঠে এসেছে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের স্মৃতিচারণামূলক ‘কালরাত্রির খণ্ডচিত
২৫ মার্চের গণহত্যার পক্ষে যেসব যুক্তি দিয়েছিল পাকিস্তানি শাসকেরা১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র, নিরপরাধ ও ঘুমন্ত সাধারণ বাঙালিদের ওপর যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা বিশ্বের ইতিহাসে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।
যে রিপোর্ট বিশ্বকে জানিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের ভয়াবহতানেটফ্লিক্সের কোনো স্পাই-থ্রিলার মুভি দেখার সময় আমরা ভাবি, ‘আরেহ! বাস্তবে কি এমনটা সম্ভব?’ কিন্তু ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ঘটেছিল এমনই এক ঘটনা। বাংলাদেশের মানচিত্র যখন রক্তে লাল, তখন একজন সাংবাদিককেও নামতে হয় এমনই এক ‘LIFE OR DEATH’ গেমে।