লেখা:

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ধরনের চমক দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৯৬টিতেই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৯১টি আসনে এগিয়ে আছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, বিজেপির এই বিশাল সাফল্যের পেছনে মূলত পাঁচটি কারণ কাজ করেছে। এর মধ্যে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বা মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পাশাপাশি, সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) এবং পেনশনের প্রতিশ্রুতিও বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া, কেন্দ্র সরকারের মাধ্যমে উন্নয়নের বার্তাও ভোটের মাঠে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
বিজেপির সাফল্যের পেছনে যে পাঁচ কারণ—
গত মাসে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করার উদ্যোগ নেয়। এই উদ্যোগ বিজেপির জয়ে অনেক সাহায্য করেছে। বিরোধী দলগুলোকে ‘নারী-বিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরার যে বয়ান বিজেপি তৈরি করেছিল, তা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে।
বিজেপির মতে, এবার অন্তত ৫ শতাংশ নারী ভোট বিজেপির দিকে বেশি এসেছে। সংশোধিত ভোটার তালিকার (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন ‘এসআইআর’) হিসাব দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। এই তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ কোটি ২৮ লক্ষ। আর নারী ভোটার হলেন ৩ কোটি ১৬ লক্ষ। যদি আমরা ২০২১ সালের হিসাব দেখি, তখন পুরুষ ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৭৪ লক্ষ এবং নারী ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ।
২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ৪৮.০২ শতাংশ ভোট। বিজেপি পেয়েছিল ৩৮.১ শতাংশ এবং কংগ্রেস পেয়েছিল ১০ শতাংশ। কিন্তু এবারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা বিজেপিকে মন খুলে সমর্থন করেছেন। এটাই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
দিল্লির মতো পশ্চিমবঙ্গেও প্রচুর সরকারি কর্মচারী আছেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করে আসছিলেন। রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন চালুর বড় দাবি ছিল। এই দাবিটি প্রায় ২০ থেকে ৫০ লক্ষ ভোটারের মনে প্রভাব ফেলেছে। এই ভোটারদের মধ্যে আছেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা। পাশাপাশি আছে চাকরিr খোঁজে থাকা তরুণ প্রজন্মও। নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নামে যে ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল তা ভালো কাজে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করা হবে এবং সরকারি শূন্যপদগুলো পূরণ করা হবে।
আরও একটি বিষয় হলো ‘সার্ভিস ভোটার’ বা যারা কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এই ভোটারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তামিলনাড়ুতে এই সংখ্যা ৬৭ হাজার, আসামে ৬৩ হাজার এবং কেরালায় ৫৪ হাজার। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সার্ভিস ভোটার প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার। বিজেপি খুব সহজেই এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের সমর্থন নিজেদের দিকে টানতে পেরেছে।
তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে কেন্দ্রের অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ঠিকমতো চালু হয়নি। তাছাড়া রাজ্যে শিল্প ও পরিকাঠামোরও অভাব রয়েছে। এই বিষয়গুলোকে হাতিয়ার করে বিজেপি জোরালো প্রচার চালায়। ২০২৫ সালের দিল্লি নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে যেমন প্রচার হয়েছিল, এখানেও তাই হয়। এখানে ‘মোদী বনাম মমতা’ বা মোদীর সঙ্গে মমতার একটি সরাসরি লড়াইয়ের আবহ তৈরি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিটি জনসভাতেই কেন্দ্র সরকারের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার এই প্রতিশ্রুতি মধ্যবিত্ত এবং নতুন প্রজন্মের ভোটারদের বেশ আকর্ষণ করেছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে এবার ৫ লক্ষ ২৩ হাজার নতুন ভোটার ছিলেন। এছাড়া ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। এই তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে বিজেপি মাঠে-ময়দানে ও সোশ্যাল মিডিয়াতে সুপরিকল্পিত প্রচার চালায়।
পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী সহিংসতার জন্য পরিচিত। কিন্তু এবার আরএসএস সাধারণ ভোটারদের নিজেদের পক্ষে একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছে। এবার রাজ্যে অনেক বেশি পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী (সিইপিএফ) মোতায়েন করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশনার ফলে ভোট গোনার পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়। ইভিএম পাহারার জন্য আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী মজুত ছিল। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া নিরাপত্তার এই আশ্বাস ভোটারদের ভরসা জুগিয়েছে।
এর পাশাপাশি ‘আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড’-এর মতো ঘটনার প্রভাব কাজ করেছে। ওই ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের মনে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়। ফলে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হাওয়া বা মানুষের ক্ষোভ আরও প্রবল হয়।
নির্বাচনের আগে বিশেষভাবে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল। একে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বলা হয়। বিজেপি মনে করে, এই সংশোধনের ফলে এবার শুধু সত্যিকারের বা বৈধ ভোটাররাই ভোট দিতে পেরেছেন। বিজেপি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে জোর প্রচার করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, ভোটার তালিকায় অনেক ভুল বা গরমিল আছে এবং পুরোনো তালিকায় প্রচুর বহিরাগত ঢুকে আছে।
বিজেপির এই দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন তালিকা থেকে প্রায় ২৭ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ দেয়। তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা তা আটকাতে ব্যর্থ হন। তবে এত নাম বাদ যাওয়ার পরেও বিভিন্ন কারণে এবার ভোট বেশি পড়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার রাজ্যে ৩০ লক্ষেরও বেশি ভোট পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বাড়তি ভোটগুলো বিজেপির পক্ষেই গেছে। উপরের এই পাঁচ কারণেই মূলত এবার পশ্চিমবঙ্গ মমতার হাতছাড়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ধরনের চমক দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৯৬টিতেই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৯১টি আসনে এগিয়ে আছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, বিজেপির এই বিশাল সাফল্যের পেছনে মূলত পাঁচটি কারণ কাজ করেছে। এর মধ্যে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বা মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পাশাপাশি, সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) এবং পেনশনের প্রতিশ্রুতিও বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া, কেন্দ্র সরকারের মাধ্যমে উন্নয়নের বার্তাও ভোটের মাঠে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
বিজেপির সাফল্যের পেছনে যে পাঁচ কারণ—
গত মাসে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করার উদ্যোগ নেয়। এই উদ্যোগ বিজেপির জয়ে অনেক সাহায্য করেছে। বিরোধী দলগুলোকে ‘নারী-বিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরার যে বয়ান বিজেপি তৈরি করেছিল, তা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে।
বিজেপির মতে, এবার অন্তত ৫ শতাংশ নারী ভোট বিজেপির দিকে বেশি এসেছে। সংশোধিত ভোটার তালিকার (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন ‘এসআইআর’) হিসাব দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। এই তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ কোটি ২৮ লক্ষ। আর নারী ভোটার হলেন ৩ কোটি ১৬ লক্ষ। যদি আমরা ২০২১ সালের হিসাব দেখি, তখন পুরুষ ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৭৪ লক্ষ এবং নারী ভোটার ছিলেন ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ।
২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ৪৮.০২ শতাংশ ভোট। বিজেপি পেয়েছিল ৩৮.১ শতাংশ এবং কংগ্রেস পেয়েছিল ১০ শতাংশ। কিন্তু এবারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা বিজেপিকে মন খুলে সমর্থন করেছেন। এটাই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
দিল্লির মতো পশ্চিমবঙ্গেও প্রচুর সরকারি কর্মচারী আছেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করে আসছিলেন। রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন চালুর বড় দাবি ছিল। এই দাবিটি প্রায় ২০ থেকে ৫০ লক্ষ ভোটারের মনে প্রভাব ফেলেছে। এই ভোটারদের মধ্যে আছেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা। পাশাপাশি আছে চাকরিr খোঁজে থাকা তরুণ প্রজন্মও। নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নামে যে ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল তা ভালো কাজে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করা হবে এবং সরকারি শূন্যপদগুলো পূরণ করা হবে।
