চবিতে দ্বিতীয় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি শুরু

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ১০
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শুরু হয়েছে ২য় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শুরু হয়েছে ২য় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী এ জাতীয় আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫০০-এর অধিক অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করছেন।

নিলস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টার ও লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট বাংলাদেশ (এলইবি) যৌথভাবে এ আয়োজন করেছে। এর লক্ষ্য অংশগ্রহণকারীদের আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, সংসদীয় বিতর্ক, আইনি বিশ্লেষণ এবং আইন ও সুশাসন–সম্পর্কিত সমসাময়িক বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়া।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ।

অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নিলস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ শামসুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক ও অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান।

এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি। ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতীয় নিলস-এলইবি ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি। ছবি: সংগৃহীত

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রথম দিনে ব্যক্তিগত নীতিপত্র উপস্থাপন, বক্তাদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর, আন্তসংসদীয় প্রশ্নোত্তর এবং প্রস্তাবিত নীতি ও সংশোধনী নিয়ে আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শনের পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং কার্যক্রমেও অংশ নেন। সন্ধ্যায় ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আয়োজকদের মতে, মডেল আইনসভার মাধ্যমে তরুণ অংশগ্রহণকারীদের আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, সংসদীয় কার্যপ্রণালি, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক, আইনি যুক্তি ও জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আয়োজকেরা বলছেন, এটি কেবল প্রচলিত অর্থে একটি আইনসভা সিমুলেশন নয় বরং তরুণদের নেতৃত্ব, গবেষণা, আইনি যুক্তি, জনসমক্ষে বক্তব্য, নীতিনির্ধারণ ও সমালোচনামূলক চিন্তার দক্ষতা বিকাশের একটি জাতীয় উদ্যোগ।

আজ (২৯ আগস্ট) দ্বিতীয় দিনে প্রস্তাবিত সংশোধনী উপস্থাপন, সংশোধনী নিয়ে সমালোচনামূলক পর্যালোচনা ও আলোচনা, সংশোধিত খসড়া বিলের ওপর ভোট প্রদান এবং বিল আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত