চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ ইকোনমিক জোনের প্রস্তাব মিডার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২৩: ১৪
মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (মিডা) লোগো।

দেশের চিংড়ি খাতের রপ্তানি বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ ইকোনমিক জোন গঠনের প্রস্তাব করেছে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)।

রোববার (৩ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) কার্যালয়ে এক সভায় মিডা এই প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাবিত এই ইকোনমিক জোনে হ্যাচারি, ফিড মিল, ল্যাবরেটরি, আধুনিক খামার এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা থাকবে। এর মাধ্যমে বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা, রিয়েল টাইম মনিটরিং ও পণ্যের পূর্ণ ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করা হবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বছরে অন্তত তিনটি উৎপাদন চক্র সম্পন্ন করা এবং ৮৫ শতাংশের বেশি উৎপাদন হার নিশ্চিত করা।

সভায় জানানো হয়, দেশের মৎস্য খাতের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে চিংড়ি থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি খাতের আয়ের প্রায় ৭৬ শতাংশই ছিল চিংড়ির অবদান, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেড়ে ২৯৬ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিনিয়োগকারীদের এই সম্ভাবনাময় খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে আরও বৈঠক করা হবে।

মিডার পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে (ইনডোর) আধুনিক প্রযুক্তিতে চিংড়ি চাষ বাড়াতে হবে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগবালাই কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

সম্পর্কিত