স্ট্রিম সংবাদদাতা

জামালপুরে গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া ‘বাংলা কিউআর’ হিসাব খোলার অভিযোগ উঠেছে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নিয়ম ভেঙে সঞ্চয়ী হিসাব ধারীদেরও বাংলা কিউআরে যুক্ত করা হচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, কিউআর হিসাব খোলায় সারা দেশে প্রথম হওয়ার জন্য ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখায় এই কাজ করা হচ্ছে। ছুটির দিনে কাজ করালেও কোনো ভাতা দেওয়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ করতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে লেনদেন করছেন।
সরেজমিন শনিবার সকালে জামালপুর শহর, মাদারগঞ্জ উপজেলাসহ একাধিক শাখায় এই চিত্র দেখা গেছে। জামালপুরে সোনালী ব্যাংকের ১৯টি শাখা। প্রত্যেক শাখায় দিনে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাহকের বাংলা কিউআর হিসাব খোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে প্রিন্সিপাল শাখা। এটি করতে গিয়েই কর্মীদের ছুটির দিনে কাজ করানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করে সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মী জানান, আগস্টের শুরু থেকে প্রতি শনিবার তাদের বিনা ভাতায় কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে এসব হিসাব খোলা হচ্ছে। এখানে না করার কোনো সুযোগ নেই। সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতেও বাংলা কিউআর খোলা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ গ্রাহক জানেন না, তাঁর নামে বাংলা কিউআর খোলা হচ্ছে। সারা দেশে সোনালী ব্যাংক প্রথম স্থান অর্জনের এমন করা হচ্ছে।

জামালপুর শহরের ঢাকাইপট্টি এলাকায় সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় দেখা যায়, মূল ফটকে তালা ঝুললেও ভবনের দ্বিতীয় তলায় কর্মীরা রয়েছেন। শহরের লম্বাগাছ এলাকার শাখায় গিয়ে ৮ থেকে ১০ কর্মীকে কাজ করতে দেখা যায়।
শাখাটির ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম জানান, কাজের চাপ থাকায় বন্ধের দিনে ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। গ্রাহকের আবেদনের মাধ্যমে কিউআর হিসাব খোলা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে ডিজিএমের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন শহিদুল।
বেলা ৩টার দিকে মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী বাজারের শাখায় মূল ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়। ভেতরে এসি ও লাইট চলার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বরত আনসার সদস্য প্রথমে সফটওয়্যার আপডেটের কথা বলেন। পরে তিনি জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী ভেতরে কিউআর কোডের হিসাব খোলা হচ্ছে।
তবে ব্যাংকটির প্রিন্সিপাল অফিসার আব্দুর রহিমের দাবি, ডাটা ক্লিনিংয়ের কাজ করছেন তারা।
শাখাটির ব্যবস্থাপক জহিরুল হক জানান, জিএম অফিসের নির্দেশে ছুটির দিনে কাজ চলছে। গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া হিসাব খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও জিএম অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
সোনালী ব্যাংকের জামালপুর কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এনামুল হককে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ হয়নি।

জামালপুরে গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া ‘বাংলা কিউআর’ হিসাব খোলার অভিযোগ উঠেছে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নিয়ম ভেঙে সঞ্চয়ী হিসাব ধারীদেরও বাংলা কিউআরে যুক্ত করা হচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, কিউআর হিসাব খোলায় সারা দেশে প্রথম হওয়ার জন্য ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখায় এই কাজ করা হচ্ছে। ছুটির দিনে কাজ করালেও কোনো ভাতা দেওয়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ করতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে লেনদেন করছেন।
সরেজমিন শনিবার সকালে জামালপুর শহর, মাদারগঞ্জ উপজেলাসহ একাধিক শাখায় এই চিত্র দেখা গেছে। জামালপুরে সোনালী ব্যাংকের ১৯টি শাখা। প্রত্যেক শাখায় দিনে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাহকের বাংলা কিউআর হিসাব খোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে প্রিন্সিপাল শাখা। এটি করতে গিয়েই কর্মীদের ছুটির দিনে কাজ করানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করে সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মী জানান, আগস্টের শুরু থেকে প্রতি শনিবার তাদের বিনা ভাতায় কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে এসব হিসাব খোলা হচ্ছে। এখানে না করার কোনো সুযোগ নেই। সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতেও বাংলা কিউআর খোলা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ গ্রাহক জানেন না, তাঁর নামে বাংলা কিউআর খোলা হচ্ছে। সারা দেশে সোনালী ব্যাংক প্রথম স্থান অর্জনের এমন করা হচ্ছে।

জামালপুর শহরের ঢাকাইপট্টি এলাকায় সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় দেখা যায়, মূল ফটকে তালা ঝুললেও ভবনের দ্বিতীয় তলায় কর্মীরা রয়েছেন। শহরের লম্বাগাছ এলাকার শাখায় গিয়ে ৮ থেকে ১০ কর্মীকে কাজ করতে দেখা যায়।
শাখাটির ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম জানান, কাজের চাপ থাকায় বন্ধের দিনে ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। গ্রাহকের আবেদনের মাধ্যমে কিউআর হিসাব খোলা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে ডিজিএমের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন শহিদুল।
বেলা ৩টার দিকে মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী বাজারের শাখায় মূল ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়। ভেতরে এসি ও লাইট চলার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বরত আনসার সদস্য প্রথমে সফটওয়্যার আপডেটের কথা বলেন। পরে তিনি জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী ভেতরে কিউআর কোডের হিসাব খোলা হচ্ছে।
তবে ব্যাংকটির প্রিন্সিপাল অফিসার আব্দুর রহিমের দাবি, ডাটা ক্লিনিংয়ের কাজ করছেন তারা।
শাখাটির ব্যবস্থাপক জহিরুল হক জানান, জিএম অফিসের নির্দেশে ছুটির দিনে কাজ চলছে। গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া হিসাব খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও জিএম অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
সোনালী ব্যাংকের জামালপুর কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এনামুল হককে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ হয়নি।
.png)

সাম্প্রতিক গ্যাস ও জ্বালানিসংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চান নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি এনার্জি সেক্টরে তিন মাসের রিজার্ভ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১৮ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট, ব্যবসার পরিচালন ব্যয়ে ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি কারণে আগে থেকেই চাপে রয়েছে বেসরকারি বিনিয়োগ খাত। এর ওপর আবার এই খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি সাড়ে তিন দশকের সর্বনিম্নে নেমেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।