এক্সপ্লেইনার
কাজী নিশাত তাবাসসুম

বিমানের বহর বাড়াতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে বড় চুক্তিতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে—বোয়িং ও এয়ারবাস আসলে কী? কেনই বা সরকার বোয়িংকে বেছে নিচ্ছে?
বিশ্বের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ বা বড় যাত্রীবাহী বিমান তৈরির বাজারে একচেটিয়া রাজত্ব করছে দুটি প্রতিষ্ঠান—বোয়িং ও এয়ারবাস।
বোয়িং হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বহুজাতিক কোম্পানি। শুধু যাত্রীবাহী বিমানই নয়, তারা সামরিক সরঞ্জাম এবং মহাকাশ প্রযুক্তিও তৈরি করে। তাদের জনপ্রিয় কিছু মডেল হলো ৭৩৭, ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৭৭৭।
অন্যদিকে এয়ারবাস হচ্ছে ইউরোপভিত্তিক কনসোর্টিয়াম। ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রচেষ্টায় এটি পরিচালিত হয়। তাদের জনপ্রিয় মডেলগুলোর মধ্যে এ৩২০ এবং এ৩৫০ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তারা সাধারণত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ী উড়োজাহাজের জন্য পরিচিত।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিমান পরিবহন খাত শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, এটি বৈদেশিক আয়ের অন্যতম উৎস। প্রবাসী শ্রমিক, পর্যটন, কার্গো পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই শক্তিশালী বিমান বহর প্রয়োজন। পুরোনো উড়োজাহাজ দিয়ে এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই নতুন প্রজন্মের জ্বালানি সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর উড়োজাহাজ কেনা জরুরি হয়ে পড়ে।
যেকোনো দেশের সরকার যখন বোয়িং বা এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার কথা ভাবে, তখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নেয়। যেমন: খরচ ও অর্থনৈতিক সুবিধা, জ্বালানি দক্ষতা, রুট ও অপারেশনাল প্রয়োজন, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা।
উড়োজাহাজ কেনা একটি ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত। শুধু ক্রয়মূল্য নয়, রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় বিবেচনা করতে হয়। সাধারণত এয়ারবাসের কিছু মডেলের জ্বালানি তুলনামূলক সাশ্রয়ী। ফলে অপারেশনাল খরচ কিছুটা কম। আবার বোয়িংয়ের নির্দিষ্ট মডেল দীর্ঘ রুটে বেশি কার্যকর। বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি খরচ বিমান সংস্থার সবচেয়ে বড় ব্যয়ের একটি অংশ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এয়ারবাসের নতুন মডেলগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ে এগিয়ে। তবে বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনারও জ্বালানি দক্ষতার জন্য পরিচিত।
দেশের বিমান সংস্থা কোন ধরনের রুটে বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করবে (স্বল্প না দীর্ঘ দূরত্ব) তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্প দূরত্বের জন্য এ৩২০ বা বোয়িং ৭৩৭ জনপ্রিয়, আর দীর্ঘ দূরত্বের জন্য এ৩৫০ বা ৭৮৭ বেশি কার্যকর। একটি নতুন ব্র্যান্ডের উড়োজাহাজ কিনলে পাইলট, প্রকৌশলী ও গ্রাউন্ড স্টাফদের নতুন করে প্রশিক্ষণ দিতে হয়। যদি আগে থেকেই কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির উড়োজাহাজ বহরে থাকে, তাহলে খরচ ও সময় দুটোই সাশ্রয়ী হতে পারে।
উড়োজাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা সর্বাগ্রে। অতীতে কিছু দুর্ঘটনা বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বোয়িং ও এয়ারবাস উভয়ই সমালোচনার মুখে পড়েছে। ২০২৫ সালের মাইলস্টোন ট্রাজেডি তার একটি উদাহরণ। তাই সাম্প্রতিক নিরাপত্তা রেকর্ড বিশ্লেষণ করাও জরুরি।
বোয়িং দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববাজারে প্রভাবশালী। তাদের বিমানের পারফরম্যান্স, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে, অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচিত। অনেক দেশের উড়োজাহাজ সংস্থা বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে রয়েছে, যা যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা সহজ করে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রেও বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনা একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অন্যদিকে এয়ারবাস প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও জ্বালানি দক্ষতায় এগিয়ে। তাদের ককপিট ডিজাইন ও ফ্লাই-বাই-ওয়্যার প্রযুক্তি পাইলটদের জন্য তুলনামূলক সহজ বলে মনে করা হয়। ফলে প্রশিক্ষণ সময় কম লাগে এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়ে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এয়ারবাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে।
উড়োজাহাজ কেনা শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। অনেক সময় বড় শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে সরকারকে অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কূটনীতির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হয়।
বিমান বাংলাদেশের জনসংযোগ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় বিমান মোট ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে বহর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘ রুটে সক্ষমতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
বিমানের এই বড় আকারের ক্রয়াদেশ নিয়ে গত ৩ বছর ধরে বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল বলেও জানান বিমানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করল সরকার।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০টি এয়ারবাস কেনার একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর কৌশলগত চাপে অন্তর্বর্তী সরকার বোয়িংয়ের পক্ষেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। ২০৪১ সালের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র জানায়, বোয়িংয়ের কাছ থেকে প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবরে আসার কথা রয়েছে এবং বাকিগুলো ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে হস্তান্তরের সম্ভাবনা আছে।

বিমানের বহর বাড়াতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে বড় চুক্তিতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে—বোয়িং ও এয়ারবাস আসলে কী? কেনই বা সরকার বোয়িংকে বেছে নিচ্ছে?
বিশ্বের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ বা বড় যাত্রীবাহী বিমান তৈরির বাজারে একচেটিয়া রাজত্ব করছে দুটি প্রতিষ্ঠান—বোয়িং ও এয়ারবাস।
বোয়িং হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বহুজাতিক কোম্পানি। শুধু যাত্রীবাহী বিমানই নয়, তারা সামরিক সরঞ্জাম এবং মহাকাশ প্রযুক্তিও তৈরি করে। তাদের জনপ্রিয় কিছু মডেল হলো ৭৩৭, ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৭৭৭।
অন্যদিকে এয়ারবাস হচ্ছে ইউরোপভিত্তিক কনসোর্টিয়াম। ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রচেষ্টায় এটি পরিচালিত হয়। তাদের জনপ্রিয় মডেলগুলোর মধ্যে এ৩২০ এবং এ৩৫০ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তারা সাধারণত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ী উড়োজাহাজের জন্য পরিচিত।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিমান পরিবহন খাত শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, এটি বৈদেশিক আয়ের অন্যতম উৎস। প্রবাসী শ্রমিক, পর্যটন, কার্গো পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই শক্তিশালী বিমান বহর প্রয়োজন। পুরোনো উড়োজাহাজ দিয়ে এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই নতুন প্রজন্মের জ্বালানি সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর উড়োজাহাজ কেনা জরুরি হয়ে পড়ে।
যেকোনো দেশের সরকার যখন বোয়িং বা এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার কথা ভাবে, তখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় নেয়। যেমন: খরচ ও অর্থনৈতিক সুবিধা, জ্বালানি দক্ষতা, রুট ও অপারেশনাল প্রয়োজন, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা।
উড়োজাহাজ কেনা একটি ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত। শুধু ক্রয়মূল্য নয়, রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় বিবেচনা করতে হয়। সাধারণত এয়ারবাসের কিছু মডেলের জ্বালানি তুলনামূলক সাশ্রয়ী। ফলে অপারেশনাল খরচ কিছুটা কম। আবার বোয়িংয়ের নির্দিষ্ট মডেল দীর্ঘ রুটে বেশি কার্যকর। বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি খরচ বিমান সংস্থার সবচেয়ে বড় ব্যয়ের একটি অংশ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এয়ারবাসের নতুন মডেলগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ে এগিয়ে। তবে বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনারও জ্বালানি দক্ষতার জন্য পরিচিত।