আরও একটি বিষয় হলো ‘সার্ভিস ভোটার’ বা যারা কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এই ভোটারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তামিলনাড়ুতে এই সংখ্যা ৬৭ হাজার, আসামে ৬৩ হাজার এবং কেরালায় ৫৪ হাজার। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সার্ভিস ভোটার প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার। বিজেপি খুব সহজেই এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের সমর্থন নিজেদের দিকে টানতে পেরেছে।
তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে কেন্দ্রের অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ঠিকমতো চালু হয়নি। তাছাড়া রাজ্যে শিল্প ও পরিকাঠামোরও অভাব রয়েছে। এই বিষয়গুলোকে হাতিয়ার করে বিজেপি জোরালো প্রচার চালায়। ২০২৫ সালের দিল্লি নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে যেমন প্রচার হয়েছিল, এখানেও তাই হয়। এখানে ‘মোদী বনাম মমতা’ বা মোদীর সঙ্গে মমতার একটি সরাসরি লড়াইয়ের আবহ তৈরি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিটি জনসভাতেই কেন্দ্র সরকারের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার এই প্রতিশ্রুতি মধ্যবিত্ত এবং নতুন প্রজন্মের ভোটারদের বেশ আকর্ষণ করেছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে এবার ৫ লক্ষ ২৩ হাজার নতুন ভোটার ছিলেন। এছাড়া ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। এই তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে বিজেপি মাঠে-ময়দানে ও সোশ্যাল মিডিয়াতে সুপরিকল্পিত প্রচার চালায়।
পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী সহিংসতার জন্য পরিচিত। কিন্তু এবার আরএসএস সাধারণ ভোটারদের নিজেদের পক্ষে একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছে। এবার রাজ্যে অনেক বেশি পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী (সিইপিএফ) মোতায়েন করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশনার ফলে ভোট গোনার পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়। ইভিএম পাহারার জন্য আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী মজুত ছিল। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া নিরাপত্তার এই আশ্বাস ভোটারদের ভরসা জুগিয়েছে।
এর পাশাপাশি ‘আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড’-এর মতো ঘটনার প্রভাব কাজ করেছে। ওই ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের মনে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়। ফলে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী হাওয়া বা মানুষের ক্ষোভ আরও প্রবল হয়।
নির্বাচনের আগে বিশেষভাবে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল। একে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বলা হয়। বিজেপি মনে করে, এই সংশোধনের ফলে এবার শুধু সত্যিকারের বা বৈধ ভোটাররাই ভোট দিতে পেরেছেন। বিজেপি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে জোর প্রচার করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, ভোটার তালিকায় অনেক ভুল বা গরমিল আছে এবং পুরোনো তালিকায় প্রচুর বহিরাগত ঢুকে আছে।
বিজেপির এই দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন তালিকা থেকে প্রায় ২৭ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ দেয়। তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা তা আটকাতে ব্যর্থ হন। তবে এত নাম বাদ যাওয়ার পরেও বিভিন্ন কারণে এবার ভোট বেশি পড়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার রাজ্যে ৩০ লক্ষেরও বেশি ভোট পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বাড়তি ভোটগুলো বিজেপির পক্ষেই গেছে। উপরের এই পাঁচ কারণেই মূলত এবার পশ্চিমবঙ্গ মমতার হাতছাড়া হয়েছে।

তাঁর নামের মধ্যেই রয়েছে ‘জয়’। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’ তামিলনাড়ুর ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত ১০০-রও বেশি আসনে এগিয়ে থেকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কারণ এর মূল কাজ হলো সমাজের দর্পণ হয়ে তথ্য তুলে ধরা, সত্য যাচাই করা এবং জনস্বার্থে প্রশ্ন তোলা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, মূলধারার অনেক গণমাধ্যমই ধীরে ধীরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ থেকে সরে গিয়ে পপুলার কালচার বা বিনোদনকেন্দ্রিক কনটেন্টের দিকে ঝুঁকছে।
১ দিন আগে
স্থান নিউইয়র্ক। নিউইয়র্ক টাইমসের অফিস। সময় ১৯৭১ সালের জুনের প্রচণ্ড গরমের এক সন্ধ্যা। পত্রিকার নিউজরুমে তখন প্রবল উত্তেজনা। উত্তেজনার কারণ গুপ্তধনের মতো পাওয়া কিছু গোপন দলিল। তাতে ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সরকারের লুকানো সত্য লেখা।
১ দিন আগে
অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে তারেক রহমান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের আড়াই মাসের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে– সরকার আসলে চলছে ‘সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র’ নীতিতে।
২ দিন আগে