কর্মশালায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

বিলিয়ন ডলারের শিল্প হবে শিপব্রেকিং, মৃত্যু শূন্যে নামাতে চায় সরকার

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১২
ছবি: বাসস
ছবি: বাসস

আগামীতে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হবে জাহাজভাঙা শিল্পে। উন্নয়নের পাশপাশি এ খাতে মৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার। চট্টগ্রামে এক কর্মশালায় এ কথা বলেছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রাশেদুল ইসলাম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বন্দরনগরীর হোটেল আগ্রাবাদে ‘বাংলাদেশে টেকসই জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা কর্মসূচি: মারাত্মক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অন সাসটেইনেবল শিপ রিসাইক্লিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘শিল্পায়নের সঙ্গে ঝুঁকি রয়েছে। সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বর্তমান যুগে ঘরে বসেই শিল্পকারখানা, ইয়ার্ডের কার্যক্রম ক্যামেরায় দেখা যায়। প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। কম দামেই এখন ক্যামেরা পাওয়া যায়। ইন্টারইেঁ সংযোগ দিয়ে সেগুলো মোবাইলে দেখা যায়। এটি করতে পারলে নিজেরা দায়মুক্ত থাকবেন।’

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, ‘আমাদের জাহাজভাঙা শিল্প পুরোনো। গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ড হচ্ছে। শিল্প যান্ত্রিক দানবের মতো। একটু অসতর্ক হলেই বিপদ।’

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে বিপদের পরিমাণ আগের তুলনায় কমেছে। সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটল, তার জন্য আমাদের কোনো ধরনের মানসিক প্রস্তুতি ছিল না।’

কর্মশালায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মো. আসাদুজ্জামান কবির, জাইকার বিশেষজ্ঞ আকিরা ওকামোতো, জাইকার প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকৌশলী সৌমিক শরীফ দীপ্ত, বিএসবিআরএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য, বিভিন্ন শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের প্রতিনিধি, পরামর্শক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত