স্ট্রিম প্রতিবেদক

কর নথি অডিটে পড়ার তথ্য দিয়ে কর কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি ও প্রতারণার বিষয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (৫ জুলাই) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করদাতাদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে, এক শ্রেণির প্রতারক চক্র করদাতাদের কর নথি অডিটে পড়ার তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করছে। তারা অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে করদাতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক করার পাশাপাশি এনবিআর করদাতাদের কিছু তথ্যও দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এনবিআরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর নথি অডিট সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর বা কোনো অননুমোদিত মাধ্যমে যোগাযোগ করেন না। অডিটের জন্য ফাইল নির্বাচিত হলে তা আইনানুযায়ী কেবল আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে করদাতাকে জানানো হয়।
কর সংক্রান্ত যেকোনো বকেয়া কর বা ফি শুধু সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। করদাতার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অথবা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ নেওয়ার এখতিয়ার কোনো কর্মকর্তা রাখেন না।
এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোন কল, খুদে বার্তা বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপ কর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে (পুলিশ) অবহিত করা এবং প্রতারকের ফোন নম্বরটি সংরক্ষণের অনুরোধও করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, তারা করদাতাদের হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। কোনো অবস্থাতেই এই ধরনের প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

কর নথি অডিটে পড়ার তথ্য দিয়ে কর কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি ও প্রতারণার বিষয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (৫ জুলাই) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করদাতাদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে, এক শ্রেণির প্রতারক চক্র করদাতাদের কর নথি অডিটে পড়ার তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করছে। তারা অডিট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিংবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে করদাতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক করার পাশাপাশি এনবিআর করদাতাদের কিছু তথ্যও দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এনবিআরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর নথি অডিট সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর বা কোনো অননুমোদিত মাধ্যমে যোগাযোগ করেন না। অডিটের জন্য ফাইল নির্বাচিত হলে তা আইনানুযায়ী কেবল আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে করদাতাকে জানানো হয়।
কর সংক্রান্ত যেকোনো বকেয়া কর বা ফি শুধু সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। করদাতার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অথবা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ নেওয়ার এখতিয়ার কোনো কর্মকর্তা রাখেন না।
এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক ফোন কল, খুদে বার্তা বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপ কর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে (পুলিশ) অবহিত করা এবং প্রতারকের ফোন নম্বরটি সংরক্ষণের অনুরোধও করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, তারা করদাতাদের হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। কোনো অবস্থাতেই এই ধরনের প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
.png)

বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর করতে শিগগিরই পাওয়ার অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল এবং বর্তমান বাজার মনিটরিং অ্যাপকে আরও উন্নত ও কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে বাংলাদেশ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সফরে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ে যাতায়াত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এনবিআরের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের কর প্রশাসন-১ শাখা এই নির্দেশনা জারি করে।
০৩ জুলাই ২০২৬
২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রায় ২০ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার বড় ঘাটতি হয়েছে। তবে আগের বছরের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এসব তথ্য প্রকাশ করে।
০২ জুলাই ২০২৬