দেশের বিমান সংস্থা কোন ধরনের রুটে বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করবে (স্বল্প না দীর্ঘ দূরত্ব) তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্প দূরত্বের জন্য এ৩২০ বা বোয়িং ৭৩৭ জনপ্রিয়, আর দীর্ঘ দূরত্বের জন্য এ৩৫০ বা ৭৮৭ বেশি কার্যকর। একটি নতুন ব্র্যান্ডের উড়োজাহাজ কিনলে পাইলট, প্রকৌশলী ও গ্রাউন্ড স্টাফদের নতুন করে প্রশিক্ষণ দিতে হয়। যদি আগে থেকেই কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির উড়োজাহাজ বহরে থাকে, তাহলে খরচ ও সময় দুটোই সাশ্রয়ী হতে পারে।
উড়োজাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা সর্বাগ্রে। অতীতে কিছু দুর্ঘটনা বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বোয়িং ও এয়ারবাস উভয়ই সমালোচনার মুখে পড়েছে। ২০২৫ সালের মাইলস্টোন ট্রাজেডি তার একটি উদাহরণ। তাই সাম্প্রতিক নিরাপত্তা রেকর্ড বিশ্লেষণ করাও জরুরি।
বোয়িং দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববাজারে প্রভাবশালী। তাদের বিমানের পারফরম্যান্স, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে, অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচিত। অনেক দেশের উড়োজাহাজ সংস্থা বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে রয়েছে, যা যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা সহজ করে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রেও বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনা একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অন্যদিকে এয়ারবাস প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও জ্বালানি দক্ষতায় এগিয়ে। তাদের ককপিট ডিজাইন ও ফ্লাই-বাই-ওয়্যার প্রযুক্তি পাইলটদের জন্য তুলনামূলক সহজ বলে মনে করা হয়। ফলে প্রশিক্ষণ সময় কম লাগে এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়ে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এয়ারবাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে।
উড়োজাহাজ কেনা শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। অনেক সময় বড় শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে সরকারকে অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কূটনীতির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হয়।
বিমান বাংলাদেশের জনসংযোগ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় বিমান মোট ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে বহর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘ রুটে সক্ষমতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
বিমানের এই বড় আকারের ক্রয়াদেশ নিয়ে গত ৩ বছর ধরে বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল বলেও জানান বিমানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করল সরকার।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০টি এয়ারবাস কেনার একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর কৌশলগত চাপে অন্তর্বর্তী সরকার বোয়িংয়ের পক্ষেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। ২০৪১ সালের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র জানায়, বোয়িংয়ের কাছ থেকে প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবরে আসার কথা রয়েছে এবং বাকিগুলো ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে হস্তান্তরের সম্ভাবনা আছে।
.png)

বরাবরের মতো এবারও এসএসসির ফলে চমক দেখিয়েছে মেয়েরা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে প্রায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হিসাবেও একই চিত্র। ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জনই ছাত্রী।
১০ আগস্ট ২০২৬
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে একটি সংখ্যা নিয়ে—৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে এবার পাসের হার নেমে এসেছে প্রায় ছয় শতাংশীয় পয়েন্ট নিচে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাতেও ধস নেমেছে।
১০ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ইতিহাস, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পুরনো নীতি। দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অতীতে ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন। দেখে নেওয়া যাক, কারা তাঁরা?
০৯ আগস্ট ২০২৬
দুই দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকলেও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি মিয়ানমার–বাংলাদেশ–ভারত গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প। এবার সেই উদ্যোগ আবারও নতুন করে সামনে এসেছে। জ্বালানি সংকট, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির চাপের মধ্যে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্য
০৯ আগস্ট ২০২৬