সর্বনিম্ন পরিমাণ ১০ হাজার, সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার
স্ট্রিম ডেস্ক

পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে চালু করা ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই বন্ড আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) থেকে কার্যকর হবে। পর্যটন (বি-২) ও ব্যবসায়িক (বি-১) ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তার নির্ধারিত ১০ বা ২০ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে আবেদনকারীদের।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এক বছরের পর্যালোচনায় ভিসা বন্ড কর্মসূচি কার্যকর বলে প্রমাণ মিলেছে। তাই এটি স্থায়ী করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও দেশ যুক্ত হতে পারে।
এখন পর্যন্ত পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় বন্ডের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই অর্থ নির্ধারণ করতেন। নতুন নিয়মে ১০ হাজার ও ২০ হাজার ডলার— এই দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে।
ব্যবসা ও পর্যটনের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এই দুই ধরনের ভিসা দেওয়া হয়। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর আবেদনকারীদের ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড জমা দিতে হবে। ভিসা না পেলে বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ভিসার শর্ত মেনে চললে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
নতুন নিয়মে ভিসা বন্ড কর্মসূচির স্থায়ী তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। এতে পর্যটন (বি-২) ও ব্যবসায়িক (বি-১) ভিসার নির্দিষ্ট আবেদনকারীদের প্রয়োজন অনুসারে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করে দিতে পারবেন মার্কিন কনস্যুলার কর্মকর্তারা। অর্থাৎ আবেদনকারীর ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৪৮ হাজার বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ ও বি-২ ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে ২৭ হাজার ৮৪০টি। মোট আবেদনের প্রায় ৪২ শতাংশ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, যা বৈশ্বিক গড় প্রত্যাখ্যানের হার ২৬ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
ভিসা আবেদন মূল্যায়নের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা এবং নির্ধারিত সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই কারণে চাকরির প্রমাণ, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ছুটির অনুমোদন, অন্তত ছয় মাসের ধারাবাহিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং দেশে স্থায়ী সম্পদের নথি আবেদন মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ব্যাংক হিসাবেও শুধু বড় অঙ্কের অর্থ থাকলে হয় না। কর্মকর্তারা সেই অর্থের উৎস ও ধারাবাহিকতা যাচাই করেন। উদাহরণ হিসেবে, ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে নিয়মিত ৮০ হাজার টাকা জমা হওয়ার হিসাব আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতার শক্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
অন্যদিকে, আবেদন করার কয়েক দিন আগে একবারে ছয় লাখ টাকা জমা হলেও ধারাবাহিক আয়ের প্রমাণ না মেলায় সেটি একইভাবে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। মূলত আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নিজের ব্যয় বৈধভাবে বহন করতে পারবেন বলে নিশ্চিত হতে চায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের অবৈধভাবে কাজ করা ঠেকাতেই ভিসা বন্ড কর্মসূচি চালু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বনিম্ন বন্ডের পরিমাণ ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিকিৎসা, ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক সফরে যুক্তরাষ্ট্র যেতে ইচ্ছুক অনেকের জন্য এত বড় অঙ্কের অর্থ বন্ড দেওয়া কঠিন হবে।
ভিসার শর্ত মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তবু এত বড় অঙ্কের অর্থ দীর্ঘ সময় আটকে থাকা অনেক আবেদনকারীর জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তারা।
অবৈধ অভিবাসন কমানো এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের হিসাবে, ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে থেকে যাওয়া একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও ফেরত পাঠাতে সরকারের প্রায় ১৮ হাজার ডলার খরচ হয়।
আফ্রিকার অধিকাংশ দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানও নতুন নিয়মের আওতায় রয়েছে। ফলে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে বন্ড জমা দেওয়া এখন স্থায়ী শর্ত হয়ে গেল। এতে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত যাতায়াতকারী বা ভবিষ্যতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও পরিবারগুলো প্রভাবিত হতে পারেন।

পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে চালু করা ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই বন্ড আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) থেকে কার্যকর হবে। পর্যটন (বি-২) ও ব্যবসায়িক (বি-১) ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তার নির্ধারিত ১০ বা ২০ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে আবেদনকারীদের।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এক বছরের পর্যালোচনায় ভিসা বন্ড কর্মসূচি কার্যকর বলে প্রমাণ মিলেছে। তাই এটি স্থায়ী করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই তালিকায় আরও দেশ যুক্ত হতে পারে।
এখন পর্যন্ত পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় বন্ডের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই অর্থ নির্ধারণ করতেন। নতুন নিয়মে ১০ হাজার ও ২০ হাজার ডলার— এই দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে।
ব্যবসা ও পর্যটনের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এই দুই ধরনের ভিসা দেওয়া হয়। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর আবেদনকারীদের ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড জমা দিতে হবে। ভিসা না পেলে বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ভিসার শর্ত মেনে চললে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
নতুন নিয়মে ভিসা বন্ড কর্মসূচির স্থায়ী তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। এতে পর্যটন (বি-২) ও ব্যবসায়িক (বি-১) ভিসার নির্দিষ্ট আবেদনকারীদের প্রয়োজন অনুসারে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করে দিতে পারবেন মার্কিন কনস্যুলার কর্মকর্তারা। অর্থাৎ আবেদনকারীর ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৪৮ হাজার বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ ও বি-২ ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে ২৭ হাজার ৮৪০টি। মোট আবেদনের প্রায় ৪২ শতাংশ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, যা বৈশ্বিক গড় প্রত্যাখ্যানের হার ২৬ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
ভিসা আবেদন মূল্যায়নের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা এবং নির্ধারিত সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই কারণে চাকরির প্রমাণ, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ছুটির অনুমোদন, অন্তত ছয় মাসের ধারাবাহিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং দেশে স্থায়ী সম্পদের নথি আবেদন মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ব্যাংক হিসাবেও শুধু বড় অঙ্কের অর্থ থাকলে হয় না। কর্মকর্তারা সেই অর্থের উৎস ও ধারাবাহিকতা যাচাই করেন। উদাহরণ হিসেবে, ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে নিয়মিত ৮০ হাজার টাকা জমা হওয়ার হিসাব আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতার শক্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
অন্যদিকে, আবেদন করার কয়েক দিন আগে একবারে ছয় লাখ টাকা জমা হলেও ধারাবাহিক আয়ের প্রমাণ না মেলায় সেটি একইভাবে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। মূলত আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নিজের ব্যয় বৈধভাবে বহন করতে পারবেন বলে নিশ্চিত হতে চায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের অবৈধভাবে কাজ করা ঠেকাতেই ভিসা বন্ড কর্মসূচি চালু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্বনিম্ন বন্ডের পরিমাণ ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে চিকিৎসা, ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক সফরে যুক্তরাষ্ট্র যেতে ইচ্ছুক অনেকের জন্য এত বড় অঙ্কের অর্থ বন্ড দেওয়া কঠিন হবে।
ভিসার শর্ত মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তবু এত বড় অঙ্কের অর্থ দীর্ঘ সময় আটকে থাকা অনেক আবেদনকারীর জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তারা।
অবৈধ অভিবাসন কমানো এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের হিসাবে, ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে থেকে যাওয়া একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও ফেরত পাঠাতে সরকারের প্রায় ১৮ হাজার ডলার খরচ হয়।
আফ্রিকার অধিকাংশ দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানও নতুন নিয়মের আওতায় রয়েছে। ফলে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে বন্ড জমা দেওয়া এখন স্থায়ী শর্ত হয়ে গেল। এতে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত যাতায়াতকারী বা ভবিষ্যতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও পরিবারগুলো প্রভাবিত হতে পারেন।
.png)

ভারতে ছাত্রদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ আপাতত থেমেছে। শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। দিল্লির যন্তর মন্তর পরিষ্কার করা হয়েছে। দেয়ালের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ও যেন আপাতত নিজেদের পর্ব শেষ করেছে। অন্যদিকে বিজেপি আবার সংসদে নিজেদের বিল পাস করানোর কাজে ফিরেছে।
৩ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে ভারত। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। এবার সম্মেলনের পাশাপাশি আয়োজিত আউটরিচ সেশনগুলোও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেছেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন। ডিজিএফআইয়ের আমন্ত্রণে আসা এই সফরে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামসুল ইসলামের সঙ্গে।
১ দিন আগে
গত আট বছরে তিনবার বদলেছে বাংলাদেশের ডিজিটাল আইন। ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইন। প্রতিবারই সরকার বলেছে, নতুন আইন আগের আইনের বিতর্কিত দিকগুলো সংশোধন করবে, অযথা হয়রানির সুযোগ কমাবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল সাইবার অপরাধ মোকাবিলায়
১১ আগস্ট ২০২৬