স্ট্রিম প্রতিবেদক

উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে। এখান থেকে শুধু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর উদ্যোক্তারা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে এই তহবিল ঘোষণা করল। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ এই ঋণ কর্মসূচি থেকে ৪ শতাংশ সুদে তহবিল নিতে পারবে ঋণদাতা ব্যাংকগুলো।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দারিদ্র্য বিমোচনে উত্তরবঙ্গে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের আধুনিক ফসল-উত্তর ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণ অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা, বিশেষায়িত হিমাগারের অভাব এবং পর্যাপ্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই বাধাগুলো দূর করে সম্পূর্ণ কৃষি মূল্য শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়াতে এই ঋণ সহায়তা করা হচ্ছে।
কারা পাবেন ঋণ
এই ঋণের সুবিধা পাবেন মূলত রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে ফসল উৎপাদন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পালনের জন্য কৃষকেরা ঋণ পাবেন। কৃষিভিত্তিক কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (সিএমএসএমই) প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনের জন্য এই সুবিধা পাবেন।
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থায়ন সহজ করতে স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে সামাজিক বা দলগত জামানতের ভিত্তিতেও মিলবে ঋণ।
ঋণের আকার
তহবিলের ৩ হাজার কোটি টাকা চারটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতে বরাদ্দ ১৫ শতাংশ, কৃষি পণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে ৩৫, কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ৩৫ এবং কৃষি পণ্য রপ্তানি খাতে বরাদ্দ ১৫ শতাংশ।
এর মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতের জন্য ঋণ মিলবে ৩০ লাখ টাকা। কৃষি পণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও অবকাঠামো খাতের জন্য ৪০ কোটি, কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের জন্য ৪০ কোটি এবং কৃষিপণ্য ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের রপ্তানি খাতের জন্য ঋণ ১৫ কোটি টাকা। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকগুলো ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি বা কমাতে পারবে।
কৃষি উৎপাদন খাতের ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৮ মাস (৩ মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ)। অন্যান্য খাতের (সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি) জন্য মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩৬ মাস (৩ থেকে ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ)।
ঋণের অন্যান্য শর্ত
এই ঋণ শুধুমাত্র ‘নতুন ঋণ’ হিসেবে বিতরণ করতে হবে। কোনোভাবেই পুরোনো ঋণ সমন্বয় বা খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই ঋণের অযোগ্য হবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত চার্জ ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য কোনো ফি বা চার্জ আদায় করা যাবে না।

উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে। এখান থেকে শুধু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর উদ্যোক্তারা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে এই তহবিল ঘোষণা করল। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ এই ঋণ কর্মসূচি থেকে ৪ শতাংশ সুদে তহবিল নিতে পারবে ঋণদাতা ব্যাংকগুলো।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দারিদ্র্য বিমোচনে উত্তরবঙ্গে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের আধুনিক ফসল-উত্তর ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণ অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা, বিশেষায়িত হিমাগারের অভাব এবং পর্যাপ্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই বাধাগুলো দূর করে সম্পূর্ণ কৃষি মূল্য শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়াতে এই ঋণ সহায়তা করা হচ্ছে।
কারা পাবেন ঋণ
এই ঋণের সুবিধা পাবেন মূলত রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে ফসল উৎপাদন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পালনের জন্য কৃষকেরা ঋণ পাবেন। কৃষিভিত্তিক কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (সিএমএসএমই) প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনের জন্য এই সুবিধা পাবেন।
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থায়ন সহজ করতে স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে সামাজিক বা দলগত জামানতের ভিত্তিতেও মিলবে ঋণ।
ঋণের আকার
তহবিলের ৩ হাজার কোটি টাকা চারটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতে বরাদ্দ ১৫ শতাংশ, কৃষি পণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে ৩৫, কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ৩৫ এবং কৃষি পণ্য রপ্তানি খাতে বরাদ্দ ১৫ শতাংশ।
এর মধ্যে কৃষি উৎপাদন খাতের জন্য ঋণ মিলবে ৩০ লাখ টাকা। কৃষি পণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও অবকাঠামো খাতের জন্য ৪০ কোটি, কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের জন্য ৪০ কোটি এবং কৃষিপণ্য ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের রপ্তানি খাতের জন্য ঋণ ১৫ কোটি টাকা। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকগুলো ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি বা কমাতে পারবে।
কৃষি উৎপাদন খাতের ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৮ মাস (৩ মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ)। অন্যান্য খাতের (সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি) জন্য মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩৬ মাস (৩ থেকে ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ)।
ঋণের অন্যান্য শর্ত
এই ঋণ শুধুমাত্র ‘নতুন ঋণ’ হিসেবে বিতরণ করতে হবে। কোনোভাবেই পুরোনো ঋণ সমন্বয় বা খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই ঋণের অযোগ্য হবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত চার্জ ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য কোনো ফি বা চার্জ আদায় করা যাবে না।
.png)

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ভরি পড়বে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা।
২১ জুলাই ২০২৬
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উৎসে কর মনিটরিং ও যাচাইকরণ জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সোমবার (২০ জুলাই) বিবৃতিতে এই কথা জানায় সংগঠনটি।
২০ জুলাই ২০২৬
চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশে নেমেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হিসাবে প্রবৃদ্ধি হ্রাসের এই চিত্র উঠে এসেছে।
২০ জুলাই ২০২৬
দেশব্যাপী বিভিন্ন পণ্যের উৎসে কর আদায় পর্যবেক্ষণ ও যাচাই কার্যক্রম জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলগুলোতে বিশেষ দল এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
১৯ জুলাই ২০২৬